স্টাফ রিপোর্টার

আজ হোক কিংবা কাল হোক, গণভোটের রায় সরকারকে বাস্তবায়ন করতেই হবে; এর কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি।

তিনি বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু বিএনপি শুধুমাত্র সংসদ নির্বাচন মেনে নিয়ে ক্ষমতায় বসেছে। গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করবে না বলেই তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর পল্টন মোড়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচি উপলক্ষে আয়োজিত লিফলেট বিতরণপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি বলেন, সরকার সংবিধান সংশোধনের নামে একটি কমিটি গঠন করেছে, যার নাম তারা নিজেরাই দিয়েছে ‘সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটি’। অথচ সংবিধান সংশোধনের জন্য আলাদা কোনো কমিটি করার প্রয়োজন নেই। সংবিধান সংশোধন কিংবা আইন প্রণয়ন জাতীয় সংসদের নিয়মিত কাজ।

তিনি বলেন, সরকার ওই কমিটিতে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নাম দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল। কিন্তু বিরোধী দল স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, সংবিধান সংশোধনের নামে জনগণের সঙ্গে কোনো ধরনের ভাওতাবাজির সঙ্গে তারা যুক্ত হবে না।

বিরোধী দলের অবস্থান পরিষ্কার উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণভোটের গণরায় মেনে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে। সংবিধান সংস্কারের মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কার করতে হবে। কীভাবে এবং কোন পদ্ধতিতে সংবিধান সংস্কার করা হবে, তার পথ সরকারকেই বের করতে হবে।

তিনি বলেন, “আজ হোক, কাল হোক গণভোটের রায় সরকারকে বাস্তবায়ন করতেই হবে; এর কোনো বিকল্প নেই।”

এ সময় তিনি ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত ছয় দফা দাবির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করার দাবিতে আগামী শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দল জনগণের গণদাবি আদায়ে সংসদে চেষ্টা করছে। কিন্তু সরকার বারবার জনগণের দাবি উপেক্ষা করে যাচ্ছে। সংসদে জনগণের দাবি আদায় করা সম্ভব না হলে রাজপথেই তা আদায় করা হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

আগামী শনিবার সকাল ৭টায় রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চে অংশগ্রহণের জন্য তিনি ঢাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

পরে মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপির নেতৃত্বে রাজধানীর পল্টন মোড়, দৈনিক বাংলা ও ফকিরাপুল এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে লংমার্চের প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য শাহীন আহমেদ খানসহ মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।

গুলিস্তান এলাকায় লিফলেট বিতরণ

ছয় দফা দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচি সফল করতে রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় লিফলেট বিতরণ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের নেতাকর্মীরা গোলাপ শাহ মাজার মসজিদ এলাকা থেকে গুলিস্তান পর্যন্ত সাধারণ মানুষের মাঝে লংমার্চের লিফলেট বিতরণ করেন।

লিফলেট বিতরণপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, একই দিনে দুটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও বিএনপি ক্ষমতার জন্য একটি নির্বাচন মেনে নিলেও রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য অন্য নির্বাচনটি মেনে নেয়নি।

তিনি বলেন, বিএনপি রাষ্ট্র সংস্কার চায় না বলেই গণভোটে দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ জনগণের দেওয়া গণরায় উপেক্ষা করেছে। রাষ্ট্র সংস্কার হলে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয়ে বিএনপি গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে ফ্যাসিবাদের পুরোনো পথে যাত্রা শুরু করেছে।

তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সহজে মেনে না নিয়ে বিএনপি অতীতে নিজেদের এবং দেশের যে ক্ষতি করেছে, একইভাবে গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে তারা আবারও নিজেদের এবং দেশের ক্ষতি করছে।

ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, একসময় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রসঙ্গে বিএনপি বলেছিল, পাগল আর শিশু ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নয়। কিন্তু পরবর্তীতে বিএনপিকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন করতে হয়েছে। ক্ষমতার জোরে আজ বিএনপি গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলেও একদিন বিএনপিকেই জুলাই সনদের দাবিতে আন্দোলন করতে হবে।

তিনি ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচিতে ঢাকাবাসীর অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ছয় দফা দাবি ১১ দলীয় ঐক্যের স্বার্থে নয়, জনগণের স্বার্থে। এসব দাবি আদায়ে ১১ দলীয় ঐক্য সংসদে এবং রাজপথে ভূমিকা রাখবে।

ঘোষিত ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছেÑগণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা।

ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, সরকার যদি জনগণের গণদাবি সংসদে মেনে না নেয়, তাহলে রাজপথেই ছয় দফা দাবি আদায় করা হবে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুরোপুরি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। নিজ মন্ত্রণালয়ে ব্যর্থ হয়েও তিনি অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের দায়িত্ব পালনে মরিয়া বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আগামী শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত লংমার্চে সর্বস্তরের জনগণকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান ড. হেলাল উদ্দিন।

লিফলেট বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য কামরুল আহসান হাসান, শাহবাগ পূর্ব থানা আমীর আহসান হাবীবসহ মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।

ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের লিফলেট বিতরণ

ছয় দফা দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচি সফল করতে রাজধানীর কারওয়ান বাজার, তেজগাঁও ট্রাক স্ট্যান্ড ও সাতরাস্তা এলাকায় লিফলেট বিতরণ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের হাতিরঝিল অঞ্চল।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিমের নেতৃত্বে এ লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় নেতৃবৃন্দ ব্যবসায়ী, শ্রমিক, পথচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচি ও ছয় দফা দাবিসংবলিত লিফলেট বিতরণ করেন।

লিফলেট বিতরণকালে ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত এ লংমার্চ কোনো রাজনৈতিক দলের স্বার্থে নয়, বরং দেশের মানুষের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, “এই লংমার্চ কোনো দলের লংমার্চ নয়। এই লংমার্চ দেশের মানুষের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে। সেই লক্ষ্যেই আমরা জনগণের কাছে যাচ্ছি এবং আমাদের প্রচারপত্র বিতরণ করছি।”

১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছেÑগণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা।

ড. রেজাউল করিম বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর জনগণের সামনে কয়েকটি অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচির কথা বলেছিল। এর মধ্যে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ছিল। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে সরকার কাক্সিক্ষত সাফল্য অর্জন করতে পারেনি।

তিনি বলেন, জনগণের ন্যায্য দাবি ও গণরায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই ১১ দলীয় ঐক্য এ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তাই দল-মত নির্বিশেষে দেশের মানুষের এ লংমার্চে অংশগ্রহণ করা প্রয়োজন।

আগামী শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত লংমার্চে সর্বস্তরের জনগণকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

লিফলেট বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার, তেজগাঁও দক্ষিণের আমীর ইঞ্জিনিয়ার নোমান আহমেদ, সেক্রেটারি ফরিদ আহমেদ রুবেল, শিল্পাঞ্চল থানা আমীর কলিম উল্লাহ, নায়েবে আমীর মোহাম্মদ উল্লাহ ভূঁইয়া হারুন, সেক্রেটারি নুর উদ্দিন জাহিদ, শ্রমিক নেতা কামাল উদ্দিন রায়হান, আব্দুল হক, আলী আকবরসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের প্রস্তুতি সভা

ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নে ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের স্বেচ্ছাসেবক বিভাগের উদ্যোগে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সংগঠনের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর আব্দুস সবুর ফকিরের সভাপতিত্বে মহানগরীর কার্যালয়ের হলরুমে এ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও মহানগরীর নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেন এমপি এবং মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মোকাররম হোসাইন, অধ্যাপক নুর নবী মানিক, আবদুস সালাম, মাওলানা মোশাররফ হোসেন, ডা. আতিয়ার রহমান, শেখ শরিফ উদ্দিন আহমদ, ড. মোবারক হোসাইন, আবদুর রহমান, কামরুল আহসান হাসান, সৈয়দ সিরাজুল হক, মো. শহিদুল ইসলাম ও শাহীন আহমেদ খানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নে ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সফল করতে সর্বস্তরের জনশক্তিকে প্রস্তুত থাকতে হবে। একই সঙ্গে সচেতন নাগরিকদের লংমার্চ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

সভায় আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে অনুষ্ঠিতব্য লংমার্চ কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের করণীয় নির্ধারণ করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি আগামী শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচিতে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, জনগণের ন্যায্য দাবি আদায় এবং ছয় দফা বাস্তবায়নে ঘোষিত এ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও সফল করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।