জাপান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের অর্থায়নে বাফুফে গত এক যুগ ধরে অ-১৪ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করে আসছে। গত বছর এই টুর্নামেন্টে ৪৩ জেলা ফুটবল এসোসিয়েশন খেললেও এবার সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪৭। আজ শুক্রবার থেকে রাজবাড়ী, রংপুর ও ফেনীতে খেলা শুরু হবে। ১০ জুন টাঙ্গাইল, ঝিনাইদাহ ও রাজশাহী ভেন্যুতে চলবে খেলা। রাজশাহী বাদে বাকি সকল ভেন্যুতে দুই গ্রুপে চারটি করে আটটি দল। রাজশাহীতে দুই গ্রুপে সাত দল। প্রতি ভেন্যুতে দুই গ্রুপে প্রতি দল তিনটি করে ম্যাচ খেলবে। দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন জোনাল শিরোপার জন্য লড়বে। ছয় ভেন্যুর ছয় চ্যাম্পিয়ন ও সেরা দুই রানার্স আপ চূড়ান্ত পর্বে খেলবে। চূড়ান্ত পর্বের ভেন্যু ও সময় এখনো ঠিক করেনি ফেডারেশন।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে জেএফএ কাপ উপলক্ষে বাফুফে ভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে নারী উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণ বলেন, 'গতবার নক আউট ভিত্তিতে খেলা হয়েছিল। এবার গ্রুপ পর্যায়ে রাউন্ড রবিন লিগ হচ্ছে। অংশগ্রহণকারী দলগুলো আগে পেত ২৫ হাজার এবার সেটা বেড়ে ৪৫ হাজার। চূড়ান্ত পর্বে উঠা দলগুলো ৪৫ হাজার করে পাবে। টুর্নামেন্টের সময় একটু বাড়ায় ফিফা থেকে সাপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে। এজন্য দলগুলোকে একটু বেশি অর্থ দেয়া হচ্ছে।'

কয়েক মাস আগে নারী ফুটবলে এক টুর্নামেন্টে ফিফা কানেক্ট নিয়ে সমস্যা হয়। এই জটিলতায় গাইবান্ধা দল খেলতে পারেনি। অল্প বয়সী শিশুরা কান্নাকাটি করেছে। এবার ফিফা কানেক্ট নিয়ে নারী উইংয়ের প্রধান বলেন, 'যারা খেলবে ইতোমধ্যে ফিফা কানেক্টের আওতায় এসেছে। গতবার একটি জেলায় এক খেলোয়াড়রা নিবন্ধিত ছিল। মাঠে ছিল অন্য খেলোয়াড়রা। এজন্য সেই দল খেলতে পারেনি। যারা কানেক্টেড থাকবে তারা অবশ্যই খেলতে পারবে।' জেএফএ কাপ থেকে বাফুফে খেলোয়াড় তুলে আনে। গত আসরে খেলা ৫ জন বাফুফের ক্যাম্পে রয়েছে। এবারও সেই ধারাবাহিকতা আশা করছে ফেডারেশন।