আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে ‘বৈষম্যমুক্ত’ ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ না হলে ১ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এমন ঘোষণা দেন সংগঠনটির নেতারা।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ১ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় নিজ নিজ দপ্তরের মূল ফটকের সামনে ৩০ মিনিট অবস্থান করবেন সরকারি কর্মচারীরা। একই সঙ্গে অফিস প্রধানের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে।
আগামী ৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় নিজ নিজ দপ্তরের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানোর জন্য স্মারকলিপি দেওয়া হবে। এছাড়া ১ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন করা হবে।
পরবর্তীতে আগামী ২ অক্টোবর সব সরকারি কর্মচারীকে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমবেত করা হবে। সেখান থেকে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন অভিমুখে পদযাত্রা করা হবে।
ঐক্য পরিষদের নেতারা বলেন, সরকার গঠিত পে-কমিশনের সুপারিশ করা ‘বৈষম্যহীন’ ৯ম পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নে গত ১০ আগস্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। ওই সময়ের মধ্যে গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হলো।
নেতারা দাবি করেন, গত ১১ বছর ধরে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেল থেকে বঞ্চিত। এ সময়ে সম্মিলিত মুদ্রাস্ফীতি ১০৮ শতাংশে পৌঁছেছে। ২০১৫ সালের বেতন দিয়ে ২০২৬ সালে কর্মচারীদের সংসারের ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাদের দাবি, কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় ও বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দ্রুত ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করতে হবে।
সংগঠনের মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলীর সভাপতিত্বে সাংবাদিক সম্মেলনে সভাপতি এম এ হান্নান, খায়ের আহমেদ মজুমদার, মো. সেলিম মিয়াসহ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সংগঠনের মো. মাহমুদুল হাসান এবং পরিচালনা করেন মো. কামরুজ্জামান উজ্জল।