কলারোয়া (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা: পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে কিন্তু তেমন একটা জমে উঠেনি কলারোয়া পশুর হাট। ঈদের আর মাত্র পাঁচ দিন বাকি থাকলেও প্রত্যাশিত ক্রেতা না থাকায় দুশ্চিন্তায় মধ্যে গরু ব্যবসায়ীরা। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খামারিরা গরু-ছাগল নিয়ে আসছেন কলারোয়া হাটে। পশুর সরবরাহ বাড়লেও সেই তুলনায় ক্রেতার উপস্থিতি খুবই কম। আর ক্রেতা কম থাকায় গরুর দাম ও কম বলছেন ক্রেতারা। কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে পশু বিক্রেতাদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।
সরেজমিনে গত শুক্রবার (২২ মে) কলারোয়ার পশুর হাট ঘুরে এমন চিত্র চোখে পড়ে। সকাল থেকেই হাটজুড়ে ছিল গরু-ছাগল ভরা। বিক্রেতারা তাদের গরুর রশি ধরে দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু কোনো ক্রেতা তাদের সঙ্গে গরুর দরদাম করছেন না। মনে হচ্ছিল পুরো হাটজুড়ে ছিল ধীরগতি। গরু ব্যবসায়ী কবীর হোসেন জানান, গত বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম অনেক কম। তারপরও ক্রেতা কম থাকায় আমরা বিপাকে পড়েছি। হাটে গরু আছে প্রচুর কিন্তু বিক্রি হচ্ছে খুবই কম। তিনি আরও বলেন, ঈদকে সামনে রেখে খামারিরা তাদের গরু বাজারে নিয়ে আসায় হাটে পশুর সরবরাহ বেড়েছে। এতে বাজারে গরুর সংখ্যা বেশি দেখা গেলেও ক্রেতা সংকটের কারণে ব্যবসায়ীরা আশানুরূপ লাভের মুখ দেখছেন না।
গরু ব্যবসায়ী হুলহুলিয়া জিয়াউল ইসলাম বলেন, ঈদের আগে কলারোয়ায় আর একটি বড় পশুর হাট বসবে আগামী ২৫ মে সোমবার। সেই হাটকে ঘিরেই এখন শেষ আশা দেখছি। তবে ওই হাটেও যদি বিক্রি না বাড়ে, তাহলে অনেক ব্যবসায়ীকে বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়তে হতে পারে বলে আশঙ্কা করছি। এদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ খামারিরা গরুর দাম বেশি চাচ্ছে তাই কেনাবেচা কম।
স্থানীয়দের ধারণা, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক চাপ ও মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় এবার পশুর হাটে ক্রেতার উপস্থিতি কম দেখা যাচ্ছে। ফলে ঈদকে কেন্দ্র করে বড় বিনিয়োগ করা খামারি ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। এতে করে অনেক খামারীদের লোকসান গুনতে হবে বলে আশঙ্কা করছেন।