অবশেষে দীর্ঘ বিরতির পর ফুটবলে ফেরার অনুমতি পেয়েছে আফগানিস্তানের নারী দল। আর এই ফেরার অনুমতিটাকে আফগান নারী ফুটবলারদের জন্য ‘প্রতিরোধের প্রতীক’ হয়ে উঠবেন বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সাবেক অধিনায়ক খালিদা পোপাল। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের পর আরকোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়নি আফগানিস্তান নারী ফুটবল দল। ২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় নারীদের খেলাধুলায়। তখন দেশটির অনেক নারী খেলোয়াড়ই বিদেশে রাজনৈতিক আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, এতদিন কোনো দেশের ফুটবল ফেডারেশনের স্বীকৃতি ছাড়া সেই দেশের জাতীয় দলকে আগে অনুমোদন দেয়া হতো না। তবে গত মঙ্গলবার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ফিফা কাউন্সিল সভায় এই নীতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ‘বিশেষ বা ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে’ যেখানে বিষয়টি খেলোয়াড়দের নিয়ন্ত্রণের বাইরে, ফিফা নিজ উদ্যোগে কোনো জাতীয় বা প্রতিনিধিদলকে নিবন্ধনের অনুমতি দিতে পারবে। এর ফলে এখন আফগানিস্তান নারী ফুটবল দল আন্তর্জাতিক ম্যাচে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাবে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে খালিদা পোপাল বলেন, ‘আমাদের দল সব সময় অধিকার আদায়ের লড়াইয়ের জন্য পরিচিত ছিল। তবে ফিফার এই সমর্থনের ফলে এখন আমরা আমাদের দক্ষতা দেখানোর এবং প্রবাসে থাকা তরুণ প্রতিভাদের বিকশিত করার সুযোগ পাব।’ ফিফা ২০২৫ সালের মে মাসে বিদেশে আশ্রয় নেওয়া আফগান নারী খেলোয়াড়দের নিয়ে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর ‘আফগান উইমেন ইউনাইটেড’ নামে একটি শরণার্থী দল গঠন করে।