এক বছর মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সর্বশেষ ২০২৫-২০২৬ সেশনের ডাকসু কমিটিকে সবচেয়ে বেশি "শিক্ষার্থীবান্ধব" হিসেবে দেখছেন. ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর, ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে জয়ী হয়ে ভিপি সাদিক কায়েম এবং জিএস এস.এম. ফরহাদ-এর নেতৃত্বাধীন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করে। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রাক্কালে সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে তাদের কর্মকাণ্ডকে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী-বান্ধব হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

বলা হচ্ছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে দীর্ঘদিনের নিপীড়নমূলক রাজনৈতিক ‘গণরুম’ এবং ‘গেস্টরুম’ সংস্কৃতি পুরোপুরি বন্ধে এই কমিটি কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। সেইসাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মাত্র ৩৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও, এই ডাকসু কমিটি নিজস্ব উদ্যোগে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন স্পন্সর সংগ্রহ করে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ করেছে। এমনকি শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবহন ব্যবস্থা, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় উদ্বুদ্ধকরণ, স্কিল ডেভেলপমেন্ট এবং হলগুলোর পড়াশোনার পরিবেশ উন্নয়নে এই কমিটি দৃশ্যমান পরিবর্তন এনেছে। মেয়াদ শেষে ক্ষমতা আঁকড়ে না রেখে এই কমিটি অবিলম্বে পরবর্তী ডাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছে, যা ছাত্ররাজনীতিতে এক অনন্য নজির।

ডাকসু নেতারা জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে প্রত্যাশিত আর্থিক সহায়তা না পেলেও বিভিন্ন দেশী-বিদেশী প্রতিষ্ঠান ও করপোরেট সংস্থার কাছ থেকে স্পন্সর সংগ্রহ করে তারা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ কোটি টাকার কাজ করেছেন। তাদের ভাষ্য, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়া বরাদ্দ ছিল মাত্র ৩৫ লাখ টাকা। সেই তুলনায় বিপুল পরিমাণ কাজ বাস্তবায়নকে তারা ডাকসুর অন্যতম সাফল্য হিসেবে দেখছেন।

ডাকসুর গত এক বছরের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আবাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবহন, প্রযুক্তি, ক্যারিয়ার ও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আবাসিক হলের রিডিংরুমে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, বিভিন্ন হলে কম্পিউটার ল্যাব, কেন্দ্রীয় মসজিদে এসি, ছাত্রীদের জন্য জিমনেসিয়াম, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক চাকরির সুযোগ তৈরির মতো উদ্যোগের কথা তুলে ধরছেন ডাকসু নেতারা।

ডাকসুর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সীমিত আর্থিক সহযোগিতার মধ্যেও বিভিন্ন স্পন্সর ও নিজস্ব তহবিলের মাধ্যমে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ কোটি টাকার অর্থসংস্থান করা হয়েছে। এসব অর্থে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় এক হাজার উদ্যোগ ও কাজ বাস্তবায়নের দাবি করেছে ডাকসু। অবকাঠামো ও আবাসন খাতে ডাকসুর উল্লেখযোগ্য উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে প্রায় ২ হাজার ৮৪১ কোটি টাকার বাজেটে পাঁচটি হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্যোগ। পাশাপাশি চীনের সহযোগিতায় ১ হাজার ৫০০ ছাত্রী ধারণক্ষমতার একটি নতুন হল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন আবাসিক হলে এসি স্থাপনের প্রায় ৬ কোটি টাকার কাজও চলমান রয়েছে।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠ উন্নয়নে প্রায় ৩ কোটি টাকা, কেন্দ্রীয় মসজিদ সংস্কারে ৩ কোটি টাকা এবং প্রত্নতাত্ত্বিক মুসা খাঁ মসজিদ সংস্কারে প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ের কথা জানিয়েছে ডাকসু। মেয়েদের জিমনেসিয়াম উন্নয়নে দেওয়া হয়েছে প্রায় ৬৫ লাখ টাকা। আবাসিক হলগুলোতে কম্পিউটার ও অন্যান্য ল্যাব স্থাপনে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৫০ লাখ টাকা।

পরিবহন খাতেও কয়েকটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডাকসুর দাবি, শিক্ষার্থীদের পরিবহনসেবা উন্নয়নে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার কাজ হয়েছে। নতুন কয়েকটি রুট চালুর পাশাপাশি কুমিল্লা পর্যন্ত বাসসেবা চালু করা হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে মেডিকেল সেন্টারের অবকাঠামো সংস্কারে প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। তুরস্কের কো-অপারেশন অ্যান্ড কো-অর্ডিনেশন এজেন্সির (টিকা) সহযোগিতায় প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে অ্যাম্বুলেন্স, এক্স-রে ও ইসিজি মেশিন সরবরাহ এবং সংস্কারকাজ করা হয়েছে। এ ছাড়া ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে ফার্স্ট এইড বুটক্যাম্প এবং বিভিন্ন মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে পাঁচ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যসংক্রান্ত অন্যান্য কর্মসূচিতেও কয়েক লাখ টাকা ব্যয়ের কথা জানিয়েছে ডাকসু।

হলগুলোতে ১৮ বার ছারপোকা নিধন কার্যক্রম এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। পাশাপাশি ২৭০ জনের বেশি শিক্ষার্থীকে নিরাপত্তা ও আইনি সহায়তা দেওয়ার দাবিও করেছে ডাকসু। শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন বিনা মূল্যের কোর্স পরিচালনায় প্রায় ৬৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে বলে ডাকসুর তথ্য। বিভিন্ন সেমিনার, সামিট ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে ডাকসুর সম্পাদকরা প্রায় ১ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন। জব ফেয়ারের মাধ্যমে চীনের ৩১টির বেশি প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৪৩০ শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। গবেষণা ও উচ্চশিক্ষায় সহায়তার অংশ হিসেবে সাতটি আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত জার্নালে শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে প্রবেশাধিকার দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

নারী শিক্ষার্থীদের জন্য কলাভবনে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার, মেয়েদের কমনরুমে এসি স্থাপন এবং ছাত্রী হলগুলোতে ১০ হাজারের বেশি স্যানিটারি ন্যাপকিন বিনা মূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। প্রায় এক হাজার নারী শিক্ষার্থীকে হিজাব দেওয়ার পাশাপাশি মাতৃত্বকালীন ছুটির বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চীনের সহযোগিতায় ১ হাজার ৫০০ আসনের ছাত্রী হল নির্মাণ এবং মেয়েদের জিমনেসিয়াম উন্নয়নের কাজও এসব উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ডাকসুর মেয়াদ শেষ হবে আজ ১৪ সেপ্টেম্বর। তারপর নির্বাচন না হলে ডাকসুর মেয়াদ তিন মাস বাড়বে। এ সময়ে নির্বাচন না হলে বর্তমান ছাত্র সংসদ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, যতটুকু ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে, তা ধরে রাখতে ডাকসু নির্বাচন নিয়মিত আয়োজন করতে হবে। নির্বাচন হবে কি না—জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ডাকসু নির্বাচন অবশ্যই হওয়া উচিত, হতেই হবে। ভিসি যতই আশ্বস্ত করুন না কেন, অনেকের মনে সংশয় রয়েছে। কারণ, রাজনৈতিক সরকারগুলো সাধারণত ডাকসু নির্বাচন হতে দিতে চায় না। এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের পরবর্তী আয়োজন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে উদাসীন বলে অভিযোগ করেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, পরবর্তী নির্বাচন ও এর প্রস্তুতি নিয়ে প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা নেই।

ডাকসুর এক বছরের অর্জন নিয়ে সমালোচনাকারী শিক্ষক হিসেবে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক তানজীমউদ্দিন খান বলেন, ডাকসুর এক বছরে হল নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটেনি। নির্বিঘ্নে ক্লাস ও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ছাত্রদলের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। তাদের আগের মতো হল দখলের চেষ্টা করতে দেখা যায়নি। তিনি বলেন, ভোটের রাজনীতির কারণে কিছু পরিবর্তন এসেছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে তা কত দিন টেকসই হয়, সেটা দেখার বিষয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সব সময় ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনের দখলে থাকত। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের আগের সাড়ে ১৫ বছর ছিল ছাত্রলীগের দখলে। হলের কক্ষগুলোর একটি বড় অংশে নিজেদের পছন্দমতো শিক্ষার্থীদের ওঠাত ছাত্রলীগ। পছন্দ না হলে বের করে দিত। মিছিলে যেতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করা এবং হলের অতিথিকক্ষে (গেস্টরুম) আদবকায়দা শেখানোর নামে নির্যাতন ছিল সাধারণ ঘটনা। ক্যাম্পাসে সরকার ও আওয়ামী লীগের পক্ষে মিছিল, সমাবেশ করা এবং আন্দোলন দমন করাই ছিল ছাত্রলীগের মূল কাজ। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্রলীগকে হল থেকে বিতাড়িত করেন শিক্ষার্থীরা। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর হলের নিয়ন্ত্রণ নেয় প্রশাসন।

২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে ২৮টির মধ্যে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট ২৩টি পদে জয়ী হয়। সাদিক কায়েম হন সহসভাপতি (ভিপি)। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) হন এস এম ফরহাদ। শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয়, পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনেই শিবির–সমর্থিত প্যানেল জয়ী হয়। ১২ মাসে ৩৬টি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল। ইশতেহারে উল্লেখ করা সব কটি প্রতিশ্রুতিই বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম ও জিএস এস এম ফরহাদ। তাঁরা বলেন, প্রশাসনের পর্যাপ্ত সহযোগিতা না পাওয়ায় সব কাজ সম্পন্ন হয়নি। ডাকসুর আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জসিম উদ্দিন খান দৈনিক সংগ্রামের সাথে আলাপকালে বলেন প্রশাসন যেসব কাজে বাধা দিয়েছে সেই কর্মসূচিগুলো বেশি ভালবাবে সম্পন্ন হয়েছে। এরমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এসি স্থাপন এবং ক্যারিয়ার মেলার সফলতার কথা উল্লেখ করেন।

ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থ বরাদ্দের বদলে তাঁরা শুধু অনুমতি চেয়েছেন। এ রকম পর্যায়েও সহায়তা না দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। ইশতেহারের ৩৬টি অঙ্গীকার পূরণের পাশাপাশি আরও বেশি কিছু করা হয়েছে জানিয়ে সাদিক কায়েম বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কমিটি গঠন ও হল সংসদের মাধ্যমে নিয়মিত তদারক করা হয়েছে, আবাসনসংকট নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় ২ হাজার ৮৪১ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন শুরু করা হয়েছে, নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পরিবহন নিশ্চিত করতে নতুন বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে, মাতৃত্বকালীন ছুটি কার্যকর করা হয়েছে, ভর্তিপ্রক্রিয়ায় অনলাইন পেমেন্ট চালু হয়েছে, কমনরুম সংস্কার করা হয়েছে, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে নতুন রিসোর্স যুক্ত করা হয়েছে, স্কিল ডেভেলপমেন্ট সামিট আয়োজন করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টার আধুনিকায়ন করা হয়েছে, বাসের ট্রিপ বাড়ানো হয়েছে, নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন হলে বিনা মূল্যে ‘হাইজিন প্রোডাক্ট’ সরবরাহসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে ৩৬ দফায় একাধিক নির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি ছিল। এর মধ্যে ব্রেস্টফিডিং রুম, চাইল্ড কেয়ার কর্নার, নিরাপদ পরিবহন ও আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজ করা হয়েছে। ছাত্রীদের হলে প্রবেশের সময়সীমা এক ঘণ্টা বেড়েছে। তবে অনাবাসিক ছাত্রীদের প্রবেশাধিকার, সব কমনরুমে নারী কর্মচারী নিয়োগ ও হলগুলোয় গার্ডিয়ান লাউঞ্জ তৈরির মতো কিছু প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি।

সবশেষ ডাকসু সাধারণ শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক অধিকার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে 'শিক্ষক মূল্যায়ন'-এর মতো একটি অত্যন্ত সাহসী ও যুগান্তকারী ইশতেহার বাস্তবায়ন করেছে। এব্যাপারে অবশ্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অসন্তুষ্টি রয়েছে।