মাহবুবুল হক

এ মাসের ১৮ তারিখে বর্তমান সরকারের ২মাস পূর্তি উপলক্ষে সরকারের গৃহীত ৬০টি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ তুলে ধরা হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন বলেছেন, নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হয়েছে। কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালু করা হয়েছে। কৃষকদের জন্য ১০,০০০/- (দশহাজার) টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করা হয়েছে। ২০ কিলোমিটার নদী-খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রবাসীদের জন্য প্রবাসী কার্ড, হজ যাত্রীর খরচ কমানো, মালয়শিয়ার শ্রম বাজার পুনরায় চালু, সরকারের অভ্যন্তরে শূন্যপদ পূরণের উদ্যোগ গ্রহণ, স্বাস্থ্যখাতে ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ, ই-হেলথ কার্ড চালুর উদ্যোগ, শিক্ষা খাতে পুনঃভর্তি ফি বাতিল, শিক্ষাবৃত্তি বৃদ্ধি, বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য আর্থিক সহায়তা দান, শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা, ডেংগু প্রতিরোধে জাতীয় পরিচ্ছন্নতা অভিযান, টিকাদান কর্মসূচী, বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, প্রবাসী কল্যাণ ও শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, ইমাম-মুয়াজ্জিন-পুরোহিত-ভিক্ষু-যাজকদের মাসিক সম্মানীর কার্যক্রম, ভূমিব্যবস্থাপনায় ডিজিটালাইজেশন, অনলাইন কর প্রদান, হট লাইন চালুসহ নদী রক্ষা আইন সংশোধনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

খবরটি পড়ে যথেষ্ট উৎসাহ বোধ করছি। আমরা এখানে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করিনি। খুব সংক্ষেপে মূল বিষয়গুলো বলার চেষ্টা করেছি। সরকারের বড় খবর সব সংবাদপত্র ও পত্রিকায় এবং সকল মিডিয়ায় প্রচার করা হয়েছে। যারা দেশের খবরাখবর রাখেন, তারা ইতোমধ্যে খবরটি পেয়ে গেছেন। এ বড় খবরের একাংশ গত সপ্তাহে বিশেষ করে ১৫ এপ্রিলে প্রকাশিত হয়েছে। সেদিন প্রধানমন্ত্রী নারীর ক্ষমতায়নকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ডের’ উদ্বোধন করেছেন। ইতোমধ্যে সংবাদপত্র ও মিডিয়ায় ফলাও করে সেসব খবর প্রকাশিত হয়েছে। তারমধ্যে ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুক, মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, চার্চের- ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, ভিক্ষু ও যাজকদের সম্মানী ভাতার বিষয়টি জনসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সমাজের একাংশের মানুষ অবশ্যই খুশী হয়েছে। সংবাদপত্র ও মিডিয়ায় যারা উপকৃত হয়েছেন, তাদের কেউ কেউ আনন্দে সবার সম্মুখে বেগম খালেদা জিয়ার ছেলের জন্য দোয়া করেছে। কেউ কেউ আবার জিয়াউর রহমানের সন্তানের জন্য অনেক দোয়া করেছে। এটা অভাবিত কিছু নয়। সাধারণ বিষয়। সবদেশের মানুষ একভাবে তো আর দোয়া করে না। আমাদের দেশের মানুষ প্রথমে মহান আল্লাহর প্রশংসা করে তারপর আল্লাহর যে বান্দারা সাহায্য, সহযোগিতা ও সমবেদনা প্রকাশ করে তাদের জন্যও প্রাণভরে দোয়া করে। এ বিষয়ের মধ্যে রাজনীতির কিছু নেই। এর মধ্যে আছে সহজ সরল আর্তি। অল্প শিক্ষিত বা স্বল্প শিক্ষিত নারীগণ আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মোধন করে দোয়া করেননি। দোয়া করেছেন প্রেসিডেন্ট জিয়া ও বেগম জিয়ার সন্তান বলে। এটা একটা প্রণিধানযোগ্য বিষয়। এদিক থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অবশ্যই একজন সৌভাগ্যবান ব্যক্তি। তাঁর সাথে সাথে তাঁর পিতা ও মাতা, দোয়া পাচ্ছেন। এ দোয়া ছিলো স্বতঃস্ফূর্ত। মনে হয় নি, কেউ কাউকে শিখিয়ে দিয়েছে। এ ফ্যামিলি কার্ড’ যদি সত্যি সত্যি স্টাবলিস্ হয় বা স্থায়ী করা যায় তাহলে নারীর ক্ষমতায়ন সত্যি সত্যি বেড়ে যাবে। পরিবারের স্বামীর ক্ষমতা ও দাপট কিছুটা হলেও কমবে। এ যুগে মাসে ২৫০০/= টাকা বড় কিছু নয়। তবুও এ সামান্য টাকা দিয়ে গরীব পরিবারের অত্যাবশ্যকীয় কিছু প্রয়োজন হয়তো মিটবে। বিষয়টি আমাদের ধর্ম, ঐতিহ্য ও যাপিত জীবনে কোনদিক থেকে কতটুকু ফলদায়ক হবে এই মুহূর্তে তা বলা মুশকিল। তবে এখানে আমরা দু’টো ছোটখাট উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত পেশ করবো। যে জায়গা থেকে এর গভীর তাৎপর্য উপলব্ধি করা যায়।

সময়টি মনে নেই। ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁও যাচ্ছিলাম। সম্ভবত, সৈয়দপুর পার হওয়ার পর থেকে ঠাকুরগাঁও পৌঁছার পূর্ব পর্যন্ত মহিলাদের ছোট ছোট মিছিল চোখে পড়ছিলো। তারা সমস্বরে শ্লোগান দিচ্ছিলেন, ‘স্বামীর কথা শুনবোনা, গ্রামীণ ব্যাংক ছাড়বো না’। আমরা তখন গ্রামীণ ব্যাংকের খুব পক্ষে ছিলাম না। কিন্তু গ্রামীণ ব্যাংকের পক্ষে গ্রামীণ দরিদ্র মহিলারা প্রকাশ্যে রাস্তা-ঘাটে শ্লোগান দিচ্ছে, এটা চাক্ষুস দেখে ও শুনে হতবাক হয়ে গেছি। আমার সাথে আমার ছোট পরিবার ছিলো। আমার ছেলে-মেয়েরা দুষ্টামী করতে লাগলো ‘আম্মা এখন আব্বার কথা শুনবে না। ব্যাংকের টাকা তুলবে না।’ আমার জীবনসঙ্গীও খুব মজা পাচ্ছিল। কিন্তু সাথে সাথে হতভম্বও হয়েছিলো। জিজ্ঞেস করছিলো গ্রামীণ ব্যাংক এমন কি কাজ করেছে। যাতে সবচেয়ে নিরীহ জেলার গরীব মহিলারা এতটা সাহসী হয়ে উঠেছে। তারা অন্যকোনো শ্লোগান দিচ্ছিল না। একটাই শ্লোগান দিচ্ছিল। যে শ্লোগানের মধ্যে ছিলো প্রচণ্ড নেগেটিভ ও প্রচণ্ড পজেটিভ দুটি বাক্য। এ দু’টি বাক্যকে বিশ্লেষণ করলে আমাদের যাপিত জীবন সম্পর্কে অনেক গোপন কথা, অনেক রহস্যময় কথা এবং অনেক অকল্পনীয় তথ্য আমাদের কাছে এসে যাবে।

আমরা মিছিলের পাশ দিয়ে যাচ্ছি, আমাদের ড্রাইভারের নাম ছিলো আবদুল হালিম । একেবারে গাড়ির গ্যারাজে বেড়ে ওঠা এক শক্তিশালী ও সাহসী যুবক। সে গাড়ির কাঁচ নামিয়ে হঠাৎ কি যেন বলে ফেলেছিলো। প্রথমে আমরা খেয়াল করতে পারি নি। পুলিশের একটা গাড়িও অপরদিক থেকে ধেয়ে আসছিলো। মহিলারা গাড়ির দিকে একটু আগাতেই ড্রাইভার গাড়ির গতি বাড়িয়ে দেয়। ড্রাইভারকে আর কিছু বলি নি। ও ঢাকার ছেলে। কাউকে কিছু পরওয়া করতো না। কিন্তু শান্ত থাকলে নানা অসুবিধার মধ্য দিয়েও সে তার জীবন দেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতো। অসাধারণ বিনয় ও নম্রতাও ছিলো। তো, শ্বশুর বাড়িতে নেমে জীবনসঙ্গীকে জিজ্ঞেস করেছিলাম আবদুল হালিম কি বলেছিলো। জীবনসঙ্গী বললেন, ও শব্দগুলো কি বলেছিলো, মনে নেই। তবে কথাটা ছিলো, ‘এখন স্বামী তালাক দিলে কি করবা।’এতেই গরীব মহিলারা ক্ষেপে গিয়েছিলো।

জীবনের এ গল্পটি হঠাৎ আজ লিখতে গিয়ে মনে পড়ে গেল। সরকার নিশ্চয়ই খুব ভাল উদ্দেশ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড ‘বিতরণ করছেন। কিন্তু এর ‘কনসিকুয়েন্স’ বা সাধারণভাবে বললে এর রেজাল্ট কি হবে তা ভবিতব্যই বলতে পারে।

যারা গ্রামীণ ব্যাংক ছাড়বোনা বলে অংগীকার করছিলো, শপথ করছিলো, তাদের কয়জন এখনও গ্রামীণ ব্যাংকের সংগে লেগে আছেন আমরা তা’ জানিনা বা এই সুদী লেনদেনের সাথে জড়িত হয়ে তারা তাদের জীবনবোধ থেকে কতটুকু দূরে বা কতটুকু কাছে এসেছিলো তাও আমাদের কাছে কোনো পরিসংখ্যান নেই। গ্রামীণ ব্যাংক বা এ ধরনের ব্যাংকের সাথে যারা জড়িত তারা তো সবসময় বলে এসেছেন, তাদের সুদের হার ঊর্ধ্বমুখী হলেও গ্রাম-গ্রামান্তরে লাইসেন্স পারমিট ছাড়া অহরহ যে সুদের ব্যবসা চলছে, তার হার তো একলক্ষ টাকায় প্রতিমাসে গড়ে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। এর অর্থ হলো বছরে সুদের হার হচ্ছে ১২০% থেকে ১৪৪%। যেখানে গ্রামীণ ব্যাংকের হার ছিলো সর্বোচ্চ ৩৬%। যাদেরকে সুদে টাকা নিতেই হয়, তাদের জন্য তো গ্রামীণ ব্যাংকের সুদের হার তো নিঃসন্দেহে কম।

আবার অন্যদিকে গার্মেন্টসের মহিলারা শালীন পোশাক পরা বাইরে চলাফেরা করে বলে একে মূল্যবোধের দিক থেকে পজেটিভ বলে প্রশংসাও করেন। তাদের বক্তব্য হলো এই দরিদ্র মহিলারা গ্রামীণ জীবনের শালীন পোশাক বা উপযুক্ত পোশাক পরার সুযোগইতো কম ছিলো। এখন তো সেই মহিলারা দু’বেলা খেতে পায়। গার্মেন্টসে নামায পড়ার সুযোগও পায়। শালীন পোশাক পরে ঘর হতে বের হতে পারে। আবার ফিরেও আসতে পারে। সমস্যাটা একান্তভাবেই ভালো মানুষ হওয়ার মধ্যে। সংসার টিকে রাখার মধ্যে। একা নারীর দায়িত্ব সবকিছু নয়। স্বামী, স্ত্রী দুজনের দায়িত্ব। সেটার জন্য রাষ্ট্র, সরকার, রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি, সবার সমর্থন দরকার, উৎসাহ দরকার।

সরকারের যেকোনো কাজে জনসাধারণকে অংশগ্রহণ করতে হয়। এতে শেখার কাজটা হয়ে যায়। এভাবেই পরিবার, সমাজ ধীরে ধীরে প্রশিক্ষিত হয়। শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ এক জিনিস নয়। যে কোনো কাজের জন্য প্রশিক্ষণ দরকার, ট্রেনিং দরকার, রিহার্সেল দরকার। কিন্তু মোটামুটি একটা একাডেমিক শিক্ষা না থাকলে প্রশিক্ষণটা সঠিকভাবে ধরা যায় না। এ কারণেই সব দেশের মানুষ অন্তত সেকেন্ডারি লেভেলটা পাস করে থাকে। আমাদের দেশে যেটা এইচএসসি বা এ-লেভেল। নতুন সরকার এই দিকটায় নজর দিলে অনেক ভালো হতো। আমাদের দরকার স্ব-নির্ভর মানুষ, স্ব-নির্ভর পরিবার, স্ব-নির্ভর সমাজ এবং স্ব-নির্ভর দেশ।

অনেক দেশে যেমন সেকেন্ডারি লেভেল পাস করলে বাধ্যতামূলকভাবে সামরিক ট্রেনিংসহ রাষ্ট্রের প্রযোজনীয় সবধরনের কাজের অভিজ্ঞতা প্রদান করে থাকে, সেভাবে আমাদেরও এই মিনিমাম প্রশিক্ষণগুলো সব উঠতি নগরিককে প্রদান করা জরুরী হয়ে পড়েছে। আমাদের উত্তরে, পূর্বে এবং পশ্চিমে অনেক প্রতিবেশী। দীর্ঘকালের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে তাদের সবাই আমাদের সৎ বা বন্ধুসুলভ প্রতিবেশী নয়। প্রতিবেশীদের সংগে আমাদের বহুধরনের সমস্যা ঝুলে আছে। তারা আমাদের জন্য নানারকম সমস্যা সৃষ্টি করে রেখেছে। আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক আইন লংঘন করে তারা আমাদের ওপর নানাভাবে আধিপত্য বিস্তার করে আছে। আমরাতো সবার সৎ ও দায়িত্বশীল প্রতিবেশী হিসাবে বসবাস করার চেষ্টা করে আসছি। কিন্তু আমাদের পূর্ব দিকের প্রতিবেশী মায়ানমার তাদের দেশের মুসলিমদেরকে বরাবর পুশ করে আসছে। এই পুশের সংখ্যা আমাদের স্বাধীনতার পর থেকে শত শত, হাজার হাজার শুরু করে এখন প্রায় ১৪লাখ বার্মিজ নাগরিক আমাদের দেশে পুশইন হয়ে আছে। মিয়ানমার তাদের সমস্যা আমাদের ঘাড়ে, মাথায় এবং বুকে ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করছে। এই চাপটা শুধু মায়ানমারের হলেও একটা কথা ছিলো। আমাদের অজ্ঞতাবশত ও ভুল হেন্ডলিং-এর কারণে এই আঞ্চলিক সমস্যাকে এখন আন্তর্জাতিক সমস্যায় রূপান্তরিত করা হয়েছে। আর আমরা সবাই জানি আন্তর্জাতিক সমস্যার অর্থ হলো নিজ নিজ দেশের স্বার্থ সমস্যা। এই রহিঙ্গারা তলে তলে বিক্রি হচ্ছে, ক্রীতদাস হচ্ছে, অন্য দেশের শ্রমিক হওয়ার জন্য নানা মাধ্যমে ফুসলানি ও ষড়যন্ত্রের মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছে। অধিকাংশ বাংলাদেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করে এই ষড়যন্ত্রের সাথে সামিল হয়। আলটিমেটলি ক্ষতি হয় বাংলাদেশের।

এছাড়া আমাদের পূর্ব-উত্তর থেকে শুরু করে পশ্চিমে যে বিদ্রোহ, ক্ষোভ বহুকাল ধরে বিরাজমান রয়েছে সেইসব আঞ্চলিক সমস্যা বারবার আমাদের শান্তিকে বিপন্ন করে তোলে। এসব কারণে কোনো না কোনো সময় যুদ্ধ-বিগ্রহের মধ্যে আমরা জড়িয়ে যেতে পারি। এতকাল ধরে উপলব্ধি করে এসেছিলাম সবাই আমাদের বন্ধু, কেউ আমাদের শত্রু নয়। কিন্তু ’২৪ সালের জুলাই বিপ্লব আমাদের অন্ধচক্ষুকে সূর্যের মতো উন্মীলন করে দিয়েছে। এখন তো আমরা দেখছি আমরা নিজেরাই আমাদের শত্রু, আমার পরিবার আমার শত্রু, আমার সমাজ আমার শত্রু। আমার রাজনৈতিক দলগুলো আমার শত্রু। আমার নিরাপত্তার জন্য যারা নিবেদিত তারাও আমার শত্রু। আরো খোলাসা করে বলতে হলে আমরা দিব্যদৃষ্টিতে দেখছি আমাদের সরকার, আমাদের দেশ এবং আমাদের রাষ্ট্র সব যেন শুধু আমার নয়। আমাদের সবার শত্রু। নতুন সরকারকে এসব বড় বিষয়ের দিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে।

লেখক : কলামিস্ট ও গবেষক।