ঢাকার দুই হাসপাতালে পরীক্ষামূলকভাবে পাগলাঘণ্টা বসানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। হাসপাতালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এই পরিকল্পনা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের আওতাধীন কেন্দ্রীয় ওষুধাগার (সিএমএসডি)-তে ১১টি হাসপাতালে ভেন্টিলেটর ও অক্সিজেন কনসেনট্রেটর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি না। আমরা পাইলটিং স্কিমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাগলাঘণ্টার ব্যবস্থা করার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। কোনোরকমভাবে আমি গিয়েও যদি কোনও একটা আঘাত করি, যদি নিরাপত্তাহীনতায় আমার ডাক্তাররা বা রোগীরা ভোগেনÑপাগলাঘণ্টা বাজালে যাতে সব ডাক্তাররা একত্রিত হয়। ইমার্জেন্সি অ্যালার্মÑএটাকে আমি বাংলায় বললাম পাগলাঘণ্টা। ইমার্জেন্সি অ্যালার্ম, সেন্ট্রাল অ্যালার্ম সিস্টেমে আমরা আনার চেষ্টা করছিÑটু এনসিওর দ্য সিকিউরিটি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি কেনাকাটার বিষয়ে আমরা সব জায়গায় কঠোর নির্দেশনা দিয়েছি। আমাদের চিকিৎসকরা সেই অনুযায়ী কাজ করছেন। সেখানে কিছু কিছু জায়গায় সর্বনিম্ন মূল্যে কিনতে গেলে উচ্চমূল্যে সরবরাহ দেওয়ার জন্য সন্ত্রাসীদের মদতে প্রভাব খাটানো হয়। কাজ না দিলে ডাক্তারদের ওপর আক্রমণ করে। এই সুযোগ নিচ্ছে ফ্যাসিবাদের দোসররা, বিভিন্ন জায়গায় উসকে দিচ্ছে। যার ফলে আমাদের ডাক্তারদের ওপর আক্রমণ হচ্ছে। আমি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলি, আপনারা জানেন আমরা প্রত্যেকটা উপজেলা হাসপাতালে ইনক্লুডিং ঢাকা সিটি স্কেটারড হসপিটালÑআমরা ১০ জন করে আনসার, একজন প্লাটুন কমান্ডার আর্মসসহ আমরা দিচ্ছি এবং এটার পুরোদমে কাজ চলছে।
তিনি বলেন, “এত বড় একটা সেটআপ দিতে হচ্ছেÑপ্লাটুন ভাগ করতে, রিপোর্ট করতে একটু সময় লাগছে। কাল এটা নিয়ে কথা হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, আমরা ঈদের পরে সবচেয়ে কম সময়ের ভেতরে প্রত্যেকটা উপজেলা লেভেলে ডাক্তারদের এবং আমাদের যন্ত্রপাতি ওষুধ সব কিছু নিরাপত্তার লক্ষ্যে দিয়ে দেবো। দ্বিতীয়ত, ঢাকার মহাখালী হাসপাতালে কীভাবে নিñিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়Ñদ্রুততম সময়ের ভেতরে সেখানে একটা পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনসহ অবৈধ স্থাপনাকারীদের সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।