মহাসড়কে যাত্রী ও চালকের নিরাপত্তায় ওয়েবসাইট এবং অ্যাপস চালু করেছে হাইওয়ে পুলিশ। ওয়েবসাইট (https://www.highwaypolice.gov.bd/) ও ‘hellohp’ আ্যাপসের মাধ্যমে সহজেই যাত্রী এবং চালকরা হাইওয়ে পুলিশকে তথ্য আদান প্রদানসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তা নিতে পারবেন।

হাইয়ে পুলিশ জানায়, ওয়েবসাইটের মাধ্যমে হাইওয়ে পুলিশের ব্যাপারে যাবতীয় তথ্য জনসাধারণ জানতে পারবেন। আর স্মার্ট ফোন ব্যবহারকারীরা অ্যাপস এর মাধ্যমে মহাসড়কে থাকা অবস্থায় কোনো সমস্যায় পড়লে তাৎক্ষণিক পুলিশের সাথে যোগাযোগ করে সহায়তা এবং পরামর্শ নিতে পারবেন। হাইওয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, মহাসড়কের কোথাও যদি গাড়ি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে কাথায় ওয়ার্কশপ আছে অ্যাপসের মাধ্যমে জানা যাবে। পেট্রল পাম্প ও হাইওয়ে থানা কতদূরে এবং কিভাবে যোগাযোগ করা যাবে সেবিষয়ে তথ্য রয়েছে। গুগল প্লে থেকে ডাউন লোড করে যে কেউ সহজেই অ্যাপস ব্যাবহার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নিতে পারবেন। মহাসড়কে গাড়ির ভেতরে থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নিতে চাইলে তিনি তা পারবেন। আ্যাপসের মাধ্যমে কল করার পর পুলিশ ওই ব্যক্তির লোকশেন অটো ট্র্যাক করতে পারবে। এমনকি কন্ট্রোল রুমে দ্রুত তথ্য দিতে চাইলে ইমার্জেন্সি বাটনে চাপ দিলে নিকটবর্তী মোবাইল পার্টির কাছে কল চলে যাবে।

হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়কে নিরাপদ ও নির্বিঘেœ চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে ২০০৫ সালের ১১ জুন রাজারবাগের টেলিকম ভবনে সদর দপ্তরে একজন উপপুলিশ মহাপরিদর্শক এর নেতৃত্বে মাত্র ৫৫৭ জন জনবল ও ৪৮টি থানা/ফাঁড়ি নিয়ে হাইওয়ে পুলিশ যাত্রা শুরু করে। সূচনালগ্নে হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা ও বগুড়া অঞ্চল নিয়ে গঠিত হয়। বর্তমানে হাইওয়ে পুলিশ একজন অ্যাডিশনাল আইজিপির নেতৃত্বে ৪টি অপারেশন বিভাগে ৮টি রিজিয়নে ১২ টি সার্কেল এবং ৭৩ টি থানায় ২৮৬১ জন জনবল নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া হাইওয়ে পুলিশ সদা জাগ্রত অবিরাম। সর্বমোট ৮,০৫৮কিলোমিটার বিস্তৃত অঞ্চলে যার মধ্যে আঞ্চলিক মহাসড়ক ৪,২৪৬ কিলোমিটার এবং জাতীয় মহাসড়ক ৩,৮১২ কিলোমিটার মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।