চট্টগ্রাম থেকে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শেষে কুমিল্লায় ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়া কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী বৈরাগী (৩৫) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। র্যাব বলেছে, সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্রের কবলে পড়ে হত্যার শিকার হয়েছেন কাস্টমস কর্মকর্তা।
এ ঘটনায় রোববার কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন-ইমরান হোসেন হৃদয় (৩৭), মোহাম্মদ সোহাগ (৩০), ইসমাইল হোসেন জনি (২৫), মোহাম্মদ সুজন (৩২) ও রাহাতুল রহমান জুয়েল (২৭)। তাঁদের কাছ থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা, চাপাতি ও সুইচ গিয়ার (একধরনের ছুরি) উদ্ধার করা হয়। গতকাল সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সাংবাদিক সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী।
সাংবাদিক সম্মেলনে র্যাব জানায়, গ্রেফতার ব্যক্তিরা সংঘবদ্ধ চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা চালক ও যাত্রীর ছদ্মবেশে কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়ান। দূরদূরান্ত থেকে আসা যাত্রীদের ‘টার্গেট’ করে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে সবকিছু ছিনিয়ে নেন। গ্রেফতার ব্যক্তিরা রাতে অটোরিকশা নিয়ে কুমিল্লার জাগুরঝুলি বিশ্বরোড এলাকায় অপেক্ষা করছিলেন। বুলেট বৈরাগী চট্টগ্রাম থেকে প্রশিক্ষণ শেষে কুমিল্লার বাসায় ফিরছিলেন।
গত শুক্রবার রাত তিনটার দিকে তিনি বিশ্বরোড এলাকায় আসেন। তখন জুয়েল তার গন্তব্য জানতে চান। বুলেট বৈরাগী জাঙ্গালিয়া যাবেন জানালে সোহাগ ও হৃদয় তাকে অটোরিকশায় তুলে নেন। পথে ধারালো অস্ত্র দিয়ে সোহাগ, জনি ও হৃদয় বুলেট বৈরাগীকে আঘাত করেন।