হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখলে ইরানের ওপর ‘নরক নামিয়ে আনার’ হুমকি পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি আরও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু ধ্বংস করে দেবে।

ইরান যুক্তরাষ্ট্রের দুটি সি-১৩০ বিমান এবং দুটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার দায় স্বীকার করেছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ধ্বংসাবশেষের ফুটেজ সম্প্রচার করে বলেছে, এটি বিমানগুলোর একটির অংশ।

এই দাবিটি এমন এক সময়ে এলো, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে, তার এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর ইরানে নিখোঁজ হওয়া মার্কিন কর্মকর্তাকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তিনি ‘এখন নিরাপদে ও সুস্থ আছেন’।

একটি ইরানি ড্রোন হামলায় বাহরাইনের প্রধান জ্বালানি কেন্দ্রের একটি স্টোরেজ ট্যাঙ্কে আঘাত হেনে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে, অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইরানি হামলায় একটি পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্টে একাধিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

ইরান বলছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মাহশাহর পেট্রোকেমিক্যাল জোনে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় পাঁচজন নিহত ও ১৭০ জন আহত হয়েছেন এবং ৩০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়কে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।