বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মো. রেজাউল করিম বলেছেন, ‘আমাদের সময়কে আমাদের আন্দোলনের নেয়ামত হিসেবে কাজে লাগাতে হবে। কুরআন, হাদিস ও সাহিত্য অধ্যয়ন অনেক বাড়াতে হবে। মৌলিক ইবাদতসমূহ বাড়াতে হবে। বাইয়াতের মর্যাদা অব্যাহতভাবে রক্ষার চেষ্টা করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নবীয়ানা জীবন-জিন্দেগির আলোকে জীবন পরিচালনা করতে হবে। জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচতে হবে। চলমান সকল কর্মসূচি পালনে রুকনদের সর্বোচ্চ ত্যাগের নজরানা পেশ করতে হবে। মানুষের পাশে থেকে মানুষের জন্য কাজ করতে হবে, মানুষকে সেবা দিতে হবে।’

বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের হাতিরঝিল থানা পশ্চিমের উদ্যোগে মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ষান্মাসিক সদস্য (রুকন) সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিসে শূরা সদস্য ও হাতিরঝিল থানা পশ্চিমের আমির (ভারপ্রাপ্ত) মো. নূরুল ইসলাম আকন্দের সভাপতিত্বে এবং থানা সেক্রেটারি মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদের পরিচালনায় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও অঞ্চল পরিচালক মো. হেমায়েত হোসেন এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগরী প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক মু. আতাউর রহমান সরকার।

সম্মেলনের শুরুতে দারসুল কুরআন পেশ করেন গাজীপুর মহানগরী মজলিসে শূরা সদস্য ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় শাখা জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি প্রফেসর ড. মো. সাইদুল হক।

অনুষ্ঠানে মহানগরী মজলিসে শূরা সদস্য ও থানা সেক্রেটারি মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ ষান্মাসিক রিপোর্ট-২০২৬ উপস্থাপন করেন। পরে পেশকৃত রিপোর্টের ওপর উপস্থিত সদস্য (রুকন)রা পর্যালোচনায় অংশ নেন এবং আগামী দিনে সামগ্রিক কাজের উন্নতি সাধনে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এ সময় থানা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা গোলাম মাওলা, আকতার হোসাইন, শামীম হোসাইন, আব্দুস সাত্তার, আব্দুল কুদ্দুস, হাবিবুর রহমান মজুমদার, থানা মজলিসে শূরা সদস্য ইকবাল হোসেইন ও অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।