দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ থাইরয়েড গ্রন্থির নানা রোগে ভুগছে। যাদের প্রতি পাঁচজনে তিনজনই নারী। এছাড়া প্রতি ২৩০০ শিশুর মধ্যে একজন জন্মগত থাইরয়েড সমস্যায় ভুগছে। আক্রান্ত ব্যক্তির ৬০ শতাংশ চিকিৎসার বাইরে। ফলে যে পরিবারে থাইরয়েড রোগী আছে ওই পরিবারের সব সদস্যের থাইরয়েড স্ক্রিনিং (পরীক্ষা) জরুরি। বিশেষ করে মায়েদের গর্ভধারণের পূর্বে, শিশুর জন্মের পর, বয়ঃসন্ধি কালে এবং বয়স ৪০ হওয়ার পর অবশ্যই থাইরয়েড স্ক্রিনিং করা প্রয়োজন।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে ‘বিশ্ব থাইরয়েড দিবস-২০২৬, ‘আন্তর্জাতিক থাইরয়েড সচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিয়ম সভায় বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেন।

এর আগে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. ফরিদুল আলম চার দিনব্যাপী ‘থাইরয়েড মেলা’ উদ্বোধন করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) নিনমাস-এর পরিচালক ও বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. এ.কে.এম ফজলুল বারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির মহাসচিব ডা. শাহজাদা সেলিম। অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন নিনমাসের অধ্যাপক ডা. মো. আবু বক্কর ছিদ্দিক, বিটমির-এর সিনিয়র শিক্ষক ডা. মোহিত-উল-আলম প্রমুখ।