- সবখানে বিপুল জনসমাগমের প্রস্তুতি
- রাস্তায় রাস্তায় সাজ সাজ রব
৬ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে আজ শনিবার ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলীয় ঐক্য। এই লংমার্চকে কেন্দ্র করে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বিরোধীদলীয় রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে। ঢাকার শাপলা চত্বর থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত রাস্তায় রাস্তায় লোকে লোকারণ্য হবে এমন প্রস্তুতি-ই নেওয়া হয়েছে। বলা হচ্ছে, তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সার সংকট নিরসনে সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদ, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লংমার্চ করা হচ্ছে।
সেইসাথে নির্বাচনের আগে বিএনপি সংস্কারের জন্য গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে তা বাস্তবায়ন না করে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। দেশে তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং জনদুর্ভোগ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। প্রশাসনের সীমাহীন দলীয়করণ ও অব্যবস্থাপনার কারণে রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে। তাদের এই দাবিগুলো জনগণের পক্ষে যাচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
জাতীয় সংসদের রাজনৈতিক বিরোধী শিবির থেকে বলা হচ্ছে, কর্মসূচির প্রস্তুতিসভাগুলোতে জনগণের ব্যাপক সাড়া ও অংশগ্রহণ প্রমাণ করেছে যে এসব দাবি কেবল কোনো রাজনৈতিক দলের নয়; এগুলো জনগণের ন্যায্য দাবি। সংসদে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে জনগণের এসব সমস্যা সমাধানের দাবি বার বার জানানো হলেও সরকার তা আমলে নেয়নি। বরং গায়ের জোরে জনগণের অধিকার ও মানবাধিকারের পরিপন্থী বিভিন্ন আইন ও সিদ্ধান্ত এক তরফাভাবে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সরকারের একগুয়েমির কারণে সংসদে সোচ্চার ভূমিকা রেখেও সমাধান না হওয়ায় বিরোধী দল রাজপথে আন্দোলনে যেতে বাধ্য হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ ঢাকার শাপলা চত্বরে সকাল ৭টায় জনসভা শেষে চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চ শুরু হবে। পথে বিভিন্নস্থানে পথসভা ও জনগণের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা ও অভিবাদন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে বিশাল সমাবেশের মাধ্যমে লংমার্চ কর্মসূচি শেষ হবে।
লংমার্চে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা: শফিকুর রহমান এমপি, এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চীপ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমীর মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সুবহানী, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এডভোকেট একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চান এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীর আবু জাফর কাসেমীসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দ নেতৃত্ব দেবেন।
এখানেই শেষ না। চলতি সেপ্টেম্বর ও আগামী অক্টোবরে চার বিভাগ অভিমুখে লংমার্চ এবং ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের মাধ্যমে সরকারের কাছে নিজেদের রাজনৈতিক বক্তব্য ও দাবিগুলো তুলে ধরতে চায় তারা। জাতীয় সংসদের পাশাপাশি রাজপথেও সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়াতে চায়। এর মোদ্দা কথা হলো- সংসদে সরকারের সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তোলা, জোটগতভাবে রাজপথে থাকা এবং এসব কর্মসূচিতে জন-সম্পৃক্ততা বাড়ানোর দিকে এগুচ্ছে। আজকের পর ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর, ১০ অক্টোবর খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর সিলেট অভিমুখে লংমার্চ করবে ১১ দল। সবশেষে ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করার ঘোষণা রয়েছে। ঢাকার মহাসমাবেশের মাধ্যমে সরকারের কাছে একটি বড় রাজনৈতিক বার্তা দিতে চান তারা। এর পরের কর্মসূচি পরিস্থিতি এবং সরকারের পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করবে।
সাংবাদিক সম্মেলন
লংমার্চের প্রস্তুতি নিয়ে গতকাল শক্রবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ক্ষমতাসীন দল ও সরকারের অধীনে প্রশাসন, আমলাসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সংস্থা পরিচালিত হচ্ছে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের পরও বিরোধী দল জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে সংসদের ভেতরে ও বাইরে নিয়মতান্ত্রিক, গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছে। গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার গঠনের ছয় মাস পার হলেও গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বরং গণরায় বাস্তবায়নের প্রশ্ন থেকে সরকার মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তিনি বলেন, গণভোটে বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট খারিজ হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের রক্তের বিনিময়ে একটি স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্ক্ষা থেকেই ১১ দলীয় ঐক্যের আন্দোলন চলছে। জনগণ ও আমাদের দাবি হলো গণভোটের গণরায় মেনে নেওয়া এবং আমাদের ৬ দফা দাবি বাস্তবায়ন করা।
তিনি বলেন, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ লংমার্চে জনগণের জানমালের ক্ষয়ক্ষতির কোনো কারণ নেই। কর্মসূচি সম্পর্কে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে পুলিশের মহাপরিদর্শককে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। গোলাম পরওয়ার বলেন, রাস্তার দুই ধারে হাজার হাজার মানুষ লংমার্চকে অভিবাদন জানাবে বলে আমরা আশা করছি। লংমার্চে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজসংলগ্ন ট্রাকস্ট্যান্ড, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহিপাল এবং মিরসরাই। সবশেষে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে তিনি জানান।
গোলাম পরওয়ার বলেন, লংমার্চে অংশগ্রহণকারী ডেলিগেটরা গাড়ি থেকে নেমে পথসভায় অংশ নেবেন না। সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় শাখাগুলো পথসভা বাস্তবায়ন করবে। বহরে থাকা প্রতিটি গাড়িতে নির্ধারিত স্টিকার থাকবে। চলমান অবস্থায় কোনো গাড়ি বহরের মাঝখানে যুক্ত হতে পারবে না; নতুন কোনো গাড়ি যুক্ত হলে বহরের শেষে অবস্থান করতে হবে।
সংবাদ প্রচারের সুবিধার্থে গণমাধ্যমের গাড়িও লংমার্চের বহরের সঙ্গে যুক্ত থাকবে বলে জানান তিনি। দেশবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের ধৈর্য, সাহস ও শৃঙ্খলার সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা ৫ সেপ্টেম্বরের ঢাকা-চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চ সফল করতে সর্বস্তরের মানুষের প্রতি সর্বাত্মক সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
প্রস্তুতি সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসাইন মিয়াজী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুল মাজেদ আতহারী এবং এবি পার্টির যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন।
এ ছাড়া বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ফখরুল ইসলাম, জাগপার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, মোবারক হোসাইন এবং ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
নাগরিক মঞ্চের সমর্থন
গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ছয় দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বানে আয়োজিত ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম লংমার্চ কর্মসূচিতে অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়েছে নাগরিক মঞ্চ। কর্মসূচি সফল করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ। গতকাল শুক্রবার বিকেল ৩টায় সংগঠনের পল্টনস্থ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নাগরিক মঞ্চের প্রধান সমন্বয়কারী ও দেশপ্রেমিক নাগরিক পার্টির চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ শামীমের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন নিরপেক্ষ জনতার ফোরামের সভাপতি মেজর (অব.) ড. মাসুদুল হাসান, মেজর (অব.) হারুন অর রশিদ, ওয়ার্ল্ড মুসলিম উম্মাহর সভাপতি ডা. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক ড. আবু হানিফ খান, বাংলাদেশ মুসলিম সমাজের চেয়ারম্যান মো. মাসুদ হোসেন, বাংলাদেশ ইসলামী দলের চেয়ারম্যান মাওলানা হুমায়ুন কবির, ইসলামী সমাজতান্ত্রিক দলের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার হাফিজুর রহমান, দেশপ্রেমিক নাগরিক পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান ও এইচ এম রুহুল আমিন। এ ছাড়া দেশপ্রেমিক নাগরিক পার্টির মহাসচিব ড. শওকত হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব তানভীর আহমেদ, মাওলানা খোরশেদ আলম, তরিকুল ইসলামসহ নাগরিক মঞ্চের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকার বাইরে প্রস্তুতি
নারায়ণগঞ্জ মহানগরী সংবাদদাতা জানিয়েছেন, ৬ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ ও নারায়ণগঞ্জের চিটাগাং রোড শিমরাইল ট্রাকস্ট্যান্ডে পথসভায় ব্যাপক উপস্থিতি থাকবে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর ও ১১ দলীয় ঐক্য নারায়ণগঞ্জের সমন্বয়ক মাওলানা মো. আবদুল জব্বার লংমার্চ সফল করতে নারায়ণগঞ্জবাসীসহ সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।
মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর পর আল্লাহর মেহেরবানিতে আমরা স্বৈরাচারমুক্ত একটি দেশ পেয়েছি। আমরা বৈষম্যমুক্ত একটি দেশ চেয়েছিলাম। কিন্তু অক্ষরে অক্ষরে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যে গণভোটের রায় হয়েছিল, তার বাস্তবায়ন হয়নি। এ কারণেই ৫ সেপ্টেম্বরের এই কর্মসূচি। নারায়ণগঞ্জ থেকে তিন শতাধিক গাড়ি চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে লং মার্চে অংশ নেবে। চিটাগাং রোড শিমরাইল ট্রাকস্ট্যান্ডে সকাল ৯টায় পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।
ফেনীতে সাজসাজ রব : ফেনীর মহিপালে রয়েছে ১১দলীয় ঐক্যের বিশাল পথসভা। ১১ দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ। সভায় বিপুল সংখ্যক লোকের জমায়েত হবে বলে আশা করেছেন জেলা জামায়াতের আমীর ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মুফতি আবদুল হান্নান। জেলাব্যাপী চলছে সাজসাজ রব। জেলা ও উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়। পথসভাকে সফল করতে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
কুমিল্লা অফিস : কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের হোটেল নূরজাহান-সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হবে পথসভা। এ উপলক্ষে প্রস্তুত করা হয়েছে মঞ্চ। লংমার্চকে কেন্দ্র করে পদুয়ার বাজার এলাকায় মঞ্চ নির্মাণ, মাইক স্থাপন, সিসি ক্যামেরা বসানো ও স্বেচ্ছাসেবকদের দায়িত্ব বন্টন প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগরী আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি। মহাসড়কে সাধারণ মানুষের চলাচলে যাতে অযথা কোনো ধরনের দুর্ভোগ সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি।