গত বছরের ২৮ ডিসেম্বরের পর প্রিমিয়ার লিগে আর জয়ের স্বাদ পায়নি টটেনহ্যাম হটস্পার। দীর্ঘ চার মাস পর উলভসের বিপক্ষে জয় পেয়ে লজ্জা এড়ালেও পয়েন্ট টেবিলের সমীকরণ এখনো স্পার্সদের প্রতিকূলে।
নতুন কোচ রবার্তো ডি জার্বির অধীনে এটাই টটেনহ্যামের প্রথম জয়। এই জয়ে তারা ১৯৩৪-৩৫ মৌসুমের টানা ১৬ ম্যাচ জয়হীন থাকার লজ্জাজনক রেকর্ড স্পর্শ করা থেকে বেঁচে গেছে।
ম্যাচের ৮২ মিনিটে পেদ্রো পোরোর কর্নার থেকে রিচার্লিসনের একটি শট গোলমুখে গেলে উলভস ডিফেন্ডার ম্যাট ডোহার্টির ভুলে বল পেয়ে যান জোয়াও পালিনহা।
অনসাইডে থাকা পালিনহা স্লাইড করে বল জালে জড়ান। গোলের পর ডি জার্বির বাঁধভাঙা উদযাপনই বলে দিচ্ছিল এই জয়টি দলের জন্য কতটা জরুরি ছিল।
স্পার্সরা যখন জয়ের আনন্দ করছিল, ঠিক তখনই খবর আসে এভারটনের বিপক্ষে ওয়েস্ট হ্যাম আবার লিড নিয়েছে।
ফলে টটেনহ্যাম জয় পেলেও আপাতত ১৮ নম্বরে অর্থাৎ অবনমন অঞ্চলেই অবস্থান করছে। ওয়েস্ট হ্যামের জয়ের কারণে অবনমন এড়ানোর দৌড়ে স্পার্সরা এখনো ২ পয়েন্টে পিছিয়ে রয়েছে।
জয়ের দিনেও টটেনহ্যামের জন্য বড় দুশ্চিন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে চোট। ডমিনিক সোলাঙ্কে ও জাভি সিমন্স নতুন করে চোট পাওয়ায় স্কোয়াডে এখন অনুপস্থিত খেলোয়াড়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১-তে।
আগামী সপ্তাহে অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে এটি বড় ধাক্কা। তবে হাঁটুর গুরুতর চোট কাটিয়ে জেমস ম্যাডিসনের বেঞ্চে ফিরে আসা দলের জন্য ইতিবাচক সংকেত।
ম্যাচ শেষে ডি জার্বি বলেন, ‘২০২৬ সালে আমরা লিগ ম্যাচ জিতিনি ঠিকই, কিন্তু খেলোয়াড়রা জানে তারা কী করতে পারে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের টেবিলে তারা চতুর্থ হয়েছে, সেখানে ভালো করা সহজ নয়। আমাদের আত্মবিশ্বাসী থাকতে হবে।’