ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির শেয়ার হস্তান্তর বিষয়ক মামলায় আইনজীবী পরিবর্তন হয়েছে। ব্যাংকটির শেয়ার বাজেয়াপ্ত সংক্রান্ত মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ববর্তী আইনজীবী শামীম খালেদকে পরিবর্তন করে বিএনপি অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

ইসলামী ব্যাংকেও তাদের চলতি আইনজীবী মো. কাউয়ুমকে পরিবর্তন করে বিএনপির প্রয়াত নেতা হান্নান শাহর ভাতিজা শাহ বকতিয়ার ইলিয়াসকে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।

ইতিমধ্যে হাই কোর্টের একজন বিচারপতি মামলা শুনানির চূড়ান্ত পর্যায়ে বিব্রত বোধ করেছেন। ইসলামী ব্যাংক বর্তমান প্রশাসক-এর নির্দেশে মামলা প্রত্যাহার করে নিলে এসআলমের ব্যাংকে ফিরতে বাধা থাকবে না।

এছাড়া অন্যান্য মামলার আইনজীবীদের তালিকাও চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ব্যাংকটির কর্মকর্তারা বলছেন, ইসলামী ব্যাংকে বর্তমানে পরিপূর্ণ দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নেই।

একজন এএমডি ভারপ্রাপ্ত এমডির দায়িত্ব পালন করছেন। পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ না থাকায় ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রমে কিছুটা স্থবিরতা নেমে এসেছে।

আন্দোলনের মুখে তৎকালীন বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগকৃত চেয়ারম্যান খুরশীদ আলম পদত্যাগ করলে উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক মো. জহির হোসেনকে এক সদস্যবিশিষ্ট বোর্ড প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। প্রায় তিন মাসেও পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠন করা হয়নি।

ইসলামী ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন না হওয়ায় ব্যাংকের ডিপোজিট বা আমানতকারীদের মধ্যে আস্থা সংকট কাটছে না। পূর্বে যারা ব্যাংক থেকে আমানত তুলে নিয়েছিলেন, তাদের অনেকেই পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী বোর্ড গঠিত হলে পুনরায় অর্থ জমা রাখতে আগ্রহী। কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব হওয়ার কারণে গ্রাহকরা ফিরে আসতে দ্বিধাবোধ করছেন।