রাজধানীর বিজয় স্মরণী কলমিলতা মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকা-ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশ দাঁড়াতে সরকার, রাজনৈতিক দল, সরকারি-বেসরকারি দাতা সংস্থা সহ সমাজের বিত্তবান মানুষকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায় রাজধানীর বিজয় স্মরণী মোড় সংলগ্ন কলমিলতা কাঁচাবাজারে অগ্নিকা-ের ঘটনাস্থল পরিদর্শন কালে এসব কথা বলেন।

সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, প্রতি বছরই রাজধানী সহ সারাদেশে প্রভূত সংখ্যক অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটে। এতে জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ঘটনার পর সরকার বা সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে বেশ তৎপর মনে হলেও এ ধরনের দুঃখজনক ঘটনার কারণ অনুসন্ধান এবং ভবিষ্যতের পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় না। আমাদের দেশে অগ্নিনির্বাপনে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারও নেই। সেকেলে ও প্রচলিত পদ্ধতিতে অগ্নিনির্বাপনের কাজ হওয়ার প্রতি বছরই জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। তিনি ঘটনা তদন্তে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়ে বলেন, সরকার জনগণের জানমাল নিয়ে এভাবে নির্লিপ্ত থাকতে পারে না। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষতিপূরণ ও পূনর্বাসনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান এবং অগ্নিদূর্গতদের জামায়াতের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও হাতিরঝিল অঞ্চল পরিচালক হেমায়েত হোসেন, অধ্যক্ষ আশরাফুল হক, তেজগাঁও থানার আমীর ও ২৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার নোমান আহমেদী ও সেক্রেটারি ফরিদ আহমেদ রুবেল প্রমুখ।

মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, সরকার সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন না দিয়ে সংবিধান লংঘন করে দলীয় ব্যক্তিকে প্রশাসক নিয়োগ করেছে। ফলে ডিএনসিসিতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হচ্ছে না। আর কোন অনির্বাচিত প্রশাসক দিয়ে নগরীর সমস্যা সমাধান করা কোন ভাবেই সম্ভব নয়। তিনি অবিলম্বে সিটি নির্বাচনের দিয়ে নির্বাচিতদের হাতে নগর প্রশাসনের দায়িত্ব হস্তান্তর করতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের জামায়াতের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতারও আশ্বাস প্রদান।