বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি কলেজ অধিভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে অধিভুক্ত কলেজের কার্যক্রম তদারকি করে। বাংলাদেশের আনাচকানাচে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে নানা সমস্যা নিয়ে।

বেশির ভাগ শিক্ষার্থীই নানা রকম প্রাতিষ্ঠানিক ও একাডেমিক সমস্যার মুখোমুখি হয়ে থাকেন। এসব সমস্যার কারণে অনেকেই ভুগছেন মানসিক চাপে। অনেকাংশে এর খেসারত পোহাতে হয় অভিভাবককে। এ বিশ্ববিদ্যালয়কে বলা হয়ে থাকে সমস্যার আঁতুড়ঘর।

সার্ভারের সমস্যা, ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশে বিলম্ব, অতিরিক্ত ফি, সেশনজট, ইচ্ছাকৃত প্রশাসনিক সমস্যা, শিক্ষকরা ঠিক সময়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ না করা, পরীক্ষা শুরু হওয়ার ১০ মিনিট কিংবা পাঁচ মিনিট আগে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ প্রয়োগ করা, সময়মতো প্রশ্নপত্র না দেওয়া, উপস্থিতি ও খাতার স্বাক্ষরে শিক্ষার্থীর সময় নষ্ট করার। এগুলো যেন এখানকার নৈমিত্তিক ব্যাপার। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে খাতা পুনরায় চেক করার মাধ্যমে চলে একধরনের ব্যবসা। অনেক সময় শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অকথ্য ও কর্কশ ভাষায় কথা বলেন। আবার তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের মাধ্যমে হেনস্তার শিকার হতে হয়। আদৌ কি এর সমাধান মিলবে? শিক্ষার্থীরা এর পূর্ণাঙ্গ সমাধান চান।

-মুহিবুল হাসান রাফি

শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ।