১২ কেজির এলপি গ্যাসের দাম ১৫২৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫৯৮ করা হয়েছে। যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাস লিটার প্রতি ৭৪.৪০ টাকা থেকে কমিয়ে ৭৩.৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গতকাল রোববার নতুন দর ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন দর সন্ধ্যা ৬ টার পর থেকে কার্যকর হয়।
টানা কয়েক মাস বৃদ্ধির পরে গত মাসে কিছুটা দাম কমেছিল। যা আবার বাড়তে শুরু করলো। ১৯ এপ্রিল ১২ কেজিতে ২১২ টাকা বাড়িয়ে ১৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। তার ১৭ দিন আগে ২ এপ্রিল ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১৭২৭ টাকা করেছিল বিইআরসি।
অর্থাৎ দুই দফায় ১২ কেজিতে ৫৯৯ টাকা বৃদ্ধি করা হয়। এরপর জুনে ১২ কেজির দাম ১৯৪০ টাকা কমিয়ে ১৮৮৫ টাকা এবং যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাস লিটার প্রতি ৮৯.৫০ টাকা থেকে কমিয়ে ৮৬.৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে এলপিজি খাতে নজিরবিহীন অরাজকতা ছড়ায়। মার্চের দর ১৩৪১ টাকা থাকলেও ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকায় বেচাকেনার খবর রেকর্ড করা হয়েছে।
এলপি গ্যাস সংকটকে পুঁজি করে একের পর এক সুবিধা দেওয়া হয় আমদানিকারকদের। আমদানিসীমা বাড়িয়ে দেওয়া, ট্যাক্স কমানো এবং এলসি ঋণ সুবিধার ধারাবাহিকতায় ফ্রেইটচার্জও (জাহাজ ভাড়া) টন প্রতি ১০৮ ডলার থেকে বাড়িয়ে ২৫০ ডলার করা হয়। শুধু এসব সুবিধা নয়, আমদানিকারকদের দাবির প্রেক্ষিতে ঋণে এলসি খোলার অনুমতি প্রদান করা হয়। তারপরও বাজারের উপর নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
২০২১ সালের ১২ এপ্রিলে প্রথমবারের মতো এলপি গ্যাসের দর ঘোষণা করা হয়। তখন বলা হয়েছিল এখন থেকে সৌদির দর উঠা-নামা করলে ভিত্তিমূল্য উঠা-নামা করবে। অন্যান্য কমিশন, জাহাজ ভাড়া, আমদানিকারকের কমিশন, ডিলার এবং খুচরা বিক্রেতার কমিশন কমবেশি করতে হলে নতুন করে গণশুনানি করা হবে। ওই ঘোষণার পর থেকে প্রতি মাসে এলপিজির দর ঘোষণা করে আসছে বিইআরসি।