সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তে থানা, ডিবি এবং র্যাব মিলিয়ে ১২ বছর আট মাস ২১ দিন ধরে তদন্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
রোববার (২৬ এপ্রিল) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। এর আগে মামলাটির তদন্তে টাস্কফোর্সকে আরও ছয় মাস সময় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি এএফএম সাইফুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার এ আদেশ দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং বাদীপক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির শুনানি করেন। রিটকারীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, মামলাটি প্রথমে থানা চার দিন, এরপর ডিবি দুই মাস দুই দিন তদন্ত করে। পরে র্যাব দীর্ঘ সময় তদন্ত করে, যেখানে বিভিন্ন সময়ে অগ্রগতি প্রতিবেদনও দেওয়া হয়েছে।
তদন্তকালে আটজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়, এদের মধ্যে সাতজন কারাগারে এবং একজন জামিনে গিয়ে পলাতক।
তিনি আরও জানান, তদন্ত এখনও পূর্ণাঙ্গ হয়নি এবং আগের তদন্ত সংস্থাগুলোর তথ্য হস্তান্তরে ঘাটতি থাকায় নতুন টাস্কফোর্স কাজ করতে সমস্যায় পড়ছে। এ কারণেই আরও সময় চাওয়া হয়েছে এবং আদালত ছয় মাস সময় দিয়েছেন।
আইনজীবী শিশির মনির বলেন, দীর্ঘ সময় পার হলেও এখনও হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়নি এবং গুরুত্বপূর্ণ অনেক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন ওই সাংবাদিক দম্পতি। পরদিন তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। এরপর থেকে মামলাটি বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত হলেও এখনও চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল হয়নি।