মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন

ঈদুল আযহা বা ঈদুল আদ্বহা অর্থ হলো ‘ত্যাগের উৎসব’। ঈদুল আযহা মূলত আরবি বাক্যাংশ। আরবি ঈদ শব্দটির অর্থ ‘উৎসব’, ‘উদ্যাপন’, ‘ভোজের দিন’ বা ‘ছুটির দিন’। ‘আদ্বহা’ শব্দটির অর্থ ‘বলিদান’ বা ‘ত্যাগ’। এই উৎসবকে ‘ঈদুজ্জোহা’ বা ‘বকরীদ’ও বলা হয়। আরবি শব্দ ‘বক্রাতুন’ (গাভী বা গরু) থেকে ‘বকরীদ’ শব্দবন্ধের উৎপত্তি বলে প্রতীয়মান হয়। সাধারণত গরু কুরবানির মাধ্যমেই এই উৎসব পালিত হয় বলেই এর নাম হয়েছে ‘বকরীদ’। চলতি ভাষায় এই উৎসবটি ‘কুরবানির ঈদ’ নামেও পরিচিত। ইসলামি শরিয়তে এর যে পদ্ধতি নির্দেশিত হয়েছে তার মূল সূত্র ‘মিল্লাতে ইবরাহীমী’তে বিদ্যমান ছিল। এজন্য কুরবানিকে ‘সুন্নতে ইবরাহীমী’ও বলা হয়। এটি মুসলমানদের সবচেয়ে বড় দুটো ধর্মীয় উৎসবের দ্বিতীয়টি। এই উৎসবের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো ত্যাগ করা। হিজরি ২য় বর্ষ মোতাবেক ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দে কুরবানি ওয়াজিব বা সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ্ হিসেবে প্রবর্তিত হয়। ইসলামি চান্দ্র পঞ্জিকায় ঈদুল আযহা জিলহজ্জ মাসের ১০ তারিখে পড়ে। আন্তর্জাতিক (গ্রেগরীয়) পঞ্জিকায় তারিখ প্রতি বছর ভিন্ন হয়, সাধারণত এক বছর থেকে আরেক বছর ১১ দিন অথবা ১২ দিন করে কমতে থাকে।

বাংলা সাহিত্যে বিভিন্ন কবি-সাহিত্যিক ঈদ নিয়ে বিচিত্রমুখী সাহিত্য সৃজন করেছেন। সাহিত্যের প্রাচীন যুগে ঈদকে কেন্দ্র করে বাংলা সাহিত্যে তেমন কোনো সাহিত্যিক নিদর্শন পাওয়া না গেলেও মধ্যযুগ থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত ঈদ সম্পর্কিত যথেষ্ট সাহিত্যিক নিদর্শনের হদিস মিলে। তখন ঈদুল আযহা শুধু ধর্মীয় আবহে ও ত্যাগের মহিমায় উদযাপিত হতো। ক্রমে ক্রমে সে আবহে সাহিত্যের ছোঁয়া লাগে। মধ্যযুগ থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত ধর্মীয় কাব্যে ইব্রাহিম-ইসমাইল (আ.)-এর আত্মত্যাগ সম্পর্কিত চেতনার গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক বিষয়-আশয় স্থান করে নেয়।

ঈদ সম্পর্কিত প্রথম রচনা হিসেবে আমরা মধ্যযুগের কবি সৈয়দ সুলতানের (১৫৫০Ñ১৬৪৮) ‘নবীবংশ’ কাব্যগ্রন্থকে ধরে নিতে পারি। এ কাব্যে কবি হযরত ইব্রাহিম ও ইসমাইল (আ.)-এর আত্মত্যাগের সারাত্-সার চিত্রিত করেছেন। উল্লিখিত নবিদ্বয়ের আত্মত্যাগের কাহিনি বর্ণনার প্রেক্ষাপটে কুরবানি প্রথা ও উৎপত্তির বর্ণনাও এতে বিবৃত হয়েছে। তা ছাড়া কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর ‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্যেও ঈদুল আযহার কিছু বর্ণনার আভাস পাওয়া যায়।

বাঙালি মুসলিম সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেন কর্তৃক ১৮৮৯ সালে রচিত ‘গো-জীবন’ শীর্ষক গ্রন্থে হিন্দুদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে গো হত্যার বিরুদ্ধে তাঁর মতামত তুলে ধরেন। এতে মুসলমানদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় মৌলভী নঈম উদ্দিন (১৮৩২Ñ১৯০৭) ‘গো কাণ্ড’ নামক পাল্টা আরেকটি গ্রন্থ রচনা করেন। অতঃপর রিয়াজ উদ্দিন আহমদ মাশহাদী (১৮৫২Ñ১৯১৮) ১৮৯০ সালে ‘অগ্নিকুক্কুট’ নামক একটি পুস্তিকা প্রকাশ করেন। এ গ্রন্থে লেখক যথাযথ বৈজ্ঞানিক ভিত্তি ও ধর্মীয় প্রামাণ্য দলিল সহকারে কুরবানির পক্ষে ক্ষুরধার যুক্তি তুলে ধরেন। ‘সুধাকর’ পত্রিকায় এ পুস্তিকার একটি সাহিত্যালোচনা প্রকাশিত হয়। ফলে এসব সাহিত্যকর্ম কুরবানির পক্ষে শক্তিশালী প্রামাণ্য দলিল হয়ে ওঠে। বিংশ শতাব্দী থেকে উৎসবকেন্দ্রিক এসব লেখা সাহিত্যের উপাদান হিসেবে পরিগণিত হয়। এ শতাব্দীর প্রথম দশক থেকে ঈদকেন্দ্রিক সাহিত্য-রচনা বেশ গতিশীল হয়।

১৯০০ সালে সৈয়দ নবাব আলী চৌধুরী (১৮৬৩Ñ১৯২৯) ‘ঈদুল আযহা’ শীর্ষক একটি স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ প্রকাশ করেন। পরে কবি সৈয়দ এমদাদ আলী (১৮৮০Ñ১৯৫৬) ঈদ বিষয়ক সর্বপ্রথম কবিতা রচনা করেন। ঢাকার সমকালীন পত্রিকা ‘নবনূর’-এ তাঁর রচিত ‘ঈদ’ নামক কবিতাটি প্রকাশ পায়। পরবর্তীকালে ‘নবনূর’ পত্রিকায় কবি কায়কোবাদের ‘ঈদ’ ও ‘ঈদ আবাহন’ নামক দুটি কবিতা প্রকাশিত হয়। উক্ত কবিতায় কবি লেখেন, ‘এই ঈদে বিধাতার কি যে শুভ উদ্দেশ্য মহান, হয় সিদ্ধ, বোঝে না তা স্বার্থপর সন্তান।’ একই পত্রিকায় ঐতিহাসিক রামপ্রাণ গুপ্ত লেখেন ‘ঈদুজ্জোহা’ নামক প্রবন্ধ। কবি জীবেন্দু কুমার লেখেন ‘ঈদ সম্মিলন’ নামক কবিতা।

ঊনবিংশ শতকের শেষ প্রান্তে ‘অপরাজেয় কথাশিল্পী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লেখেন ‘মহেশ’ নামক একটি ছোটগল্প। এই ছোটগল্প ‘মহেশ’ সরাসরি কুরবানির সাথে সম্পৃক্ত না হলেও এর প্রেক্ষাপট ও দ্বন্দ্ব কুরবানির পশু ও হিন্দু-মুসলিম সামাজিক সম্পর্কে ত্যাগের প্রতীকী উপস্থাপন বেশ চমৎকারভারে ফুটে উঠেছে বলে গল্পটি অনন্য হয়ে উঠে। বিংশ শতাব্দী থেকে ঈদুল আজহার ধর্মীয় আচার-আচরণ মুসলিম সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত হতে থাকে।

‘ঈদ সমাগমে আজি আমাদের সে দুঃখ যামিনীর অবসান হউক।...সমষ্টির মঙ্গলের জন্য ক্ষুদ্র স্বার্থ পদদলিত হউক’Ñএই প্রতিপাদ্যে ১৯০৪ সালে বেগম রোকেয়া শাখাওয়াত হোসেন (১৮৮০-১৯৩২) লেখেন ‘ঈদ সম্মিলন’ নামক একটি প্রবন্ধ। একই সময় ‘ঈদুল আযহা’ শীর্ষক প্রবন্ধে কুরবানির গুরুত্ব তুলে ধরে আরেকটি প্রবন্ধ লেখেন মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী। মুসলিম ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সহানুভূতি ছিলো সে সময়কার কবি-সাহিত্যিকদের প্রতিপাদ্য বিষয়। অতঃপর তাঁদের প্রচেষ্টায় বিশ শতকের প্রথম দিকে ঈদুল আযহা খুশি ও সঙ্ঘবদ্ধতার উৎসব হিসেবে পরিগণিত হয়।

ঈদ উদযাপনের আনুক্রমিক ধারায় কাজী নজরুল ইসলামের অবদান সবচেয়ে বেশি বৈচিত্র্যময় ও তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯২০ সালে নজরুল রচনা করেন: তার বিখ্যাত ‘কুরবানি’ কবিতাটি। তিনি লিখেন: ‘ওরে হত্যা নয় আজ ‘সত্যাগ্রহ’, শক্তির উদ্বোধন।/ দুর্বল! ভীরু! চুপ রহো,/ ওহো খাম্খা ক্ষুব্ধ মন!’ (কুরবানি, অগ্নি-বীণা)। ১৯২৭ সালে কবি নজরুলই প্রথম উচ্চারণ করেন-‘আমি মনে করি বিশ্ব-কাব্যলক্ষ্মীর একটি মুসলমানি ঢঙ আছে।’ এই ‘মুসলমানি ঢঙে’ রবীন্দ্র যুগে নজরুলই একমাত্র জোয়ার এনেছিলেন। ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে মুক্তি পেতে নজরুল কুরবানির চেতনাকে রাজনৈতিক রূপক হিসাবে ব্যবহার করেছেন। লড়াইকে তিনি কুরবানির প্রকৃত তাৎপর্য বলে মনে করতেন। কুরবানির ত্যাগের গুরুত্ব প্রসঙ্গে তিনি লিখেন: ‘পশু কুরবানি দিস তখন/ আজাদ-মুক্ত হবি যখন/ জুলম-মুক্ত হবে রে দ্বীন-/ কুরবানির আজ এই যে খুন/ শিখা হয়ে যেন জ্বালে আগুন,/ জালিমের যেন রাখে না চিন।’ (শহীদি ঈদ, ভাঙার গান)। দুই ঈদ নিয়েই তাঁর সৃষ্টিশীলতা প্রবাহমান ছিল। চির সাম্যের কবি কুরবানির ঈদের কাব্যকথায় উৎসবটির সামাজিক সাম্য ও দর্শন নিজস্ব স্টাইলে উপস্থাপন করেছেন। ঈদুল আযহাকে নিয়ে নজরুলের জনপ্রিয় ঈদ গান-‘ঈদুজ্জোহার চাঁদ এলো ঐ,/ এলো আবার দুসরা ঈদ’ খুবই প্রাসঙ্গিক ও উদ্দীপনাময়। গানটির পরের অন্তরাতে তিনি আল্লাহর নির্দেশ মতো প্রিয়বস্তু কুরবানির ওপর জোর দিয়ে বলেছেন- ‘কুরবানি দে, কুরবানি দে, শোন খোদার ফরমান তাগিদ।’

ঈদুল আযহা নিয়ে লেখা কবিতায় অনাচারের পাশাপাশি জাতীয় চেতনার প্রকাশ ঘটিয়েছেন কবি নজরুল- ‘শহীদান’দের ঈদ এলো বকরীদ,/ অন্তরে চির-নওজোয়ান যে তার তরে এই ঈদ।’ (বকরীদ, শেষ সওগাত) শুদ্ধ হওয়ার সাধনা করলে নবী-রাসূলদের শেখানো রাস্তায় সত্যিকার কুরবানি দেওয়া হয়। নজরুল সে কথাই বলেছেন কাব্যিক ছন্দে-‘ইব্রাহিমের কাহিনি শুনেছ? ইসমাইলের ত্যাগ?/ আল্লারে পাবে মনে কর কুরবানি দিয়ে গরু-ছাগ?/ আল্লাহর নামে, ধর্মের নামে, মানবজাতির লাগি/ পুত্রেরে কুরবানি দিতে পারে, আছে কেউ হেন ত্যাগী?/ সেই মুসলিম থাকে যদি কেউ, তসলিম করি তারে,/ ঈদগাহে গিয়া তারই সার্থক হয় ডাকা আল্লারে।/ অন্তরে ভোগী, বাইরে যে যোগী, মুসলমান সে নয়,/ চোগা চাপকানে ঢাকা পড়িবে না সত্য সে পরিচয়!’ (বকরীদ, শেষ সওগাত)। তিনি আরও বলেন: ‘শুধু আপনারে বাঁচায় যে,/ মুসলিম নহে ভণ্ড সে!/ ইসলাম বলেÑবাঁচো সবাই!/ দাও কুরবানী জান্ ও মাল,/ বেহেশত্ তোমার করো হালাল।/ স্বার্থপরের বেহেশত্ নাই।’ (শহীদি ঈদ, ভাঙার গান)। নজরুল ইসলামের ভাষায়: ‘কুরবানীর প্রকৃত সার্থকতা অর্জিত হবে তখনই যখন ঈদের ত্যাগের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে শোষণমুক্ত ন্যায়পরায়ণ সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা যাবে।’

লোক দেখানো কুরবানিদাতা, স্বার্থপর মুসলমান ও পোশাকি ধার্মিকদের নজরুল নসিহত করে বলেছেন: বনের পশুর গলায় ছুরি চালানোর আগে নিজের মনে লুকিয়ে থাকা পশুর গলায় ছুরি চালিয়ে নিজেকে মানুষ বানিয়ে নাও। মানুষ না-হওয়া পর্যন্ত তোমার কুরবানি কীভাবে কবুল হবে আল্লাহর কাছে! ভেতর জগতে তুমিও একজন পশু, ওই অবলা জানোয়ারটিও পশু। এক পশুকে আরেক পশু কুরবানি দেওয়া কি হাস্যকর নয়!

নজরুল পরবর্তী কবি-সাহিত্যিগণ ঈদের সাম্য ও মানবিকতার আলো ছড়িয়েছেন তাঁদের স্ব স্ব সৃজনশীলতায়। আবুল মনসুর আহমদের ‘নায়েবে নবী’, মাহবুব উল আলম চৌধুরীর ‘স্মৃতির সন্ধান’ গ্রন্থে কুরবানির উল্লেখ পাওয়া যায়। ‘ঈদগাহ্ হবে দুনিয়াটাই’ কবিতায় ‘আজকে এল খুশির দিন, দেখনা চেয়ে খুশির চিন।’Ñ চরণগুলো কবি ফররুখ আহমদের (১৯১৮-১৯৭৪) বিখ্যাত ঈদ-বিষয়ক কাব্য-চরণ। কবি তালিম হোসেন লিখেছেন-‘ঈদ মোবারক সালাম বন্ধু, আজিকে এই খোশরোজ,/দাওয়াত কবুল কর মানুষের বেদনার মহাভোজ।’ (ঈদের ফরিয়াদ, তালিম হোসেন)। কবি আল মাহমুদ ঈদকে বাংলা কবিতায় এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন। তিনি লেখেন: “সব খুশিরই গন্ধ আছে- ঈদের খুশিরও।/ ঈদের খুশির গন্ধটা ভাই ঘিয়ে ডোবানো।” “কোরমা-পোলাও ছাড়া কি ভাই ভরবে কারো প্রাণ!/খুশির মধ্যে খাওয়াই সেরা- খাওয়ার বাড়া নেই।” “স্বপ্নে স্বপ্নে যাক মিলিয়ে ধনী-গরিবেরা।” “ঈদের দিনে জিদ ধরি না আর/কানে আমার বাজে না সেই মায়ের অলঙ্কার।” কবি তাঁর বিভিন্ন লেখায় শৈশবের কুরবানীর ঈদের পশু কেনা, হাট এবং উৎসবের আনন্দ বর্ণনা করেছেন। আল মাহমুদের কবিতায় ঈদ শুধু উৎসব নয়; বরং তা আত্মিক আত্মীয়তা ও মানুষের ভেদাভেদ ভুলে যাওয়ার এক সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে।

বর্তমান একুশ শতকে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া ঈদ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান এবং বিশেষ সংখ্যায় ঈদ বিষয়ক সৃজনশীল বিভিন্ন লেখা প্রকাশ করে আসছে। এতে আধুনিক যুগের এই বিশেষ দিনে কবি-সাহিত্যিকগণ ভালোলাগা-ভালোবাসা, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, সুখ-দুঃখ ইত্যাদি নানান উপাদানে সমৃদ্ধ সাহিত্য পাঠকদের উপহার দিচ্ছেন।

কুরবানির শিক্ষা হলো, মনের পশুকে জবেহ করে নিজেকে খোদায়ি রঙে সাজিয়ে তোলা। ঈদুল আযহা আত্মত্যাগে ডুবে যাওয়ার দিন। আযহা মানে প্রভাতের ঝিলিমিলি আলো, যা অন্ধকার দূর করে দেয়। রাতের আধার ভেঙে নতুন সকাল নিয়ে আসে। কিন্তু যে মুসলমান আত্মপূজায় ডুবে আছে সে কীভাবে অন্যকে আলোকিত করবে? তার আত্মা তো স্বার্থের কালোয় কলুষিত। তাছাড়া যারা স্বার্থপর তাদের কুরবানি-নামাজ-রোজা সবকিছু লোকদেখানো ভণ্ডামি ছাড়া কিছুই নয়।

তথ্যসূত্র

১. ‘অগ্নি-বীণা’, ‘ভাঙার গান’, ‘শেষ সওগাত’ : কাজী নজরুল ইসলাম, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, বাংলা একাডেমী

২. প্রবন্ধ: বাংলা সাহিত্যে ঈদুল আযহা : ড. নূর-ই আলম সিদ্দিকী, দৈনিক যুগান্তর।

৩. প্রবন্ধ: নজরুলের কবিতায় ঈদুল আযহা : আহনাফ আবদুল কাদির, প্রতিদিনের সংবাদ।

লেখক :

সাংবাদিক ও ইতিহাস গবেষক