নিছার উদ্দীন খান আজম, মণিরামপুর (যশোর) : মণিরামপুরে খননকৃত হরিহর নেেদর পাড় ব্যবহার করেই বাইপাস সড়ক নির্মাণের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এতে একদিকে পৌর শহরের দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার সমাধান হবে, অন্যদিকে প্রস্তাবিত ব্যয়ের তুলনায় অনেক কম খরচে সড়কটি নির্মাণ করা সম্ভব হতে পারে।
জানা যায়, ২০০১ সালের বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর মণিরামপুর পৌর শহরের যানযট কমাতে বাইপাস সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেন তৎকালীন সংসদ সদস্য প্রয়াত মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের দিয়ে একটি সমীক্ষাও চালিয়ে ছিলেন। এতে পৌর এলাকার রাজারহাট-সাতর্ক্ষীরা মহাসড়কের সংযোগ সড়ক বেলতলা-বিজয়রামপুর-তাহেরপুর হয়ে গোহাটা পর্যন্ত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় উদ্যোগটি আর সামনের দিকে আগায়নি। পরবর্তী সময়ে ২০১৯ সালে রাজারহাট-চুকনগর মহাসড়কটি দুই লেনে উন্নীত হলেও মালিকানা ও বরাদ্দকৃত অর্থ জটিলতায় পৌরশহরের মধ্যে মহাসড়কের প্রায় ৭০০ মিটার প্রশস্ত হয়নি। এতে সামান্যতেই পৌর শহরের মধ্যে যানযটে নাকাল হয়ে পড়ে জনগণ। একপর্যায় তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য পৌর এলাকার মোহনপুর বটতলা-কামালপুর হয়ে মণিরামপুর সরকারি কলেজ পর্যন্ত বাইপাস সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেন। কিন্তু কাজটি এলজিইডি নাকি সওজ (সড়ক ও জনপদ বিভাগ) করবে এ নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। পরে কাজটি সওজের আওতায় চলে যায়। বাইপাস নির্মাণের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা যাচাইপূর্বক জমি অধিগ্রহণসহ ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ চূড়ান্ত হয়।
সওজ যশোর অঞ্চলের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আলাউর রহমান জানান, মণিরামপুরে বাইপাস সড়ক নির্মানের ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকার প্রস্তাবনা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।