কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুত উন্নতি, জৈবপ্রযুক্তির বৈপ্লবিক অগ্রগতি, উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ গবেষণা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং ভঙ্গুর জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা; সবকিছু মিলিয়ে মানবসৃষ্ট নতুন ও প্রাণঘাতী কোনও ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বাড়িয়ে দিচ্ছে।
দুর্ঘটনাবশত গবেষণাগার থেকে ছড়িয়ে পড়ে বা ইচ্ছাকৃতভাবে তৈরি এই হুমকি বিশ্বকে এক বড় ধরনের বিপদের মুখে ফেলতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।
মাত্র ১০০ রুপিতে কেন ফুটবল ক্লাব বিক্রি করলো টাটা স্টিলমাত্র ১০০ রুপিতে কেন ফুটবল ক্লাব বিক্রি করলো টাটা স্টিল যুক্তরাষ্ট্রের বাইডেন প্রশাসনের সাবেক কোভিড মোকাবিলা সমন্বয়কারী আশিষ ঝা বলেন, কোনও রোগের চিকিৎসা বা জিন থেরাপি তৈরির প্রচেষ্টা থেকে একটি ভাইরাসকে ক্ষতিকারক কিছুতে রূপান্তর করা খুব একটা কঠিন কাজ নয়।
তার মতে, কোনও রাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে জৈবাস্ত্র ব্যবহার করার চেয়েও গবেষণাগার থেকে দুর্ঘটনাবশত প্রাণঘাতী কোনও ভাইরাস ছড়ানোর শঙ্কা এখন সবচেয়ে বেশি এবং বিজ্ঞান ও এআই-এর অগ্রগতির কারণে এই ঝুঁকি কমেনি বরং বেড়েছে।
সম্প্রতি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যমার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার বার্ষিক মূল্যায়ন প্রতিবেদনেও সতর্ক করা হয়েছে যে, ন্যানোটেকনোলজি ও জিনোম এডিটিংয়ের মতো বিষয়ের অগ্রগতি নতুন জৈব ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
তবে এআই এবং উন্নত জৈবপ্রযুক্তি কেবল ঝুঁকিই বাড়ায় না, নতুন ধরনের মহামারি প্রতিরোধ, সনাক্তকরণ ও তা মোকাবিলার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের সুযোগ ও সুরক্ষাকবচ তৈরি করছে। গুগল ডিপমাইন্ড ইতোমধ্যে তাদের বায়োরিসিলিয়েন্স প্রোগ্রাম ঘোষণা করেছে, যা জৈব হুমকি প্রতিরোধ ও সুরক্ষায় সাহায্য করবে।
সূত্র: অ্যাক্সিওস