দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচে কলম্বিয়ার মুখোমুখি হয় ফ্রান্স। যেখানে পুরো একাদশই বদলে ফেলেন কোচ দিদিয়ের দেশম। বিশ্বকাপের স্কোয়াড চূড়ান্ত করার আগে তিনি দলের গভীরতাও আরেকবার যাচাই করে দেখলেন। তাতে সফলই হলেন ২০১৮ বিশ্বকাপজয়ী কোচ। দেজিরে দুয়ের জোড়া গোলে ৩-১ ব্যবধানে কলম্বিয়াকে হারাল ফরাসিরা। এর আগে ব্রাজিলের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জয় পায় দলটি। যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে ম্যাচের শুরুতে সমান তালে লড়লেও, ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ নিতে থাকে ফ্রান্স। শেষ পর্যন্ত তারা পজেশনে আধিপত্য ধরে রাখলেও বাকি সবদিক থেকে কলম্বিয়াও তাদের চেয়ে খুব একটা পিছিয়ে ছিল না। তবে ব্যবধান গড়ে দিয়েছে গোলসংখ্যা। দুয়ের জোড়া গোল ছাড়া ফরাসিদের পক্ষে আরেক গোল করেন মার্কাস থুরাম। বিপরীতে, জ্যামিন্টন কাম্পাজ কলম্বিয়ার পক্ষে ব্যবধান কমানো গোলটি করেন। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের মাঝে ফ্রান্স লিড নেয় ২৯ মিনিটে। কলম্বিয়ার ফুটবলাররা নিজেদের বক্সে বল ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হওয়ায় পেয়ে যান দুয়ে। পিএসজির এই তরুণ ফরোয়ার্ড নিচু শটে বল জালে জড়ান। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবার জাতীয় দলের জার্সিতে গোল পেলেন দুয়ে। বিরতির আগেই কলম্বিয়া আরেকদফা পিছিয়ে পড়ে। ৪১ মিনিটে সতীর্থের বাড়ানো ক্রস পেয়ে জোরালো হেড দেন থুরাম, দ্বিগুণ লিড পেয়ে যায় ফ্রান্স। ম্যাচে ফেরার চেষ্টা ছিল কলম্বিয়ার, কিন্তু ৫৬ মিনিটেই তারা আরেকটি গোল হজম করে বসে। থুরামের পাস পেয়ে দুয়ের নেওয়া শট থামাতে পারেননি কলম্বিয়া গোলরক্ষক। আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজের প্রথম গোল পাওয়ার দিনে হ্যাটট্রিকেরও সুযোগ ছিল দুয়ের সামনে। তবে ২০ বছর বয়সী এই উইঙ্গারকে ৬৩ মিনিটে তুলে হুগো একিতিকেকে নামান দেশম। এ ছাড়া কিলিয়ান এমবাপেসহ তিনি আরও চারটি বদলি নামান। বিপরীতে কলম্বিয়া তুলে নেয় হামেস রদ্রিগেজ ও লুইস দিয়াজকে। লাতিন দেশটি কাক্সিক্ষত গোল পায় ৭৭ মিনিটে। কামপাজ সতীর্থের পাস বক্সে পেয়ে কোনাকুনি শটে গোলটি করেন। বদলি নামা ফরাসি অধিনায়ক এমবাপেও একবার বল জালে জড়ান। তবে গোল বাতিল হয় অফসাইডের কারণে। তার আরেকটি শট গোললাইন থেকে ফেরান কলম্বিয়ান ডিফেন্ডার। তবে ৩-১ ব্যবধানে জয় পেতে অসুবিধা হয়নি ফ্রান্সের। দুই জয় নিয়েই তারা ফিফার মার্চ উইন্ডো শেষ করল। বিপরীতে, ফ্রান্সের আগে ক্রোয়েশিয়ার কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরেছিল কলম্বিয়া।
ফুটবল
কলম্বিয়াকে হারিয়ে ফ্রান্সের জয়
দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচে কলম্বিয়ার মুখোমুখি হয় ফ্রান্স। যেখানে পুরো একাদশই বদলে ফেলেন কোচ দিদিয়ের দেশম। বিশ্বকাপের স্কোয়াড চূড়ান্ত করার আগে তিনি দলের গভীরতাও আরেকবার যাচাই করে দেখলেন। তাতে সফলই হলেন ২০১৮ বিশ্বকাপজয়ী কোচ।