দাউদকান্দি (কুমিল্লা) সংবাদদাতা: কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গরুর বাজার ইজারার শিডিউল (দরপত্র) জমাদানকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অনিয়ম ও পেশিশক্তি ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। শিডিউল বক্সে দরপত্র জমা দিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছেন গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা ফয়সাল সরকার। এ ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে। প্রকাশ্যে এমন ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।জানা গেছে, আসন্ন গরুর বাজার ইজারায় অংশ নিতে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা ফয়সাল সরকার নিয়ম মেনে একাধিক শিডিউল ক্রয় করেন। নির্ধারিত সময়ে উপজেলা পরিষদে শিডিউল জমা দিতে গেলে তাকে বাধার সম্মুখীন হতে হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা পর্যায়ের বিএনপির কয়েকজন নেতা তাকে শিডিউল বক্সে দরপত্র ফেলতে বাধা দেন এবং একপর্যায়ে খালি হাতে ফিরে যেতে বাধ্য করেন।এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ফয়সাল সরকার বলেন,“আমরা শরীক দল হয়েও শিডিউল কিনে বক্সে ফেলতে পারিনি। আমাদেরই যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ বা অন্য দলের প্রার্থীদের অবস্থা কী হতে পারে, তা সহজেই অনুমেয়।”তার এই বক্তব্যের পর পুরো দাউদকান্দি জুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রকাশ্যে এমন ঘটনা ঘটার পরও প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগীসহ স্থানীয়রা। তাদের দাবি, পুলিশের উপস্থিতিতেই যদি একজন দরপত্রদাতা শিডিউল জমা দিতে না পারেন, তাহলে ইজারা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়।এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাছরীন আক্তারের সাথে অনেকবার যোগাযোগ এর চেষ্টা করেও ওনি কল রিসিভ করেন নি। যদিও ওনার ব্যাপারে অভিযোগ রয়েছে ওনি জনগণের কল রিসিভ করেন না,পরে আবার কল ব্যাকও করেন না।স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি অবাধ, নিরপেক্ষ ও নিরাপদ পরিবেশে পুনরায় শিডিউল জমা দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করারও দাবি জানিয়েছেন তারা। অন্যথায় পুরো ইজারা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গ্রাম-গঞ্জ-শহর
গরুর বাজার ইজারা শিডিউল জমায় বাধা
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গরুর বাজার ইজারার শিডিউল (দরপত্র) জমাদানকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অনিয়ম ও পেশিশক্তি ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।