জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের অব্যবস্থাপনা ও প্রস্তুতিহীনভাবে তা দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার তীব্র সমালোচনা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি জাদুঘরটির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর হতাশা ও বিস্ময় প্রকাশ করেন।
পোস্টে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, “কোনো রকম স্টাফ না দিয়ে, সিকিউরিটি প্রটোকল রিহার্সাল না করে এইভাবে মিউজিয়ামটা কোন বিবেচনায় খোলা হইলো, এটা আমার কাছে বিস্ময়কর লাগছে। ইয়েস, জুলাই নিয়ে মানুষের আগ্রহ আমাদের অনুপ্রাণিত করে। কিন্তু এই যাদুঘরে শহীদদের স্মৃতিচিহ্ন আছে, অনেক ইলেকট্রনিক ইকুইপমেন্ট আছে। এভাবে যদি মিউজিয়াম একসেস দেওয়া হয়, তাহলে বহু জিনিস নষ্ট হয়ে যাবে। এবং এমন অনেক জিনিস আছে, যেটা একবার নষ্ট হলে আর পাওয়া যাবে না।”
দর্শকদের অভিজ্ঞতা ও ভোগান্তির কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, “আর যে ভিজিটর এভাবে দেখতে বাধ্য হন, উনি মিউজিয়ামের প্রপার এক্সপেরিয়েন্স কীভাবে পাবেন? ভিজিটরের জন্যেও তো এটা একটা শাস্তি।”
সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, “এই বিষয়ে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এই পাঁচ মাস কী পর্যাপ্ত ছিল না মিউজিয়ামের অপারেশনাল দিক ঠিক করার? ইটস রিয়ালি হার্টব্রেকিং। প্লিজ আপনারা জরুরি উদ্যোগ নিয়ে মিউজিয়ামটা প্রপারলি অপারেশনাল করেন। এই যাদুঘর কেপিআই ওয়ানভুক্ত ইনস্টলেশন। এরকম সেনসিটিভ ইনস্টলেশন এইরকম এতিম দশায় ওপেন করা হইলো কেন? সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর সত্যিকারের উদ্যোগী হলে এত দিনে প্রপার ভাবেই ওপেন করা যাইত।”
অবিলম্বে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, “দরকার হলে সাময়িক বন্ধ রাখেন। তারপর প্রপার স্টাফিং, সিকিউরিটি প্রটোকল রিহার্সাল করে চালু করেন।”