• গণতন্ত্রের গতি ও সুস্থধারা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই কর্নেল (অব.) অলি আহমদ রাষ্ট্রপতি পদে চূড়ান্ত : ডা. শফিকুর রহমান
  • বাংলাদেশের জনগণ ও ১১ দলের নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞ : কর্নেল (অব.) অলি আহমদ
  • জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে নতুনভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সুযোগ তৈরি হবে : নাহিদ ইসলাম
  • রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে বাংলাদেশের সফল নেতৃত্ব দেবেন : মামুনুল হক

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমকে সর্বসম্মতভাবে মনোনীত করা হয়েছে।

গতকাল রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণতন্ত্রের সৌন্দর্য ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে সুস্থ ধারায় ফিরিয়ে আনতে তারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, সবক্ষেত্রে রাজনীতি স্বচ্ছ হওয়া উচিত। বাংলাদেশে গণতন্ত্রের গতি ও সুস্থধারা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই সর্বসম্মতিক্রমে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি প্রার্থী অলি আহমদ বলেন, তাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করায় তিনি বাংলাদেশের জনগণ ও ১১ দলের নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তিনি বলেন, সবাই মনে করেছেন তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা ও পরীক্ষিত ব্যক্তি। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ নেই এবং তার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও কোনো প্রশ্ন নেই।

অলি আহমদ বলেন, ‘আমি আমাদের জায়গা থেকে এ জাতির সঙ্গে বেঈমানি করব না। হারব বা জিতব, সেটি প্রশ্ন নয়। জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য এবং মানুষের জন্য যেটা ভালো, সেটার জন্য সবসময় কাজ করব।’

তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে কাজ করার লক্ষ্যেই ১১ দলের নেতারা একসঙ্গে হয়েছেন এবং তাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছেন।

এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে এনসিপির আহ্বায়ক ও সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই সনদে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তারা আশা করেছিলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে নতুনভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সুযোগ তৈরি হবে।

তবে সরকার গণভোটের গণরায়কে অস্বীকার করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি সরকার জনগণের সঙ্গে দ্বিচারিতা করছে এবং বর্তমান সরকার স্বৈরতন্ত্রের পথে হাঁটছে।

তিনি আরও বলেন, এর আগে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছিল, যাতে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একজন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করা যায়। কিন্তু সংস্কার প্রক্রিয়া যথাযথভাবে বাস্তবায়ন না হওয়ায় সর্বসম্মতভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সেই সুযোগ নষ্ট হয়েছে।

নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, জুলাই-পরবর্তী সংস্কার প্রক্রিয়া কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হয়নি। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও নির্বাচন কমিশনকে দলীয়করণেরও অভিযোগ করেন তিনি। বিএনপির একদলীয় ও সংষ্কারবিরোধী অবস্থানের কারণেও দেশের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক বলেন, তারা তাদের বিবেচনায় সবচেয়ে যোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত করেছেন। ১১ দলের পক্ষ থেকে সম্মিলিতভাবে একজন রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করা হয়েছে।

তিনি বলেন, অলি আহমদ জুলাইয়ের চেতনার একজন বলিষ্ঠ ধারক। ১১ দলের বাইরেও যারা দেশকে ভালোবাসেন, তারাও তাকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করবেন বলে তারা প্রত্যাশা করেন। তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে বাংলাদেশের সফল নেতৃত্ব দেবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন মামুনুল হক।

১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জোটের এ সিদ্ধান্তের লক্ষ্য শুধু নির্বাচনে অংশগ্রহণ নয়; বরং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা, গণতান্ত্রিক ধারা শক্তিশালী করা এবং দেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে ভূমিকা রাখা।

বৈঠকে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক, নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমীর আব্দুল কাইয়্যুম সোবহানী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধানসহ জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন, এবি পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল মিয়াজী, নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইযহার, জাগপার মহাসচিব অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম এবং বিডিপির জেনারেল সেক্রেটারি নিজামুল হক নাঈমসহ ১১ দলের অন্যান্য শীর্ষ নেতারা বৈঠকে অংশ নেন।

‘শহীদদের মর্যাদা রক্ষায় ন্যায়বিচার ও মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন জরুরি’ : জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা তৈরি করেছে। তাই শহীদদের মর্যাদা রক্ষায় ন্যায়বিচার ও মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন জরুরি।

গতকাল রোববার বিকালে রাজধানীর ইস্কাটনে শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ) এর আয়োজনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান – ন্যায়বিচার, মেধার মূল্যায়ন ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক ৩৬ জুলাই উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা সংসদে ব্যক্তিগতভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি, তার কোন পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি না। আজকের সমাজ দেখে আফসোস হয়, কোন শিক্ষাই বুঝি হলো না। এখন যারা সরকারি দলে, বিরোধীদলে আছি সবাইতো মজলুম ছিলাম। তাহলে মজলুমরা এখন আবার জালিম হতে যাচ্ছে কেন। মজলুম যখন জালিম হয়, তখন আগের জালিমের চেয়ে তার পরিণতি আরো ভয়ানক হয়। আমরা সংসদে এটাও বলেছি যে, ক্ষমতার দম্ভে কেউ যেন দিশাহারা না হয়ে যায়। যে কোন সময় পরিবর্তন হতে পারে। যেমন যারা বিদায় নিয়েছে তাদের সরকারি বা বিরোধীদল কেউ আজকে সংসদে নেই। তাদের অপকর্মের কারণেই নেই।

তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশে আসার আগে ও পরে বহুবার বলেছেন-আমরা একটি মেধাতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চাই। সেই ওয়াদার বাস্তবায়ন কোথায়? কোথাও দেখতে পাচ্ছি না। বরং সৎ, মেধাবী, কমিটেড দেশপ্রেমিক-যারা নিরেটভাবে জাতিকে সেবা দিতে চায় তাদেরকে সেই স্বৈরাচারী আমলের মত বিভিন্ন জায়গায় নাজেহাল করা হচ্ছে। এখানে সেখানে পোস্টিং দেয়া হচ্ছে। এই প্রতিশোধ কার বিরুদ্ধে? তারা জাতিকে উপযুক্ত সেবা দিতে না পারলে আপনাদের প্রতিশোধ হবে জাতির বিরুদ্ধে।

জামায়াত আমির বলেন, জুলাই আন্দোলনের উদ্দেশ্য ছিল-সব ভেদাভেদ ও বৈষম্য দূর করে ঐক্যবদ্ধ একটি জাতি গঠন করা। জাতিসংঘের হিসেবে এতে ১৪ শতাধিক মারা যান। এই আন্দোলনে তরুণ ছাত্রদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ, শ্রমিক ও আলেম-ওলামারা অংশ নিয়েছিলেন। মারা যাওয়া মানুষের মধ্যে ৬ থেকে ৭ শ‘ ছিলেন সাধারণ শ্রমিক।

তিনি বলেন, যে সমস্ত কাজ-অপকর্ম করার কারণে ওই সরকারকে ফ্যাসিবাদি বলছি, আজকেও যদি একই কাজ করেন, নি:সন্দেহে তারাও ফ্যাসিবাদ। যে কাজ অন্যের সন্তান করলে সন্ত্রাসী বলব, সেই কাজ আমার সন্তান করলে তাকেও বলতে হবে সন্ত্রাসী।

চব্বিশের জুলাই আন্দোলন প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, এদেশের ফ্যাসিবাদিদের বিদায় দেয়া হয়েছে, ফ্যাসিবাদে আক্রান্তরা বিদায় নিয়েছেন। আমরা নতুন কোন ফ্যাসিবাদ দেখতে চাই না। তবে ফ্যাসিবাদ একটা ভাইরাস। এটা কোন ব্যক্তি নয়, ব্যক্তির গায়ে বসে। এই ভাইরাস যাকেই পাবে, তাকে ফ্যাসিবাদী বানিয়ে ছাড়বে।

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, পাশের দেশ দাবি করে তারা আমাদের সবচেয়ে বড় বন্ধু। তাহলে বড় বন্ধু হলে বাংলাদেশের বড় কিলারকে আপনারা বুকে জায়গা দিয়েছেন কেন? শুধু জায়গা দেন নাই, আপনারা কূটনৈতিক শিষ্টাচার এবং দুই রাষ্ট্রের পারস্পারিক সম্পর্ককে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে তাকে বক্তব্য রাখার সুযোগ করে দিয়েছেন। আমরা তার নিন্দা জানাই। তিনি বলেন, কাজ করবেন শত্রুর, গালভরা বলবেন আমি বন্ধু, বাংলাদেশের মানুষ এত বোকা না।

জামায়াত আমির বলেন, একটা সমাজ থেকে অপরাধীরা ভয়ঙ্কর পরিণতি থেকে বাঁচার জন্য পালায়। আজকে পালিয়ে যাওয়ারা (আওয়ামী লীগ) উঁকি-ঝুঁকি দিচ্ছে, মাঝে মাঝেই গল্প শোনায়-এই বুঝি এসে গেল।

তিনি বলেন, যে মানুষ প্রতিদিন বলে, আমি আত্মহত্যা করবো-সে জীবনেও আত্মহত্যা করে না। আর যে বীর যুদ্ধের ময়দানে লড়ে যায়, সে বলে না যে আমি একজন বীর যোদ্ধা। বরং জাতি বলে যে, সে বীরযোদ্ধা। এত সাহস, তাহলে গেলেন কেন?

তিনি বলেন, তার (হাসিনা) ভাব এমন যে, আমি মক্কা যেতে চেয়েছিলাম, নিয়ে গেছে মস্কোয়। এখন তিনি বলেন, কই আমিতো গোপালগঞ্জ যেতে চেয়েছিলাম, এখানে কেন নিয়ে এসেছে। অথচ এখন সব কিছু বের হয়ে আসছে, তিন দিন পাশের দেশে একাধিক ফোন গেছে। তাদের কাছে আশ্রয় চাওয়া হয়েছে। তাহলে কি গোপালগঞ্জ যেতে ভারতের কাছে ফোন দিয়েছিলেন নাকি? জাতির সঙ্গে এই তামাশা তারা আর দেখতেও চায় না, শুনতেও চায় না।

সভাপতির বক্তব্যে এনডিএফ এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসেবাকর্মীদের জুলাইয়ের সাহসিকতা অনুকরণীয়, এবং এনডিএফ জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে ন্যায়ভিত্তিক, মেধানির্ভর ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি প্রমুখ। এতে দেশের বিশিষ্ট চিকিৎসক, শিক্ষার্থী, শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্য, গবেষক, গণমাধ্যমকর্মী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে চিকিৎসা, নার্সিং, মেডিকেল টেকনোলজি, স্বাস্থ্য সাংবাদিকতা, রক্তসেবা, মানবিক সহায়তা ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বাস্থ্যসেবায় অসামান্য অবদানের জন্য ১১টি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দেওয়া হয়।