জাতীয় দলের হয়ে কিছুটা স্ট্রাগল করলেও সাইফ হাসান প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের শুরুর ম্যাচেই ব্যাট-বলে দারুণ পারফরম্যান্স করেছেন। তার এমন অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে গুলশান ক্রিকেট ক্লাবকে ২৬ রানে হারিয়েছে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স। গতকাল সোমবার বিকেএসপিতে ঢাকা লিগের প্রথম রাউন্ডে গুলশান ক্লাবের বিপক্ষে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু পায় বসুন্ধরা। ইমরানুজ্জামান ও সাইফ হাসান মিলে ৫৬ রানের জুটি গড়েন। তানভীরের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ইমরানুজ্জামান ৩০ রানে আউট হন। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে সাইফ হাসান ও ফজলে মাহমুদ রাব্বি মিলে গড়েন ১৩৩ রানের জুটি। এই জুটির ওপর ভর করেই মূলত বসুন্ধরা ২৮০ রানের সংগ্রহ পেয়ে যায়। তবে দুর্ভাগ্য সাইফ-রাব্বিরÑকেউই তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করতে পারেননি। রাব্বি ৮২ রানে আউট হওয়ার পর সাইফও আউট হন ৯৬ রানে।নুরুল হাসান সোহানের ৪১ বলে ৪৩ রানের ইনিংসের ওপর দাঁড়িয়ে বসুন্ধরা ৫ উইকেট হারিয়ে ২৮০ রান সংগ্রহ করে। গুলশান ক্লাবের বোলারদের মধ্যে তানভীর ও আব্দুর রহিম নেন দুটি করে উইকেট।
বসুন্ধরার ২৮১ রানের জবাবে খেলতে নেমে পাওয়ার প্লেতেই তোপের মুখে পড়ে গুলশানের টপ অর্ডার। মাত্র ১৬ রানে টপ অর্ডারের দুই ব্যাটার তাহমিদুল ইসলাম (৯) ও বিশাল চৌধুরী (৫) হারায় গুলশান। দ্বিতীয় উইকেটে মঈনুল ইসলাম ও শাহরিয়ার সাকিব মিলে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তবে বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি তাদের প্রতিরোধ। দলীয় ৫৯ রানে মঈনুল ফেরেন সাজঘরে। এরপর ছোটখাটো বেশ কয়েকটি জুটি হলেও কেউই লক্ষ্যের দিকে ছুটতে পারেননি। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৩ রানের ইনিংস খেলেন জুবায়ের। ৬৯ বলে ৫ চার ও ৪ ছক্কায় খেলা তার এই ইনিংসের কল্যাণে গুলশান ২৫৪ রান পর্যন্ত যেতে পারে। বসুন্ধরার হয়ে নাহিদুল ইসলাম সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন। এছাড়া রুয়েল মিয়াও তিনটি উইকেট নেন, যদিও ছিলেন বেশ খরুচে। এর বাইরে ইরফান হোসেন দুটি এবং সাইফ হাসান ও সানজামুল ইসলাম একটি করে উইকেট শিকার করেন। ব্যাটিংয়ের পর বল হাতে দলে অবদান রেখে ম্যাচসেরা হন সাইফ।