ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সামনের স্থাপনাটি সমাজবিজ্ঞান চত্বর বা সামাজিক বিজ্ঞান চত্বর নামে পরিচিত। ২০১৬ সালে স্থানিক কনসালট্যান্টস এর নকশায় নির্মিত এ স্থাপনাটি তার নান্দনিক নকশার জন্য পুরস্কৃত হলেও এ নকশাই এখন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে হাটার জন্য প্রায় অনুপযোগী হয়ে পরে স্থানটি। কাদায় পা পিছলে দূর্ঘটনার সম্মুখীন হওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও নেহাত কম নয়। এছাড়া কফির কাপ, চিপসের প্যাকেট পরে থাকতে দেখা যায় যত্রতত্র। সেন্ট্রাল লাইব্রেরির পাশে থাকায় স্থানটি হয়ে উঠেছে অঘোষিত স্মোকিং জোন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির আর কোনো স্থানে এমন প্রকাশ্যে সিগারেট বিক্রি ও ধূমপানের দৃশ্য সহজে চোখে পড়ে না। রোকেয়া হল, শামসুন্নাহার হলের ছাত্রীসহ অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের ক্লাসে যাওয়ার রাস্তা এটি হওয়ায় প্রত্যহই তাদের নিষ্ক্রিয় ধূমপানের স্বীকার হতে হয়। পাশের রাস্তাটিতে পানি জমায় এবং তা পার্কিং লট হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় বাধ্য হয়েই এর ভিতর দিয়ে যেতে হয়। ম্যানহোলের খোলা ঢাকনায় পা দিয়ে কোনো দূর্ঘটনায় পরা এখন বলতে গেলে সময়ের দাবি। স্থাপনা তৈরি করা হয় সৌন্দর্য বর্ধন ও নির্দিষ্ট প্রয়োজন মেটানোর উদ্দেশ্যে। কিন্তু তা যদি নিজেই সহজ যাতায়াতের পথ রুদ্ধ করে তবে অবশ্যই তার পর্যালোচনা দরকার। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে স্থানটির অতিদ্রুত সংস্কার করা অতীব প্রয়োজনীয়।
-আনিকা বুশরা সিফাত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।