২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুরুর আগে এশীয় ফুটবল নেতাদের সবচেয়ে বড় আনুষ্ঠানিক সভায় যোগ দেয়নি ইরান ফুটবল ফেডারেশনের কোনো প্রতিনিধির। কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে আয়োজিত এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) কংগ্রেসে ইরানের অনুপস্থিতি নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। বিশেষ করে গত ফেব্রুয়ারিতে ইরান ও ইসরায়েল-আমেরিকা সংঘাত শুরুর পর এটিই ছিল ফিফা ও এএফসির বড় কোনো সভা। ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর উপস্থিতিতে এই সভায় বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করা ৯টি এশীয় দলকে বিশেষ স্মারক প্রদান করা হয়। তবে ইরানের নাম ঘোষণার সময় জানানো হয়, প্রতিনিধিরা পৌঁছালে তাদের স্মারক বুঝিয়ে দেওয়া হবে। ধারণা করা হচ্ছে, কানাডার ভিসা না পাওয়ায় ইরানি কর্মকর্তারা এই সভায় যোগ দিতে পারেননি। এই একই কারণে আজ বৃহস্পতিবার হতে যাওয়া ফিফা কংগ্রেসেও তাদের অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার প্রেক্ষাপটে ইরানের ম্যাচগুলো যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরিয়ে মেক্সিকোতে নেয়ার গুঞ্জন উঠলেও ফিফা তা নাকচ করে দিয়েছে।
ফিফা সাফ জানিয়েছে, পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই ইরানের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। ইনফান্তিনো ফুটবলকে ‘সেতু বন্ধনের’ মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘বিশ্ব এখন এক কঠিন ও বিপজ্জনক সময় পার করছে। এই পরিস্থিতিতে আমাদের উচিত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মানুষকে কাছাকাছি নিয়ে আসা।’
ইরান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা বিশ্বকাপে ‘গর্বিত ও সফল অংশগ্রহণের’ জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছে। আসন্ন বিশ্বকাপে ‘জি’ গ্রুপে ইরানের সঙ্গী নিউজিল্যান্ড, বেলজিয়াম এবং মিশর। সূচি অনুযায়ী, ১৫ জুন ক্যালিফোর্নিয়ার ইঙ্গলউডে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ইরান।