বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান ও ইরানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এক নতুন মোড় নিয়েছে। দীর্ঘদিনের শীতলতা কাটিয়ে ইসলামাবাদ ও তেহরান এখন একে অপরের ওপর ক্রমবর্ধমান নির্ভরশীলতা দেখাচ্ছে। এই পরিবর্তনের মূলে রয়েছে ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক অস্থিরতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চলমান উত্তেজনা।
পাকিস্তান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল কিন্তু শক্তিশালী ভূমিকা পালন করছে। ইসলামাবাদে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের এই আলোচনা বিশ্বমঞ্চে পাকিস্তানের কূটনৈতিক গুরুত্বকে নতুন করে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে গ্যাস পাইপলাইন এবং সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় সক্রিয় করার বিষয়টি এখন সময়ের দাবি। লেখক মনে করেন, যদি পাকিস্তান এই কূটনৈতিক সাফল্যকে দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক চুক্তিতে রূপান্তর করতে পারে, তবে তা দেশটির জ্বালানি সংকট সমাধানে বড় ভূমিকা রাখবে।
আফগানিস্তান সীমান্ত ও বেলুচিস্তান অঞ্চলে বিদ্রোহ দমনে দুই দেশের গোয়েন্দা ও সামরিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি। ইরান-ইসরায়েল ছায়াযুদ্ধের প্রভাব যাতে পাকিস্তানের ওপর না পড়ে, সে ব্যাপারে তেহরানের সঙ্গে গভীর সমন্বয় প্রয়োজন।