ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কারিকুলামে পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর আওতায় জেনারেল শিক্ষার্থীদের জন্য ইসলামিক স্টাডিজ এবং থিওলজির শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক সোশ্যাল সায়েন্স ও বিজনেসের কোর্স অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব ভাবনার কথা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করে ভিসি বলেন, "ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মূলত ইসলামিক শিক্ষা ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বিত ধারা নিয়ে গঠিত। অন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে এটি কিছুটা আলাদা ও বৈচিত্র্যপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই আসল লক্ষ্য-উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আগামী একাডেমিক কাউন্সিল ও ডিনস মিটিংয়ে কারিকুলাম পুনর্বিন্যাসসহ অন্যান্য এজেন্ডায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে অ্যাড্রেস করা হবে।"

জব মার্কেটে শিক্ষার্থীদের সার্বিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে এই উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, "যিনি কম্পিউটার সায়েন্সে পড়ছেন, ইসলামিক স্টাডিজ সম্পর্কেও তাঁর একটি কোর্স থাকবে। আবার যিনি আল-কুরআন বা আল-হাদিস পড়ছেন, তাঁকেও সোশ্যাল সাইন্স এবং বিজনেসের বিষয়গুলো পড়ানো হবে। জব মার্কেটে যেন কখনোই শুনতে না হয় যে 'তুমি তো এই বিষয়গুলো পড়নি'। দক্ষতা ও ধর্মীয় জ্ঞানের এই বৈচিত্র্য আনতেই আমরা কাজ করছি।"

এসময় সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য নিশ্চিত করেন, এই সমন্বিত বৈশিষ্ট্যগুলো মূল ক্রেডিট কোর্সের ভেতরেই অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

উক্ত মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ইদ্রিস আলী এবং ক্যাম্পাসে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।