জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু)-এর উদ্যোগে আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী টাইপোগ্রাফি ও ক্যালিগ্রাফি কর্মশালা ‘অক্ষরবুনন’ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
গত ২৮, ২৯ ও ৩০ আগস্ট এবং ৪ ও ৫ সেপ্টেম্বর জাকসু ভবনে দিনব্যাপী এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বাংলা ও আরবি ক্যালিগ্রাফি, টাইপোগ্রাফির নান্দনিকতা, অক্ষর বিন্যাস, কম্পোজিশন এবং অ্যাক্রিলিক রঙের ব্যবহার বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নেন।
কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন সুলতান ক্যালিগ্রাফি ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান এনামুর রহমান, আর-রউফ ক্যালিগ্রাফি ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা রিয়াজুল ইসলাম সারোয়ার এবং ইতিহাসভিত্তিক ক্যালিগ্রাফি শিল্পী জুবায়ের আল মামুন।
জাকসুর সহ-সমাজসেবা সম্পাদক (নারী) নিগার সুলতানা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সৃষ্টিশীলতা বিকাশ, নান্দনিক চর্চায় উৎসাহিত করা এবং ক্যালিগ্রাফি ও টাইপোগ্রাফিকে সম্ভাবনাময় দক্ষতা ও পেশাগত ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত করার লক্ষ্যেই এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃষ্টিশীল দক্ষতা বিকাশের সুযোগ তৈরি করা জরুরি। ‘অক্ষরবুনন’ সেই জায়গা থেকে শিক্ষার্থীদের নতুন কিছু শেখার এবং নিজেদের সৃজনশীলতা প্রকাশের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে।”
কর্মশালায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, প্রচলিত একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি ক্যালিগ্রাফি ও টাইপোগ্রাফির মতো সৃষ্টিশীল বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ তাদের নতুন কিছু শেখার সুযোগ তৈরি করেছে। এর মাধ্যমে নিজেদের সৃজনশীলতা প্রকাশের পাশাপাশি অক্ষর, রঙ ও নকশার নান্দনিক ব্যবহার সম্পর্কেও বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তারা।
অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মতে, ক্যালিগ্রাফি শুধু শিল্পচর্চার একটি মাধ্যম নয়; এর সঙ্গে ভবিষ্যতে পেশাগত সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে এ ধরনের কর্মশালা শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল দক্ষতা বিকাশের পাশাপাশি সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ার ক্ষেত্র সম্পর্কে ধারণা তৈরিতেও ভূমিকা রাখবে।