হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতা : মানিকগঞ্জে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, একটি মানুষের একটি ঘরও যেন নদী ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে না যায় সেজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই উদ্যোগ নিয়েছেন। ইনশাল্লাহ এই বর্ষার পরবর্তীতে যে প্রকল্পগুলো হাতে নিয়েছি সেগুলো বাস্তবায়ন করব ইনশাল্লাহ। এই বর্ষার পরে পাঁচটি প্রকল্প প্রায় ১৫শ কোটি টাকা প্রকল্প হাতে নিয়েছি। তার মধ্য দিয়ে আমরা স্থায়ীভাবে এই মানিকগঞ্জ কে বিশেষ করে নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করব। তার মধ্য দিয়ে এই মানিকগঞ্জের মানুষকে আর দিনরাত উদ্বিগ্ন উৎকন্থায় থাকতে হবে না এটাই হচ্ছে তারেক রহমানের রাজনীতি বিএনপির রাজনীতি।

রবিবার (১৭ মে) দুপুরে মানিকগঞ্জের শিবালয়ের পদ্মা নদীর তীরবর্তি বরোরিয়ায় সোলার প্যানেল সংলগ্ন এলাকায় নদী ভাঙন কবলিত স্থান পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন,এই অঞ্চলের মানুষ নদী ভাঙ্গন থেকে যাতে রক্ষা পায় তার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর ইতিমধ্যে দৃষ্টিগোচর হয়েছে। মানিকগঞ্জে নদীর কূল ঘেঁষে যেভাঙ্গন শুরু হয়েছে।তা দেখার জন্য প্রধানমন্ত্রী আমাকে সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন। তার নির্দেশেই আমি সরাসরি এসেছি।

তিনি আরো বলেন, মানিকগঞ্জে যে চৌদ্দটি নদী সেই নদীর তীর ঘেঁষে আমাদের এইখানে যে জনবসতি বসবাস করে কিভাবে সেই সকল জনবসতির ঘর, বড় বড় প্রতিষ্ঠান স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদরাসা, মন্দির এবং আমাদের কৃষকদের জীবন জীবিকা, ঘর জমিন ভাঙ্গনের কবলে বিলীন হয়ে যায় সরজমিনে দেখার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে আমি এখানে চলে এসেছি। ইতি মধ্যেই আমাদের অত্র এলাকার সংসদ সদস্য এস এ জিন্না কবির, মইনুল ইসলাম খান শান্তসহ এখানকার নেতৃবৃন্দ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ডি ডি সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে সরাসরি এই ঘাট থেকে শুরু করে হরিরামপুরের শেষ মাথা পর্যন্ত দেখে আসলাম।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন,মানিকগঞ্জ জেলায় প্রায় ৩৭ টি খাল খনন কোন খনন করব। যা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী ইশতিহারে ঘোষণা করেছিলেন। আমরা সারা বাংলাদেশে বিশ হাজার নদী খাল জলাসয় খনন করব। আমরা বর্ষা পরবর্তী সময়ের সেই খাল গুলো খনন করব।আমরা যে প্রজেক্ট হাতে নিয়েছি টোটাল মানিকগঞ্জকে ঘিরে এবং এর পাশে চরাঞ্চলে আরো কিছু বৈদেশিক সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে বিশেষ করে টাঙ্গাইল সিরাজগঞ্জ তাদেরকে নিয়েই আরো একটি অনেক বড় প্রকল্প ২৬০০ কোটি টাকার প্রকল্প আমরা হাতে নিয়েছি সেই প্রকল্প ইতিমধ্যে মন্ত্রণালয় পৌঁছে গেছে আমরা অল্প সময়ের ভিতর অনুমোদন দিয়ে বাস্তবায়নের ঘোষণা করবো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেমন খাল নদী খননের ক্ষেত্রে পানি মন্ত্রণালয় কৃষি মন্ত্রণালয় এলজিডি মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে সুন্দর একটি টিম ওয়ার্ক তৈরি করে দিয়েছেন। আন্ত মন্ত্রণালয়ের সভা করে আমার বিশ্বাস আরিচার ফেরি ঘাটের বিষয়টি আমরা অতি দ্রুত সমাধা করতে পারবো।

মানিকগঞ্জ-১ আসনের নদী ভাঙন কবলিত এলাকায় দ্রুত টেকসই স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের কথা জানিয়েছেন মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এসএ জিন্নাহ কবীর।