বাংলাদেশ ব্যুরো অব স্ট্যাটিস্টিকস (বিবিএস) তাদের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত জুলাই মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট বেসিসে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্যস্ফীতির হার কিছুৃটা হ্রাস পেয়েছে। জুলাই মাসে গড় মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। এর মধ্যে খাদ্য পণ্যের মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ। বিবিএস আরো জানিয়েছে, বর্ণিত সময়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার আগের সময়ের তুলনায় কিছুটা কমলেও মজুরি বৃদ্ধি পেয়েছে ৮ দশমিক ২২ শতাংশ। গত প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে মূল্যস্ফীতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মজুরির হার বৃদ্ধি পাচ্ছে না। মূল্যস্ফীতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সাধারণ মানুষের গড় মজুরি যদি বৃদ্ধি পেতো তাহলে সমস্যা হতো না। কারণ বর্ধিত মজুরি দিয়ে মূল্যস্ফীতির অভিঘাত মোকাবেলা করা সম্ভব হতো। মূল্যস্ফীতি যতই বৃদ্ধি পাক না কেন তাতে কোন অসুবিধা ছিল না যদি একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মানুষের রিয়েল ইনকাম বৃদ্ধি পেতো। তাহলে বাজারে গিয়ে কাক্সিক্ষত পণ্য ও সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে ভোক্তাকে অসুবিধায় পড়তে হতো না।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো মূল্যস্ফীতির যে পরিসংখ্যান প্রকাশ করে তা বাজারের বাস্তব চিত্রের সঙ্গে মিলবে না। কারণ বাজারের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো মোট ৭৪০টি বিভিন্ন শ্রেণির পণ্য ও সেবাকে বিবেচনায় নিয়ে মূল্যস্ফীতির পরিমাপ করে থাকে। এর মধ্যে শহরে ৪২২টি পণ্য এবং গ্রামের ৩১৮টি পণ্য বিবেচনায় নেয়া হয়। ওয়েটেড এভারেজ বিবেচনায় নিয়ে মূল্যস্ফীতি পরিমাপ করা হয়। কিন্তু তারপরও গড় মূল্যস্ফীতি নির্ধারণের সময় বাজারে বিদ্যমান মূল্যস্ফীতির বাস্তব চিত্র বেশির ভাগ সময়ই প্রতিফলিত হয় না। একটি উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। কোন এক বছরে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে খাদ্য পণ্যের গড় মূল্য বিবেচনা করা হলো। মনে করি, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে যে মুরগি ২০০ টাকায় বিক্রি হতো। ২০২৬ সালের জুলাই মাসে এসে তা ৩০০ টাকায় বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়। তাহলে মুরগির মূল্য বৃদ্ধি পাবে ৫০ শতাংশ। একই সময়ে কমলা লেবুর মূল্য হয়তো ২০০ টাকা থেকে ২০ টাকা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়ে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাহলে এক্ষেত্রে কমলা লেবুর মূল্য বৃদ্ধি পাবে ১০ শতাংশ। পরিসংখ্যান ব্যুরো মুরগির মূল্য এবং কমলা লেবুর মূল্য আলাদাভাবে প্রদর্শন করবে না। যখন এ দু’টি পণ্যের গড় বাজার মূল্য প্রদর্শন করা হবে তখন সার্বিকভাবে খাদ্য পণ্যের মূল্যস্ফীতি ঘটবে ৩০ শতাংশ। কেউ যদি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রদর্শিত মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় নিয়ে বাজারে গমন করেন তাহলে তাকে অবশ্যই হতাশ হতে হবে। কারণ তিনি আগের বছরের চেয়ে ৩০ শতাংশ অর্থ বেশি নিয়ে বাজারে গেলে মুরগি কিনতে পারবেন না।
অর্থনীতিতে কনজুমার্স সারপ্লাস বলে একটি থিউরি আছে। থিউরিটি হচ্ছে এ রকম- একজন ভোক্তা বাজারে গিয়ে কোন পণ্য বা সেবা ক্রয়ের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ব্যয়ের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকেন। এ অর্থ ব্যয়ের সম্ভাব্য পরিমাণ নির্ধারিত হয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আর্থিক সামর্থ এবং বস্তুটির আবশ্যকতার উপর ভিত্তি করে। মনে করি, কোন একজন ভোক্তা ১৫০ টাকায় এক ডজন ডিম কেনার জন্য মানসিক এবং আর্থিকভাবে প্রস্তুতি নিয়ে বাজারে গেলেন। কিন্তু বাজারে গিয়ে দেখলেন, ডিমের মূল্য তার প্রত্যাশার চেয়ে কম। তিনি হয়তো ১২০ টাকা দিয়ে এক ডজন ডিম ক্রয় করতে পারলেন। বাজারে আসার আগে তিনি চিন্তাও করেননি যে তার প্রত্যাশিত মূল্যের চেয়ে ৩০ টাকা কম দিয়ে এক ডজন ডিম ক্রয় করতে পারবেন। এতে তার অর্থ সাশ্রয় হবে। ফলে তিনি যে মানসিক তৃপ্তি লাভ করবেন সেটাই ভোক্তার উদ্বৃত্ত বা কনজুমার্স সারপ্লাস। আর একজন ভোক্তাকে বাজারে গিয়ে যদি প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি মূল্য দিয়ে একটি পণ্য বা সেবা ক্রয় করতে হয় তাহলে তিনি অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের জন্য এক ধরনের মানসিক যন্ত্রনা অনুভব করবেন। এটাই হচ্ছে ভোক্তার উদ্বৃত্ত অবস্থার বিপরীত অবস্থা। একে ভোক্তার ঘাটতি বা কনজুমার্স ডেফিসিট বলা যেতে পারে। বাংলাদেশের মতো অর্থনীতিতে নিয়ন্ত্রণহীন বাজারে গিয়ে কোন পণ্য ও সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে ভোক্তার উদ্বৃত্ত অবস্থার স্বস্তি অনুভব করার সুযোগ আমাদের সাধারণত হয় না। আমরা প্রতিনিয়তই বাজারে গিয়ে ভোক্তার ঘাটতি অবস্থার মধ্যে পতিত হই। যেসব ভোক্তার আয় বৃদ্ধির হার ভালো তাদের পক্ষে বাজারে গিয়ে উচ্চ মূল্যে একটি পণ্য বা সেবা পেতে অসুবিধা হয় না। যদিও তারা ভোক্তার ঘাটতি অনুভব করেন। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল এবং বিশৃঙ্খল একটি বাজারে ভোক্তার উদ্বৃত্ত অবস্থার কথা সাধারণত চিন্তা করা যায় না। উন্নত দেশের ভোক্তারা কনজুমার্স সারপ্লাস অবস্থা অনুভব না করলেও অন্তত কনজুমার্স ডেফিসিট অবস্থায় পড়তে হয় না। কারণ তাদের বাজারে অধিকাংশ পণ্যের মূল্য সরকার থেকেই নির্ধারণ করে দেয়া থাকে। কাজেই একজন ভোক্তা আগে থেকেই বুঝতে পারেন তাকে সংশ্লিষ্ট পণ্যটি পেতে কত টাকা ব্যয় করতে হবে। এসব দেশের ব্যবসায়িরা ইচ্ছে করলেই একটি পণ্যের মূল্য বিপুলভাবে বাড়িয়ে দিতে পারেন না। এটা করা হলে তাদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়। উন্নত দেশের ব্যবসায়িরাও এক ধরনের স্বচ্ছতার নীতি অনুসরণ করে চলে। কিন্তু আমাদের মতো দেশের ভোক্তাগণও অসচেতন এবং ব্যবসায়িদের অধিকাংশ অতি মুনাফা লোভী। ফলে কনজুমার্স ডেফিসিট আমাদের ললাট লিখনে পরিণত হয়েছে।
গত প্রায় ৫ বছর ধরে মূল্যস্ফীতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আয় বাড়ছে না। ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে সার্বিক গড় মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ০২ শতাংশ। একই সময়ে মজুরি বেড়েছিল ৬দশমিক ০৬শতাংশ। ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ও মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল গড়ে ৯দশমিক ৭৩ শতাংশ ও ৭দশমিক ৭৪ শতাংশ। ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ও মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল যথাক্রমে ১০দশমিক ০৩ শতাংশ ও ৮ দশমিক ১০ শতাংশ। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ও মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল যথাক্রমে ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ ও ৮দশমিক ১০ শতাংশ। মূল্যস্ফীতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মজুরি বৃদ্ধি না পাবার কারণে জনজীবনে দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। মূল্যস্ফীতি সঙ্গে সমন্বয় রেখে যদি মজুরি বা মানুষের প্রকৃত আয় বৃদ্ধি পায় তাহলে কোন সমস্যা হয় না। কিন্তু এর ব্যত্যয় ঘটলেই বিপর্যয় সৃষ্টি হয়। গত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে অস্বাভাবিক উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। কোনভাবেই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো মূল্যস্ফীতির যে পরিসংখ্যান প্রকাশ করে তা গড় মূল্যস্ফীতির হার। এতে বাজারের বাস্তব চিত্রের সঠিক প্রতিফলন ঘটে না। গত বছরের জুলাই মাসের তুলনায় এ বছর জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতির হার ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ বেড়েছে এ নিয়ে উল্লসিত হবার কিছু নেই। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ৭৪০টি পণ্যকে বিবেচনায় নিয়ে ১৫৪টি প্রধান বাজার থেকে পণ্য মূল্য সংগ্রহ করে তার ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতির হার নির্ধারণ করে থাকে। মূল্যস্ফীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে খাদ্যপণ্যের মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধিকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। তবে এখানেও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সব খাদ্য পণ্যই একই রকম গুরুত্বপূর্ণ নয়। কিছু কিছু খাদ্য পণ্য আছে যা একজন ভোক্তা দু’তিন বছরেও একবার ক্রয় করবেন না। কিন্তু এসব পণ্যের মূল্যও কিন্তু সার্বিক খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি নির্ধারণের সময় বিবেচনায় নেয়া হয়।
ইন্টারন্যাশনাল মানিটারি ফান্ড (আইএমএফ) তাদের সর্বশেষ ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের সার্বিক গড় মূল্যস্ফীতি হতে পারে ৯ দশমিক ২ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে (২০২৬-২০২৭) মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা বেড়ে ৯ দশমিক ৪ শতাংশে দাঁড়াতে পারে বলে সংস্থাটি প্রাক্কলন করেছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিমাত্রায় সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির মাধ্যমে উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অনেকদিন পর বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি পলিসি রেট ১০ শতাংশ থেকে দশমিক ৫০ শতাংশ কমিয়েছে। কয়েক বছর আগে ২০২০ সালের জুলাই মাসে পলিসি রেট ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশে হ্রাস করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০২২ সালে মে মাসে পলিসি রেট কিছুটা বাড়িয়ে ৫শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছিল। পলিসি রেট বৃদ্ধির মাধ্যমে উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের কৌশল বহুল ব্যবহৃত একটি টেকনিক। পলিসি রেট বৃদ্ধির মাধ্যমে স্বল্পকালীন সময়ের জন্য বাজারে মুদ্রা সরবরাহ কমিয়ে এনে উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা একটি সাধারণ কৌশল কিন্তু এটা দীর্ঘ সময় বহাল রাখলে দেশের বিনিয়োগ কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রম দেখলে মনে হয় তারা যেন পলিসি রেট বৃদ্ধিকেই উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের একমাত্র উপায় হিসেবে বিবেচনা করছে। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে বিশ্বব্যাপী সাপ্লাই চেইন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
সে সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্যস্ফীতির হার বিগত ৪০ বছরের রেকর্ড অতিক্রম করে ৯ দশমিক ১ শতাংশে উন্নীত হয়েছিল। সে সময় ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব আমেরিকা প্রাইভেট সেক্টরে বিনিয়োগ হ্রাসের ঝুঁকি নিয়ে পলিসি রেট বৃদ্ধি করে উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্তত ৭৭টি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক পলিসি রেট বৃদ্ধি করে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। পাশাপাশি আরো কিছু কার্যক্রম গ্রহণ করে। ফলে এক পর্যায়ে উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। এক্ষেত্রে বিস্ময়কর সাফল্য প্রদর্শন করে অর্থনৈতিকভাবে সমস্যাগ্রস্ত দ্বীপ দেশ শ্রীলল্কা। এক পর্যায়ে দেশটির ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দেশটির মূল্যস্ফীতির ৬৯দশমিক ৮শতাংশে উন্নীত হয়। সেই অবস্থা থেকে তারা মূল্যস্ফীতির হার ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির হার ১ থেকে ৪ শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়। বর্তমানে দেশটির মূল্যস্ফীতির হার ৭ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে। দেশটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইতোমধ্যেই তাদের পলিসি রেট কমিয়ে এনেছে। ফলে প্রাইভেট সেক্টরে বিনিয়োগের গতিশীলতা সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পলিসি রেট বারবার বৃদ্ধি করলেও এর সঙ্গে যেসব আবশ্যিক শর্ত ছিল তা পালন করেনি। ফলে মূল্যস্ফীতি না কমে উচ্চ মাত্রায় রয়ে গেছে। পাশাপাশি প্রাইভেট সেক্টরে বিনিয়োগ স্থবির হয়ে পড়েছে। সর্বশেষ পরিসংখ্যান মোতাবেক, জিডিপি-প্রাইভেট সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট রেশিও দাঁড়িয়েছে ২২ দশমিক ০৩ শতাংশ। জানুয়ারি মাসে প্রাইভেট সেক্টরে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ। পলিসি রেট ব্যাপকভাবে না কমালে কোনভাবেই প্রাইভেট সেক্টরে বিনিয়োগ বাড়ানো যাবে না। উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পরিবহন সেক্টরে ব্যাপক চাঁদাবাজি, বাজারে তৎপর ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটই মূলত দায়ী। এদের দমন করা না হলে যত নীতিই গ্রহণ করা হোক না কেন মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে না। আমরা কি তা করতে পারবো?
লেখক : সাবেক ব্যাংকার ও প্রাবন্ধিক।