রাজশাহী ব্যুরো

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ফায়ারিং অনুশীলনকালে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত সেনাসদস্য (গানার) তাসনিম রিফাতের লাশ তার গ্রামের বাড়ি রাজশাহীতে গতকাল পৌঁছায়। পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তরের পর সামাজিক ও সামরিক মর্যাদায় পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ হেলিকপ্টারে করে রিফাতের লাশ প্রথমে রাজশাহী সেনানিবাসে নিয়ে আসা হয়। সেখান থেকে সড়কপথে লাশ পৌঁছায় তার জন্মস্থান পবা উপজেলার দামকুড়া ইউনিয়নের বিন্দারামপুর গ্রামে। লাশ গ্রামে পৌঁছালে স্বজন ও গ্রামবাসীদের মধ্যে কান্নার রোল পড়ে যায়। সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এবং পরিবারের স্বজন ও হাজারো গ্রামবাসীর অংশগ্রহণে বাদ যোহর জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত নিহত তাসনিম রিফায়াতের বাবার নাম আসাদুল হক। তাদের বাড়ি রাজশাহীর পবা উপজেলার দামকুড়া ইউনিয়নের বিন্দারামপুর গ্রামে। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে রিফায়াত ছিলেন মেজো সন্তান। স্বজনরা জানান, প্রায় ১০ বছর ধরে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি ‘জুঁই’ নামের প্রায় আড়াই বছর বয়সী এক কন্যাসন্তান রেখে গেছেন।

কবিরহাটে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পিয়াসের দাফন সম্পন্ন

কবিরহাট নোয়াখালী) থেকে সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে প্রশিক্ষণকালে ট্যাংক দুর্ঘটনায় নিহত সেনা সদস্য আবুবক্কর সিদ্দিক পিয়াসের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১১ঃ৩০ মিনিটে নোয়াখালী কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের মালিপাড়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তত্ত্বাবধানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হয়। এর আগে সকাল দশটায় সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে করে জেলা সদর মাইজদীতে আনা হয়। সেখান থেকে সেনাবাহিনী গাড়ি বহরে গ্রামে আনা হলে পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। পরে সর্বস্তরের হাজারও মানুষ জানাযায় অংশ নেয়। নিহত সেনাসদস্য আবুবক্কর সিদ্দিক ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন । তিনি মৃত্যুকালে ১৮ মাস বয়সি একটি কন্যা সন্তান, স্ত্রী, মাতা-পিতা ও চার বোন রেখে যান।