টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যাটার মুমিনুল হক। চাপের মুখে যিনি প্রতিপক্ষের বোলারদের সামাল দিয়ে ইনিংস মেরামত করেন বাংলাদেশের। পাকিস্তানের বিপক্ষে চলমান টেস্টের দুই ইনিংসেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। প্রথম ইনিংসে ৯১ রান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও পেয়েছেন অর্ধশতকের দেখা। সবমিলিয়ে টানা ৫ ইনিংসে অর্ধশতকের দেখা পেলেন তিনি। এটি তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৭তম অর্ধশতক। আর ফিফটি করেই তিনি স্পর্শ করেছেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ৫ হাজার রানের মাইলফলক। তৃতীয় বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন তিনি। তার আগে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। তার নামের পাশে রয়েছে ৭০ ম্যাচে ১৩৪ ইনিংসে ৩৮ গড়ে ৫৩১৪ রান, অর্ধশতক ৩১টি ও শতক ১০টি। সবার ওপরে অবস্থান করেছেন মুশফিকুর রহিম। ১০১ টেস্টে ১৮৫ ইনিংসে ৩৮ গড়ে ৬৫৮১ রান করেছেন তিনি। ৩০ অর্ধশতক ও ১৩টি অর্ধশতক তার নামের পাশে। ডাবল সেঞ্চুরি ৩টি। উইকেটকিপারদের মধ্যে যা কিনা সর্বোচ্চ বিশ্ব ক্রিকেটে। বাংলাদেশের বোর্ডে এখন রান ২ উইকেটে ১১৮ আর লিড ১৪৫। মুমিনুল ৫০ ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত অপরাজিত আছেন ৪৬ রানে। ৩৮তম ওভারের শেষ বলে নোমান আলীর বিপক্ষে এক রান নিয়ে পৌঁছে যান এই অর্জনে। একই সঙ্গে তুলে নেন নিজের টানা পঞ্চম ফিফটিও। বাংলাদেশের হয়ে এর আগে শুধু মুশফিকুর রহিম ও তামিম ইকবালই টেস্টে ৫ হাজার রান করতে পেরেছিলেন।
মুমিনুল এই মাইলফলকে পৌঁছাতে খেলেছেন ৭৬টি টেস্ট ও ১৪১ ইনিংস। তার নামের পাশে রয়েছে ১৩টি সেঞ্চুরি ও ২৭টি অর্ধশতক। মুমিনুলের সঙ্গে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন শান্তও। অধিনায়কও তুলে নিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ একটি ফিফটি। আগের ইনিংসে যার নামের পাশে আছে দুর্দান্ত এক শতকও। দুজনের জুটিতে ধীরে ধীরে বড় লিডের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিম ১০১ টেস্টে ৬ হাজার ৫৯৭ রান করেছেন। মুশফিকুর ৫ হাজার রান পেয়েছেন ৮১ টেস্টে ১৪৯ ইনিংসে। তামিম ৬৮ টেস্টে ১৩০ ইনিংসে পৌঁছেছিলেন ৫ হাজারের ঘরে। অবসরে যাওয়া তামিমের রান ৫ হাজার ১৩৪। মুমিনুল ৭৬ টেস্টে ১৪১ ইনিংসে করলেন ৫ হাজার ৬ রান।