বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম একদিনে তৈরি হয়নি- রাজনৈতিক ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় দেখা যায়, রাষ্ট্র ও সমাজের নৈতিক ভিত্তি যখন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে, তখন উলামায়ে কেরাম (ধর্মীয় জ্ঞানভিত্তিক নেতৃত্ব) এবং শিক্ষার্থীসমাজ (বিশেষত আলিয়া-কওমি মাদরাসার ছাত্ররা) শুধু নৈতিক সমর্থন নয়, বাস্তব দায়িত্বও নেয়।

*১৯৪৭-এর পাকিস্তান আন্দোলন যেমন উলামায়ে কেরামের অবদানে সমৃদ্ধ ছিল, তেমনি ১৯৭১-এর স্বাধীনতা সংগ্রামেও ধর্মীয় চিন্তা-চর্চায় গড়ে ওঠা মানুষের ত্যাগ-নেতৃত্ব ইতিহাসের অংশ।

* ‘জুলাই-আগস্ট ২০২৪’ সেই ধারাবাহিকতারই নতুন অধ্যায় যেখানে “কোটা সংস্কার” থেকে স্বৈরাচারবিরোধী “এক দফা” আন্দোলনে রূপ নেওয়া তরঙ্গ রাজপথকে কেন্দ্রীয় উলামায়ে কেরাম ভাবে সক্রিয় করে তোলে।

এই ঢেউয়ের মধ্যে রাজধানী ঢাকা ও সারা দেশে আলিয়া-কওমি মাদরাসার লক্ষ লক্ষ আলেম-উলামা এবং মাদরাসা ছাত্র-শিক্ষক আন্দোলনে যুক্ত হন।

তাঁদের উপস্থিতি ছিল প্রতীকী নয়, ছিল- সংগঠন, মানবিক সেবা, নেতৃত্ব, এবং নৈতিক শক্তির বাস্তব অনুশীলন।

[১৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত তা’মীর”লল মিল্লাত মেইন ক্যাম্পাস ঢাকা ও টঙ্গী ক্যাম্পাসের ০৫ পাঁচজন মেধাবী ছাত্র শাহাদাত বরণ করেন আহত হন শতাধিক ছাত্র।]

১. জুলাই আন্দোলনে উলামায়ে কেরাম -মাদরাসা ছাত্রদের সরাসরি অংশগ্রহণ

১.১ আন্দোলনের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে সম্পৃক্ততা আরও স্পষ্ট হয়। যৌথ বাহিনী ও পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীদের হামলা, কারফিউ/ শাটডাউন-এসবের মধ্যেও ময়দান ছাড়ার বদলে দায়িত্ব ভাগ করে কাজ করা হয় এবং মানবিক সহায়তা ও নিরাপত্তা-সচেতনতার কাজ চলতে থাকে।

১.২ আহত-নিহতের বাস্তবতা মোকাবিলায় হাসপাতাল-কেন্দ্রিক ভূমিকা

ঢাকা মেডিকেল, সলিমুল্লাহ মেডিকেল, ন্যাশনাল মেডিকেলসহ বিভিন্ন স্থানে আহত ও নিহতদের স্তূপের মধ্যে নির্যাতন/অমানবিক আচরণে মানুষ যখন দিশেহারা, তখনও মাদরাসা-উলামা নেটওয়ার্ক খোঁজখবর, সেবা ও সমন্বয়ে সক্রিয় থাকে।

১.৩ ঢাকা বিভাগ: প্রতিরোধ, সমন্বয় ও মানবিক সেবার সমন্বয়

ক. যাত্রাবাড়ী-সাইনবোর্ড-পোস্তগোলা ব্রিজ করিডর এই এলাকাগুলোতে দেখা যায় মাদরাসাভিত্তিক ছাত্র-শিক্ষক নেটওয়ার্কের সমন্বিত অবস্থান। ভূমিকা ছিল তিন স্তরে:

১. প্রতিরোধের ফ্রন্টলাইন গড়ে তোলা

২. আক্রমণের মুখেও পশ্চাদপসরণ না করা

৩. আন্দোলনের গতি বজায় রাখা

মুরুব্বীদের নির্দেশনার ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন:

বিভিন্ন মাদরাসার আলেম-উলামা ও ছাত্ররা সুশৃঙ্খলভাবে মাঠ ধরে রাখার চেষ্টা চালান।

দায়িত্ব পালন ও সমন্বয় মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এর বর্তমান এমপি’র প্রত্যক্ষ নির্দেশনাসহ ড. মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানীর নেতৃত্বে মাদরাসা ছাত্রদের মাঠে সুশৃঙ্খল রাখার দায়িত্ব, বৃষ্টি/কারফিউ/জরুরি অবস্থা উপেক্ষা করে বিভিন্ন মাদরাসায় উস্তাদ-ছাত্রদের উপস্থিতি ও মাঠ-সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করার বাস্তব উদ্যোগ। একই দলের প্রতিনিধিরা হাসপাতাল/ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে গিয়ে আহতদের খোঁজ নেয়া, এবং এমপি-নেতৃত্বকে আপডেট দিয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার পথ খোঁজে।

খ.বায়তুল মুকাররম কেন্দ্রিক সমাবেশ ও মিছিল ২ আগস্ট যোহরের পর বায়তুল মুকাররম থেকে শুরু হওয়া গণমিছিল শাহবাগ হয়ে টিএসসি অঞ্চলে গিয়ে সাধারণ ছাত্রদের সাথে একীভূত হয়। এই পর্যায়ে মাদরাসা ছাত্র ও আলেমদের উপস্থিতি আন্দোলনকে ‘কেন্দ্রীয় গণভূমি’-র সাথে যুক্ত করে, এবং আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

গ. লজিস্টিক সাপোর্ট: পানি, বিস্কুট ও প্রাথমিক চিকিৎসা

* ইন্টারনেট বন্ধ/সীমিত হওয়ায় যোগাযোগে জটিলতা থাকলেও সমন্বয় ধরে রাখার জন্য লজিস্টিক সাপোর্ট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ২, ৩ ও ৪ আগস্ট রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে ৪২টি পিকআপ ভাড়া করে পানি, বিস্কুট ও প্রাথমিক চিকিৎসা সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

* এর মাধ্যমে আন্দোলনের “মানবিক নৈতিকতা” জনসমক্ষে দৃশ্যমান হয়।

১.৪ অন্যান্য বিভাগ: জাতীয় ঐক্যের বিস্তার

চট্টগ্রাম

* চট্টগ্রামে বিশিষ্ট উলামায়ে কেরাম, দারুল উলুম ও বায়তুশ শরফ, হাটহাজারী মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষকরা নগরীর ২ নং গেট ও জিইসি মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। লক্ষ্য ছিল আন্দোলনকে শুধু একটি শহরে নয়, -মেট্রোপলিটন করিডর জুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া।

রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, ময়মনসিংহ

* বিভাগীয় শহরগুলোতে বড় মাদরাসাগুলোর ছাত্ররা বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ছাত্রদের সাথে

সম্মিলিত বিক্ষোভ, মানবন্ধন, এবং আহতদের সেবা কার্যক্রমে যুক্ত হয়। ফলে আন্দোলনটি “এক জায়গার ঘটনা” হওয়ার ধারণা ভেঙে জাতীয় বাস্তবতায় পরিণত হয়।

২. উলামায়ে কেরামের নেতৃত্ব ও নৈতিক দিকনির্দেশনা রাজপথে ছাত্রদের ভূমিকা সম্ভব হয় নেতৃত্বের নীতিগত নির্দেশনার ভিত্তিতে উলামায়ে কেরামের নেতৃত্ব এখানে কার্যকর ছিল প্রধানত ৩টি দিক থেকে: সিদ্ধান্তের স্পষ্টতা, কর্মসূচির সংগঠন, নৈতিক সীমারেখা (নৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও দিকনির্দেশনা)

২.১ জরুরি সিদ্ধান্ত ও সমন্বয়ের ধারাবাহিকতা ১ আগস্ট জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ হওয়ার প্রেক্ষাপটে মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি’র সভাপতিত্বে শীর্ষ উলামা নেতৃবৃন্দের বৈঠকে ছাত্র-জনতার সাথে আরও জোরদারভাবে মাঠে থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উদ্দেশ্য ছিল। আন্দোলনকে থামাতে সব ধরনের চাপ প্রয়োগের চেষ্টাকে ব্যর্থ করা।

২.২ ৫ আগস্টের চূড়ান্ত কর্মসূচিতে অগ্রণী ভূমিকা ভোররাতেই শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে

সালাতুল ফজরের পরপরই পোস্তগোলা ব্রিজ হয়ে যাত্রাবাড়ী-সাইনবোর্ড পর্যন্ত আলেম-ওলামা ও মাদরাসা ছাত্রদের সরকারহটাও প্রতিরোধ আন্দোলন জোরদার হয়। পরিস্থিতি আরও জটিল হলে যৌথ বাহিনীর বাধা অতিক্রম করে রাজধানীর প্রবেশপথ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা চলেÍযা সাংগঠনিক সক্ষমতার পরিচায়ক।

২.৩ বয়ান, খুতবা ও মিম্বর থেকে সাহসের ভাষা মাঠের আন্দোলনের চরিত্র ও স্থিতি বজায় রাখতে উলামায়ে কেরামের

জুমার খুতবা, ওয়াজ মাহফিল, মিম্বরভিত্তিক বক্তব্যÍবিশেষ ভূমিকা রাখে। বার্তা ছিল জুলুমের বির”দ্ধে দাঁড়ানো ফরজ, মানবিকতা ও ন্যায়ের পথে ধৈর্যধারণ ঈমানি দায়িত্ব। এর ফলেই আন্দোলনকারীদের মধ্যে সাহস ও স্থিতি তৈরি হয়।

৩.ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: কেন এই ভূমিকা “আকস্মিক” নয়?

জুলাই আন্দোলন হঠাৎ করে আসেনি।

এটি অনেক বছর ধরে গড়ে ওঠা নীতিচর্চা, ঐক্যের অভ্যাস এবং সংগঠিত প্রতিরোধের অভিজ্ঞতার ফসল। নৈতিক বার্তা,

জনসমাবেশ ও ঐক্যভিত্তিক কর্মসূচির অনুশীলনই জুলাই আন্দোলনে মাদরাসা ছাত্রদের সুসংগঠিত অংশগ্রহণকে সহায়ক করে।

৪. পূর্ববর্তী জাতীয় উদ্যোগ ও সংগঠিত ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা, নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি :

বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সংগ্রাম একদিনে নির্মিত হয়নি। রাজনৈতিক ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় বারবার দেখা যায় যখন রাষ্ট্র ও সমাজের নৈতিক ভিত্তি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে, তখন ধর্মীয় জ্ঞানভিত্তিক নেতৃত্ব (উলামায়ে কেরাম) এবং শিক্ষার্থীসমাজ, বিশেষত আলিয়া-কওমি মাদরাসার ছাত্ররা শুধু নৈতিক সমর্থন নয়; বরং সরাসরি দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসে।

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পেছনে আন্দোলনী উলামায়ে কেরামের অবদান যেমন গুর”ত্বপূর্ণ ছিল, তেমনি ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় চিন্তা-চর্চায় গড়ে ওঠা মানুষের ত্যাগ ও নেতৃত্ব ইতিহাসের অংশ।

শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী (রহ.) এবং সৈয়দ আহমদ বেরেলভী (রহ.)-এর আন্দোলনী ধারার সঙ্গে সংযুক্ত থেকেও বাংলাদেশের আলেম সমাজ ন্যায়-ইনসাফ, মানবিক মর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সোচ্চার থেকেছে।

১. জাতীয় শরীয়াহ কাউন্সিল (১৯৯৭)

ইসলাম রক্ষা ও ইসলামী মূল্যবোধ অক্ষুন্ন রাখার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠা; উলামা নেতৃত্বে সভা-সমাবেশ ও বিবৃতিমুখী কার্যক্রম।

২. ইসলাম রক্ষা জাতীয় কমিটি (২০০৭)

নারীনীতি ইস্যুসহ কুরআন-সুন্নাহবিরোধী বলে বিবেচিত বিষয়গুলোর মোকাবিলায়

মিছিল, মিটিং, মানববন্ধন, গোলটেবিল ইত্যাদি কর্মসূচি।

৩. ইসলামী শিক্ষা রক্ষা জাতীয় কমিটি (২০০৯)

জাতীয় শিক্ষানীতি/শিক্ষা কমিশন ঘিরে মৌলিক ত্র”টি তুলে ধরে লিখিত অভিযোগ/প্রস্তাব সরকারের কাছে পৌঁছানোÍসাক্ষাৎ ও সমর্থন আদায়ের কাজ।

৪. সম্মিলিত উলামা মাশায়েখ পরিষদ (২০১০)

গ্রেফতার-উদ্বেগ কেন্দ্র করে অরাজনৈতিক

প্ল্যাটফর্ম;

মিছিল-মিটিং-মানববন্ধন-হরতালসহ বিভিন্ন কর্মসূচি;

বাইতুল মোকাররম-সহ রাজপথে অবস্থানের ঘটনা উল্লেখ।

৫. ইসলামী সমমনা ১২ দল (২০১২)

ইসলামী ইস্যুতে ধারাবাহিক কর্মসূচি ও মাঠে ঐক্য।

৬. সম্মিলিত ইসলামী দলসমূহ (২০১২)

পল্টন মোড়ের মহাসমাবেশ কর্মসূচি, পুলিশ প্রশাসনের বাধা, পরবর্তী প্রতিবাদী কর্মসূচি ও নিয়মতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা।

৭. হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ (২০১৩)

২০১৩ সালের ৯ মার্চ আনুষ্ঠানিক যাত্রা; পূর্ববর্তী আয়োজনের প্রেক্ষাপট উল্লেখ।

৮. শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চ প্রসঙ্গ

ইসলামবিরোধী/অ্যাজেন্ডা বিচ্যুতির অভিযোগ তুলে বিভিন্ন পদক্ষেপের আলোচনার অংশ হিসেবে বর্ণনা।

৯.জুলাই-আগস্ট ২০২৪: ধারাবাহিকতার নবতম অধ্যায়

‘কোটা সংস্কার’ আন্দোলন যখন স্বৈরাচারবিরোধী “এক দফা” আন্দোলনে রূপ নেয়, তখন রাজপথে নামে ছাত্র-জনতা। এই ঢেউয়ের মধ্যে রাজধানী ঢাকা ও সারা দেশে আলিয়া-কওমি মাদরাসার লক্ষ লক্ষ আলেম-উলামা, ছাত্র-শিক্ষক ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

৬. ঐক্যের প্রতীক ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা

* আলিয়া, কওমি, জামায়াত, চরমোনাইসহ নানা ধারার ছাত্র-আলেমরা

এক পরিচয়ে

এক লক্ষ্য -জুলুম দমন ও ন্যায়ের দাবিতে

সামনের সারিতে দেখা যায়।

* এই ঐক্য আন্দোলনকে সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার শক্ত ভিত্তি দেয়।

৭.ত্যাগ ও কুরবানি

* কারফিউ/দমননীতি আন্দোলনকে থামাতে পারেনি।

* অসংখ্য মাদরাসা ছাত্র আহত হন, কঠিন কষ্ট ভোগ করেন- তবুও পিছিয়ে যাননি।

* এতে গণঅভ্যুত্থানের মানবিক নৈতিক মূল্য আরও গভীর হয়।

৮. ভবিষ্যতের জন্য ১৩টি করণীয়

১. ইসলামী বিধান রক্ষায় আপসহীন থাকা

২. মতপার্থক্য থাকলেও ঐক্য ধরে রাখা Í আল-ইত্তিহাদ মা’আল ইখতিলাফ

৩. যুগ ও রাজনীতি সচেতন হওয়া Í কেবল স্লোগান নয়, দূরদৃষ্টি

৪. তথ্যপ্রযুক্তি ও আধুনিক মিডিয়ায় দক্ষতা অর্জন

৫. পেশাজীবী ও বুদ্ধিজীবীদের সাথে সমন্বয়

৬. চরমপন্থা ও উগ্রতা পরিহার

৭. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দায়িত্বশীল উপস্থিতি

নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার

* ৫ আগস্ট স্বৈরাচারের পতনের মাধ্যমে বাংলাদেশ “দ্বিতীয়বার স্বাধীনতা”র পথে প্রবেশ করে। এই বিজয়ের পেছনে আছে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, ছাত্রদের ত্যাগ, এবং মাদরাসা ছাত্র ও উলামায়ে কেরামের রক্ত-ঘাম-প্রচেষ্টার ইতিহাস।

* এখন বড় দায়িত্ব:

দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রব্যবস্থা নিশ্চিত করা, মানবিক ও ইনসাফপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা, ঐক্যকে রাজনৈতিক সুবিধার ঊর্ধ্বে রাখা আল্লাহ তায়ালা শহীদদের শাহাদাত কবুল করুন, আহতদের সুস্থতা দান করুন এবং জাতিকে ঐক্যের উপর অবিচল রাখুন। আমিন।