আজ ইসলামী শিক্ষা দিবস। ১৯৬৯ সালের আজকের এই দিনে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী ও সমাজতন্ত্রী সন্ত্রাসীদের হাতে শহীদ হয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের মেধাবী ছাত্রনেতা আব্দুল মালেক। সেই থেকে এই দিনটিকে "ইসলামিক শিক্ষা দিবস" হিসেবে পালন করা হয়।
বর্তমান সময়ে জ্ঞান- বিজ্ঞানের অগ্রগতির পাশাপাশি নৈতিক অবক্ষয়, মাদকাসক্তি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, নানারকম সামাজিক সংকট আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে জ্ঞান-বিজ্ঞানের সঙ্গে নৈতিক ও ইসলামী শিক্ষার সমন্বয় অত্যন্ত জরুরী। কারণ, নৈতিকতাবিবর্জিত জ্ঞান ব্যক্তি ও সমাজের কল্যাণের পরিবর্তে ধ্বংসের কারণ হতে পারে।
একটি আদর্শ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থায় নৈতিকতা ও আদর্শিক শিক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে। শিশু-কিশোর ও তরুণদের মধ্যে দেশপ্রেম,সততা এবং পরকালের চেতনা জাগিয়ে তুলতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আলেম-উলামা,অভিভাবক ও সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার ভুল- ত্রুটি নিরূপণ করে এর পুনর্গঠন এখন সময়ের দাবি। সাথে সাথে যে ধরনের লোক তৈরি করা শিক্ষার উদ্দেশ্য হবে, শিক্ষাব্যবস্থাকে তদনুযায়ী করতে হবে ঢেলে সাজাতে হবে।
তাই আসুন, সবাই মিলে ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থার একটি যুগোপযোগী রূপরেখা প্রণয়নের জন্য সম্ভাব্য সকল উদ্যোগ গ্রহণ করি। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের সকল প্রচেষ্টা কবুল করুন।