‘হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে ফিজিওথেরাপি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ফ্যামিলি কেয়ার হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে দিনব্যাপী ফিজিওথেরাপি সেবা ক্যাম্প ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলার হাসপাতাল রোডে অবস্থিত ফ্যামিলি কেয়ার হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আয়োজিত এ ক্যাম্পে প্রায় শতাধিক নারী ও পুরুষ রোগীকে ফিজিওথেরাপি সেবা দেওয়া হয়। পাশাপাশি ফিজিওথেরাপির প্রয়োজনীয়তা, কার্যকারিতা এবং হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকা নিয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সচেতনতামূলক সভায় সভাপতিত্ব করেন ফ্যামিলি কেয়ার হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুজয় চাকী। ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন প্রতিষ্ঠানটির ফিজিওথেরাপি ইউনিটের পরিচালক ও ফিজিওথেরাপিস্ট মো. সোহেল রানা।
এ সময় ফিজিওথেরাপিস্ট সুমি আফরোজ, ল্যাব ইনচার্জ মেহেদী হাসান, রেডিওলজিস্ট নীরা আনান, অসিম কুন্ডু, ফিজিও সহকারী শারমিন আক্তার পলি, আইসিটি ইনচার্জ মিজানুর রহমানসহ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সেবা গ্রহণকারী, স্থানীয় সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, নিয়মিত ও সঠিক ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোই দিবসটির অন্যতম উদ্দেশ্য।
উল্লেখ্য, ১৯৫১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ‘ওয়ার্ল্ড কনফেডারেশন ফর ফিজিক্যাল থেরাপি’ যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে সংগঠনটি আন্তর্জাতিকভাবে বিস্তৃতি লাভ করে এবং বিভিন্ন দেশের ফিজিওথেরাপি সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সঙ্গে কাজ করে আসছে। ১৯৯৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ) ২০০৭ সাল থেকে প্রতিবছর দিবসটি পালন করে আসছে।