আসিফ আরসালান

কথায় বলে, সপ্তকাণ্ড রামায়ণ পড়ে সীতা হলো রামের মাসি। বাংলাদেশে সংবিধান সংস্কার নিয়ে বিএনপি সরকার সর্বশেষ যে কাণ্ডটি করলো সেটি ওপরের ঐ কথাটি মনে করিয়ে দেয়। ইংরেজিতে আর একটি Phrase আছে। সেটি হলো, Back to Square one ইন্টারিম সরকারের শেষ ৯ মাস ৩৩টি রাজনৈতিক দলের সাথে ঐকমত্য কমিশন যে সর্বসম্মত সংবিধান সংস্কারে উপনীত হয়েছিলো সেটি নবগঠিত জাতীয় সংসদের কয়েক দিনের অধিবেশনেই চৌপাট হয়ে গেলো। বিএনপি সরকার সর্বদলীয় কমিটি করে জাতীয় সংসদে সংবিধানের সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট এ প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছে। তারা বলেছে যে, জুলাই বিপ্লবের মূল স্পিরিট ছিলো সংবিধান সংস্কার, সংশোধন নয়। কিন্তু বিএনপি তার অবস্থানে অনড়। উপায় অন্তর না দেখে ১১ দলীয় জোট ইস্যুটিকে রাজপথে আনার প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে ৪ এপ্রিল শনিবার বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মসূচি দিয়েছে। এ লেখাটি যখন ছাপা হবে ততক্ষণে সে বিক্ষোভ কর্মসূচি ইতোমধ্যেই পালিত হয়েছে।

জনমনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে পারে যে এতবড় একটি বিপ্লবের পর, এত বিপুল রক্তক্ষয়ের পর একটি সংসদ এবং সরকার গঠিত হওয়ার দুই মাসের মাথাতেই বিরোধী দলকে রাজপথে আসতে হলো কেনো? একটু পেছনে ফিরে তাকালেই পরিস্কার হয়ে যাবে যে রাজপথে আসা ছাড়া বিরোধী দলের কোনো গত্যন্তর ছিলো না।

সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনবিষয়ক প্রেসিডেন্টের আদেশকে ‘অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতারণার দলিল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এটির কোনো বৈধতা নেই বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। গত ১ এপ্রিল বুধবার জাতীয় সংসদে জুলাই সনদের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। এ বিষয়ে তিনি সর্বদলীয় সংসদীয় বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন।

সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের ধারা ১৭/২ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির ক্ষমতা নেই উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আদেশের জন্মই বৈধ হলো না। এ আদেশটা নিউট্রাল জেন্ডার। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল।’ ‘তিনি বলেন, ‘জনরায়কে সম্মান করতে হবে। কিন্তু এ ৭০ শতাংশ মানুষের তো সমর্থন দেয়ার কথা ছিল জুলাই সনদের পক্ষে হ্যাঁ বা না বলার। নোট অব ডিসেন্টসহ প্রশ্ন লিখলেন না, এটি জাতীয় প্রতারণা। চার প্রশ্নের জবাবে (গণভোট) একটি উত্তরে কেন বাধ্য করা হলো?’

তিনি বলেন, ‘আমি রাষ্ট্রপতিকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনি কি আদেশ জারি করতে পারেন? তিনি বলেছিলেন, আমি তো পারি না, আমাকে পারাচ্ছে। রাজহংসীকে জোর করে সোনার ডিম পাড়ানোর মতো। এখন সেটি অবৈধ ডিম।’

প্রেসিডেন্টকে সালাহ উদ্দিন সাহেবের কথায় জোর করিয়ে ঐসব কাজ করানো হয়েছে। কে জোর করলো? কারা জোর করলো? প্রেসিডেন্ট নিজেই তো দৈনিক কালেরকন্ঠে লম্বা চওড়া ইন্টারভিউ দিয়ে বলেছেন যে, সংবিধান রক্ষার জন্য তিনি জীবন দিতেও প্রস্তুত ছিলেন। তিনি আরো বলেছেন যে, এব্যাপারে অর্থাৎ সংবিধান রক্ষায় তার পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছিলো বিএনপি এবং সেনাবাহিনী। যার পাশে আছে সেনাবাহিনী এবং বিএনপি তার ওপর জোর খাটায় কার সাধ্য?

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের কাগজ সংসদে পাঠানোর এখতিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের ছিল না উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের কাগজ সংসদ সদস্যদের হাতে কীভাবে গেল, তা সংসদ সচিবের কাছে জানতে চাই।’

সংবিধান সংস্কার আদেশ জারি করার ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের আছে কিনা সেটি সম্পর্কে কিছুক্ষণ পর আলোচনা করছি। তার আগে একটি নৈতিকতার প্রশ্ন। যদি প্রেসিডেন্টের এ ধরণের কোনো আদেশ জারির ক্ষমতা নেই থাকে তাহলে বিএনপি কেনো প্রেসিডেন্টের ঐ আদেশের অধীনে গণভোটে যেতে রাজি হলো? শুধু গণভোটে যাওয়া নয়, বিএনপি চেয়ারম্যান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী প্রচারণার সময় একাধিক জনসভায় গণভোটে হ্যাঁ’র সপক্ষে ভোট দেয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। জনগণও ৭০ শতাংশ ভোটে হ্যাঁ ভোটকে সমর্থন করেছেন।

সালাহউদ্দিন সাহেবকে প্রশ্ন করা হয়েছিলো যে, আজ তারা যে দলিলটিকে ‘অন্তহীন প্রতারণা’ বলছেন সে দলিল তারা তখন গ্রহণ করলেন কেনো? উত্তরে সালাহউদ্দিন বলেন, এটা ছিলো আমাদের একটি কৌশল। আমরা যদি তখন রাজি না হতাম তাহলে হয়তো নির্বাচন দেয়া হতো না, অথবা দেয়া হলেও সেটি অনেক পিছিয়ে যেতো।

সালাহউদ্দিন সাহেবের এ উক্তি শুনে তো মানুষের আক্কেল গুড়ুম। রাজনীতিতে তো একটি নূন্যতম নীতিবোধ থাকা দরকার। কৌশলের নাম করে সালাহউদ্দিন সাহেব তথা বিএনপি যা বললেন সেটি তো বরং জনগণের সাথে সবচেয়ে বড় ধাপ্পাবাজি এবং প্রতারণা। এরপর বিএনপি যখন যেখানে যে ওয়াদাই দিক না কেনো সে ওয়াদায় মানুষের আস্থা স্থাপন করা কঠিন হয়ে যাবে। কারণ জনগণ ইতো মধ্যেই দেখেছেন যে, বিএনপি বার বার ওয়াদার বরখেলাপ করে।

যেখানে সংবিধান জারি আছে সেখানে প্রেসিডেন্ট কোনো অর্ডার বা আদেশ জারি করতে পারেন না, অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। সালাহ উদ্দিন সাহেবের এ কথা সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত নয়। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশে যে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় সেটি হয়েছিলো The Representation of the

Peoples Order, ১৯৭২ অনুযায়ী। ১৯৭২ সালের ২৬ ডিসেম্বর প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী যে আদেশ জারি করেন তার নম্বর ছিলো, President’s Order No. 155 of 1972 এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাসে জাতীয় সংসদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর হয়। বর্তমানে বিএনপি যে সংবিধানের দোহাই দিচ্ছে সেটি ঐ ৭২ সালেরই সংবিধান। অবশ্য এর মধ্যে ১৬টি সংশোধনী হয়েছে, যেটি সাংবিধানিক বিবর্তনের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

বর্তমান প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিন চুপ্পু যে সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫ জারি করেছেন সেটির যে সম্পূর্ণ সাংবিধানিক বৈধতা বা ভিত্তি আছে সেটি গত ৩১ মার্চ জাতীয় সংসদে খুব পরিস্কারভাবে ব্যাখ্যা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সদস্য ব্যারিস্টার নজিবুর রহমান। তিনি বলেন, “বাস্তবায়ন সংক্রান্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ নিয়ে আজকেও (৩১ মার্চ) এই সংসদে কথা হয়েছে। মাননীয় সংসদ সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন সাহেব বললেন এই আদেশটি না আইন না অধ্যাদেশ। এটি অধ্যাদেশ না মাননীয় স্পিকার। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনটা অধ্যাদেশ এটা নির্ধারিত হয়েছে । এটা আইন মাননীয় স্পিকার এবং আইনের যে সংজ্ঞাটা এটা আমাদেরকে সংবিধান থেকেই নিতে হবে, বাইরে থেকে নিলে চলবে না । এ ব্যাপারে সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে ১৫২ নাম্বার অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে। কোন আইন অধ্যাদেশ এবং কোন আইন আদেশ সেটি ঐ অনুচ্ছেদ বিশ্লেষণ করলেই পরিস্কার হবে।”

ব্যারিস্টার নজিবুর রহমান আরো বলেন, প্রেসিডেন্টের বর্তমান আদেশ কিন্তু বাংলাদেশে প্রথম আদেশ নয়। ১৯৭২ সালে ১৫৫টিরও বেশি আদেশ হয়েছিলো। যেগুলো এখনো বলবৎ আছে। তিনি আরো বলেন, আজ যেসব ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সে নির্বাচনটি হয়েছে আরপিও’র অধীনে। আরপিওটি জারি করেছেন প্রেসিডেন্ট এবং এই আদেশের অধীনে আমরা সংবিধান সমুন্নত রাখার শপথ নিয়েছি।

প্রেসিডেন্ট এরশাদের আমলে বিচার ব্যবস্থাকে বিশেষ করে হাইকোর্টকে বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছিলো। কিন্তু এ বিকেন্দ্রীকরণের বিরুদ্ধে সুপ্রীমকোর্টে মামলা হয়। সুপ্রীমকোর্ট রায় দেন যে, হাইকোর্ট ও সুপ্রীমকোর্ট যে কেন্দ্রীভূত, সেটি সংবিধানের মৌলিক কাঠামো। সুতরাং এরশাদের আমলের ঐ সিদ্ধান্তটি আর বাস্তবায়িত হয়নি। কিন্তু এবারের গণভোটে সংবিধান সংস্কারের ৩৪ নাম্বার অনুচ্ছেদে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণের সুপারিশ করা হয়েছে এবং জনগণ হ্যাঁ ভোট দিয়ে সেটিকে অনুমোদন করেছে। এখন বিএনপি যদি সেটিকে বাতিল করতে চায় বা সংশোধন করতে চায় তাহলে তারা জনমতকে অবমাননা করবে।

এব্যাপারে আর দীর্ঘ আইনী জটিলতামূলক আলোচনায় যেতে চাই না। কিন্তু বিএনপিকে কয়েকটি প্রশ্ন করতে চাই। কারণ এটিই এখন দিবালোকের মতো সত্য হয়েছে যে, বিএনপি জুলাই বিপ্লবের ওপরে সংবিধানকে প্রাধান্য দিচ্ছে। তাই এসব প্রশ্ন।

(১) জুলাই বিপ্লব কি সাংবিধানিক পথে সংঘঠিত হয়েছিলো?

(২) ৬ অগাস্ট ২০২৪, জাতীয় সংসদ ভেঙে দেয়া হয়। ভেঙে দেওয়ার পূর্বে সংবিধান মোতাবেক কি প্রধান মন্ত্রীর সুপারিশ নেওয়া হয়েছিলো? (সুপারিশ নেয়ার প্রশ্নই ওঠে না। কারণ তখন তো তিনি পলাতক)।

(৩) ৬ অগাস্ট বেগম খালেদা জিয়াকে কারাবন্দী অবস্থা থেকে মুক্ত করা হয়। কোন সংবিধান বা কোন আইন মোতাবেক তাকে মুক্ত করা হয়? (তাই বলে আমরা তার নিঃশর্ত মুক্তির বিরোধিতা করছি না)। এব্যাপারে কি কোনো বিচারকি প্রক্রিয়া অনুসরন করা হয়েছিলো?

(৪) বর্তমানে যিনি আইনমন্ত্রী তিনি ২০২৪ সালের ৬ অগাস্ট এ্যাটর্নী জেনারেল নিযুক্ত হন। তার নিযুক্তির আগে প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ কি নেয়া হয়েছিলো?

(৫) বিএনপি বার বার বলছে যে, সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের অধীনে সুপ্রীমকোর্টের মতামত (Referral) নিয়ে সরকার গঠিত হয়েছে। সুপ্রীমকোর্ট এ ধরনের মতামত দেয়ার আগে প্রেসিডেন্টের আবেদনের বা সুপারিশের ওপর শুনানি করা বাধ্যতামূলক। ১০৬ ধারাতেই সেটি রয়েছে। সুপ্রীমকোর্টে কি আদৌ কোনো শুনানি হয়েছিলো?

(৬) প্রেসিডেন্ট সুপ্রীমকোর্টকে যে চিঠি লিখেছিলেন তার কি কোনো কপি আছে?

(৭) সুপ্রীমকোর্ট যে মতামত দিয়েছেন বলে বলা হচ্ছে তার কি কোনো কপি রয়েছে?

(৮) সুপ্রীমকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এবং বিচারপতি এনায়েতুর রহিম কি ৬ অগাস্ট থেকে আত্মগোপনে নেই? ঢাকা সেনানিবাস যে ৬ শতাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে নিরাপত্তামূলক আশ্রয় দিয়েছিলো তাদের ওয়েব সাইটে সকলের নাম রয়েছে। সেখানে ওবায়দুল হাসান এবং এনায়েতুর রহিমের নামও রয়েছে।

(৯) বিএনপি যে, সংবিধান সংবিধান করে গলা ফাটাচ্ছে, তাদের কাছে জানতে চাই, সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের অধীনে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো?

(১০) সংবিধান মোতাবেক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হলে ১২৩ নাম্বার অনুচ্ছেদের আশ্রয় নিতে হবে। সেখানে বলা আছে, জাতীয় সংসদ ভাঙ্গার ৯০ দিনের মধ্যে অথবা ক্ষেত্র বিশেষে ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন দিতে হবে। সেখানে ১৮ মাস পরে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো সংবিধানের কোন ধারা বলে?

(১১) জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম বেকসুর খালাশ পেয়েছেন আইনের সমস্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে। অবশেষে সুপ্রীমকোর্ট তাঁর পূর্ববর্তী ফাঁসির আদেশ বাতিল করে তাকে বেকসুর খালাশ দেয়। কিন্তু অবশিষ্ট যে প্রায় ৪ হাজারের মতো মামলা প্রত্যাহার করা হয় সেগুলো বিচারিক প্রক্রিয়ার কোন্ আনুষ্ঠানিকতা পালন করে করা হয়েছে?

(১২) সংবিধানে শেখ মুজিবকে স্বাধীনতার ঘোষক বলা হয়েছে। সংবিধানের ৬ষ্ঠ তফসিল এখনো বাতিল করা হয়নি। তাহলে বিএনপি শহীদ জিয়াকে স্বাধীনতার ঘোষক বলেন কোন সংবিধান মোতাবেক? (আমরা শহীদ জিয়াকে স্বাধীনতার ঘোষক বলার বিরোধী নই)।

(১৩) সংবিধানের ৪(ক) অনুচ্ছেদ মোতাবেক প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং সমস্ত সরকারী অফিসে শেখ মুজিবের ছবি টাঙানো বাধ্যতামূলক। কারণ সংবিধানের ৪(ক) অনুচ্ছেদ এখনো বাতিল করা হয়নি। (আমরা ছবি টাঙানোর বিরোধী)।

(১৪) ৫ অগাস্ট ২০২৪ বিকেলে ছাত্র নেতারা জাতীয় সরকার গঠন করতে চেয়েছিলেন। কেনো সেটি হলো না? কে সেটিতে বাধা দিয়েছিলেন?

এ ধরনের আরো অনেক প্রশ্ন রয়েছে। সে সব প্রশ্ন তুলতে গেলে প্যান্ডোরার বাক্স খুলে যাবে। আমরা চাই সকলের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক।