*জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে খাদ্য নিরাপত্তা ও দক্ষিণাঞ্চলের শস্যভা-ার
*৬৮ শতাংশ আবাদি জমিতে লবণাক্ততার থাবা
*১৯ জেলার প্রায় ৪ কোটি ৩৮ লাখ মানুষ কোনো না কোনোভাবে ক্ষতির শিকার
*প্রায় ১ লাখ হেক্টর জমি লবণাক্ততার কবলে
মুহাম্মদ নূরে আলম: লবণাক্ত পানি ও মাটির আগ্রাসনে দুই দশকে আমূল বদলে গেছে উপকূলীয় এলাকার কৃষিব্যবস্থা ও জীবনযাত্রা। বাংলাদেশের উপকূলের মাটিতে এখন শুধু ফসলের বীজ নয়, লবণের সঙ্গেও কৃষকের লড়াই। বাংলাদেশের উপকূলীয় ১৯ জেলার মোট জনসংখ্যা প্রায় ৪ কোটি ৩৮ লাখ মানুষ কোনো না কোনো ভাবে এই লবণাক্ততার কারণে ক্ষতির শিকার হচ্ছে। ১৮টি উপকূলীয় জেলার প্রায় ৬৮ শতাংশ আবাদযোগ্য জমি এখন কোনো না কোনো মাত্রায় লবণাক্ততার প্রভাবে রয়েছে। খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে। একসময় যে জমিতে ধান, ডাল, সরিষা ও নানা ধরনের সবজি উৎপাদন হতো, তার বড় একটি অংশ এখন লবণাক্ততার কারণে কম ফলন দিচ্ছে, আবার কোথাও শুষ্ক মৌসুমে জমি পড়ে থাকছে। ২০০৯ সালের লবণাক্ত মাটির বিভিন্ন মাত্রা ১৯ জেলার ৪৯টি উপজেলায় নথিভুক্ত হয়েছিল। প্রায় ১ লাখ হেক্টর জমি লবণাক্ততার কবলে পড়েছে; যার আয়তন প্রায় এক হাজার বর্গকিলোমিটার, প্রায় মুন্সীগঞ্জ জেলার সমান। সরকারিভাবে উপকূলীয় অঞ্চল সাধারণভাবে ১৯টি জেলা ও ১৪৭টি উপজেলা নিয়ে গঠিত। মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট-এসআরডিআই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে গবেষণাগুলো স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছে যে কৃষক, জেলে, কৃষিশ্রমিক ও গ্রামীণ পরিবার বিশেষ করে দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের মানুষ-এর সরাসরি প্রভাবের মধ্যে রয়েছে। সাম্প্রতিক এসআরডিআই মানচিত্রে নতুন করে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি ও মুকসুদপুর এবং যশোর সদর উপজেলাকে লবণাক্ততার মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ লবণাক্ততা শুধু উপকূলের একেবারে শেষ প্রান্তে সীমাবদ্ধ থাকছে না; কিছু এলাকায় তা ভেতরের দিকেও এগোচ্ছে।
সাম্প্রতিক সরকারি গবেষণা বলছে, বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১৮টি উপকূলীয় জেলার ১৭.০৩ লাখ হেক্টর আবাদযোগ্য জমির মধ্যে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ১১.৫৬ লাখ হেক্টর বিভিন্ন মাত্রায় লবণাক্ততায় আক্রান্ত বা অবক্ষয়গ্রস্ত হয়েছে। ২০০৯ সালে এই পরিমাণ ছিল ১০.৫৬ লাখ হেক্টর। অর্থাৎ ১৫ বছরে আরও প্রায় ১ লাখ হেক্টর জমি লবণাক্ততার কবলে পড়েছে; যার আয়তন প্রায় এক হাজার বর্গকিলোমিটার, প্রায় মুন্সীগঞ্জ জেলার সমান। আরও দীর্ঘ সময়ের হিসাবে ১৯৭৩ সালে লবণাক্ত জমির পরিমাণ ছিল প্রায় ৮.৩৩ লাখ হেক্টর। ২০০৯ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১০.৫৬ লাখ হেক্টরে। অর্থাৎ কয়েক দশকে লবণাক্ততার বিস্তার ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে।
সাম্প্রতিক মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট-এসআরডিআই প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, ১৮টি উপকূলীয় জেলার প্রায় ৬৮ শতাংশ আবাদযোগ্য জমি এখন কোনো না কোনো মাত্রায় লবণাক্ততার প্রভাবে রয়েছে। খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে। তবে একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি; লবণাক্ত জমি মানেই পুরোপুরি অনাবাদি জমি নয়। লবণাক্ততার মাত্রা ভেদে কোথাও ফলন কমে, কোথাও বছরে একটি ফসল হয়, আবার কোথাও শুষ্ক মৌসুমে চাষ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল দেশের মোট ভূখ-ের প্রায় ৩২% এবং এখানে মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৮% বসবাস করে। একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় উপকূলীয় বাংলাদেশে বছরে প্রায় ৫ লাখ হেক্টর জমি লবণাক্ততার কারণে শুষ্ক মৌসুমে অনাবাদি থাকার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
লবণাক্ততার অর্থনৈতিক ক্ষতির একটি সাম্প্রতিক গবেষণাভিত্তিক হিসাবও সামনে এসেছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের ২০২৫ সালের একটি ৎবসড়ঃব-ংবহংরহম বা দূরসংবেদন হলো; মাটিতে সরাসরি না গিয়ে স্যাটেলাইট, বিমান বা ড্রোনের মাধ্যমে দূর থেকে পৃথিবীর মাটি, পানি, কৃষিজমি, বন, লবণাক্ততা ইত্যাদির তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা। প্রতিবেদনে বলা হয়, গবেষণা অনুযায়ী একটি আনুমানিক অর্থনৈতিক হিসাব হলো; বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততার কারণে বার্ষিক আর্থিক ক্ষতি ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকার বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। গবেষণাটি কৃষি, পরিবেশ, পানি ও জনস্বাস্থ্যের ওপর লবণাক্ততার প্রভাব বিবেচনা করেছে।
বিশ্বব্যাংক-ভিত্তিক গবেষণায় দেখা গেছে, মাটির লবণাক্ততা বাড়লে উচ্চফলনশীল ধানের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে। ৪ ডিএস/এম-এর বেশি লবণাক্ততার এলাকায় এইচওয়াইভি ধানের ফলন ১৫.৬ শতাংশ কম হওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল।
কেন বাড়ছে লবণাক্ততা : বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর পেছনে একটি মাত্র কারণ নির্দিষ্ট নেই। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস, শুষ্ক মৌসুমে নদীতে মিঠা পানির প্রবাহ কমে যাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, নদী-খালের নাব্যতা কমে যাওয়া এবং পোল্ডার ও জলনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সমস্যার সঙ্গে লবণাক্ততার সম্পর্ক রয়েছে। মানুষের কর্মকা-ও সমস্যাকে বাড়িয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে ধানক্ষেতকে লবণ পানিনির্ভর চিংড়ি ঘেরে রূপান্তর করা হয়েছে। পোল্ডারের ভেতরে লবণ পানি ঢোকানোর ফলে অনেক এলাকায় মাটি ও পানির লবণাক্ততা বেড়েছে। কৃষিজমিতে উৎপাদন কমে গেলে শুধু কৃষকের আয় কমে না। কৃষিশ্রমিকের কাজও কমে যায়। জমিতে ধান না হলে ধান কাটা, মাড়াই, পরিবহন, বাজারজাতকরণ সব ক্ষেত্রেই কাজ কমে। অর্থাৎ গ্রামের জমিতে কাজ না থাকলে মানুষ বিকল্প আয়ের সন্ধানে উপজেলা ও জেলা শহর, খুলনা, বরিশাল কিংবা ঢাকামুখী হতে পারে।
জাতীয় বাজেটে ক্ষতি কতটা : পরিবেশকর্মী ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের জন্য জলবায়ু-সংশ্লিষ্ট বরাদ্দ ছিল প্রায় ৪১,২০৮.৯৭ কোটি টাকা। অন্যদিকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জলবায়ু বাজেট প্রায় ৫১,৭৪৬ কোটি টাকা, যার ৭৫ শতাংশের বেশি অভিযোজনমূলক কাজে রাখার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ লবণাক্ততার বার্ষিক গবেষণাভিত্তিক ক্ষতির অঙ্ক কয়েক হাজার কোটি টাকা হলেও তা জাতীয় বাজেটের একটি পৃথক ক্ষতি হিসেবে হিসাব করা হয় না। এই জায়গায় সরকারের জন্য জেলা ও খাতভিত্তিক লবণাক্ততা-ক্ষতি হিসাব তৈরির প্রয়োজন রয়েছে।
জলবায়ু তহবিল কত পেয়েছে উপকূল : উপকূলীয় লবণাক্ততার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হলো গ্রীণ ক্রাইমেট ফান্ড-এর অর্থায়নে ইউএনডিপি-এর জিসিএ প্রজেক্ট। প্রকল্পটির মোট মূল্য প্রায় ৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং এটি লবণাক্ততায় আক্রান্ত উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর পানি ও জীবিকা সহনশীলতা বাড়ানোর জন্য নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি খুলনা ও সাতক্ষীরার পাঁচটি উপজেলায় কাজ করেছে এবং প্রায় ৬৭ হাজার পরিবারকে লক্ষ্য করেছে। এটি অবশ্য বাংলাদেশের সব উপকূলীয় লবণাক্ততা মোকাবিলায় পাওয়া মোট জলবায়ু অর্থ নয়। বরং নির্দিষ্ট একটি প্রকল্পের অর্থায়ন।
লবণসহিষ্ণু ফসল এখন সময়ের দাবি: এই পরিস্থিতিতে শুধু বাঁধ, স্লুইসগেট ও পানি ব্যবস্থাপনা দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। প্রয়োজন লবণসহিষ্ণু ও স্বল্পমেয়াদি ফসলের বিস্তার। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে লবণসহিষ্ণু ধানের জাতসহ বিভিন্ন অভিযোজন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে। বিআরআরআই ও বিএআরআই লবণসহিষ্ণু ও বিকল্প ফসল সম্প্রসারণে কাজ করছে। সাম্প্রতিক মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট-এসআরডিআই গবেষণায় লবণসহিষ্ণু জাতের পাশাপাশি আউশ-আমনের জন্য জলমগ্নতা সহনশীল জাত, ফসল বৈচিত্র্য এবং পরিকল্পিত কৃষি-মৎস্য সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। উপকূলের জন্য শুধু নতুন জাত আবিষ্কার করলেই হবে না। সেই জাত কৃষকের কাছে সাশ্রয়ী দামে পৌঁছাতে হবে, বীজ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে এবং বাজার তৈরি করতে হবে বলেও বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।
মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট-এসআরডিআই-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আমীর মো. জাহিদ বলেছেন, উপকূলে লবণাক্ততার এলাকা ও তীব্রতা দুটিই বাড়ছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তার ওপর বড় চাপ তৈরি হবে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের প্রায় ১.০৫ মিলিয়ন (১০ লাখ ৫০ হাজার) হেক্টর কৃষিজমি লবণাক্ততার শিকার। মাটির অতিরিক্ত লবণাক্ততা ও সেচের মিষ্টি পানির তীব্র সংকটের কারণে প্রতি বছর আমন ধান কাটার পর (ডিসেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত) বিশাল এলাকার জমি অনাবাদি ও পতিত পড়ে থাকে। কৃষি অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক এম এ সাত্তার ম-লের মতে, শুধু গবেষণায় বিনিয়োগ করলেই হবে না; গবেষণার ফল মাঠে নিয়ে গিয়ে কৃষকের ব্যবহারের উপযোগী করতে হবে। বিআরআরআই-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদুর রহমানও কৃষি রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। বিএআরআই-এর বিজ্ঞানী শিমুল ম-ল লবণাক্ততার কারণে ডাল ও সরিষার অঙ্কুরোদগমের সমস্যা এবং চাষ কমে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেছেন। অন্যদিকে ২০২৬ সালের একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা ৩০ বছরের ২৩১টি গবেষণা পর্যালোচনা করে দেখিয়েছে, বাংলাদেশের উপকূলীয় লবণাক্ততা শুধু কৃষি নয়; জীবিকা, স্বাস্থ্য, পানি ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-বাপা’র সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির বলেন, লবণাক্ততার সমস্যা ধীরে আসে, কিন্তু এর ক্ষতি দীর্ঘস্থায়ী। আজ যে জমিতে ফলন অর্ধেক হয়েছে, কাল সেটি হয়তো এক ফসলের জমিতে পরিণত হবে; পরশু হয়তো শুষ্ক মৌসুমে পুরোপুরি পতিত থাকবে। বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা রক্ষার প্রশ্নে তাই উপকূলকে শুধু দুর্যোগপ্রবণ এলাকা হিসেবে দেখলে চলবে না। এটি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৃষি ও জীবিকা অঞ্চল। প্রয়োজন; লবণসহিষ্ণু নতুন ফসল, কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনা, পোল্ডার ও স্লুইসগেট সংস্কার, নদী-খাল পুনঃখনন, চিংড়ি চাষের সুশৃঙ্খল ভূমি ব্যবহার, কৃষকের জন্য অভিযোজন সহায়তা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে লবণাক্ততার কারণে জমি, ফসল, আয় ও কর্মসংস্থানের প্রকৃত ক্ষতির একটি নিয়মিত জাতীয় হিসাব।
পরিবেশ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, উপকূলের জমিতে লবণ বাড়ার অর্থ শুধু একটি জমির উৎপাদন কমে যাওয়া নয়। এর অর্থ—একটি পরিবারের আয় কমা, একজন কৃষিশ্রমিকের কাজ হারানো, একটি গ্রামের বাজার ছোট হয়ে যাওয়া এবং শেষ পর্যন্ত খাদ্যনিরাপত্তার ওপর জাতীয় চাপ তৈরি হওয়া। তিনি বলেন, লবণাক্ততার বিরুদ্ধে লড়াই তাই শুধু পরিবেশ রক্ষার লড়াই নয়; এটি বাংলাদেশের কৃষি, খাদ্যনিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও ভবিষ্যৎ অর্থনীতিকে রক্ষার লড়াই। লবণাক্ততার বিস্তার থামানো না গেলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের খাদ্যভা-ারের অস্তিত্ব হুমকির মুখেই থাকবে। দীর্ঘমেয়াদী সমাধান, প্রযুক্তিভিত্তিক কৃষি এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অভিযোজন ক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগই কেবল উপকূলের এই মাটিকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।