ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা এলেও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেনি; বরং বেড়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও অস্থিরতা দেখা গেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, পাকিস্তানের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির সময় বাড়াবে। পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধও বহাল থাকবে।
বুধবার যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে তার কয়েক ঘণ্টা আগেই এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়, যাতে ইরান নতুন প্রস্তাব দেওয়ার সুযোগ পায়।
তবে এই ঘোষণার আগেই বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করে। মঙ্গলবার দিনের শুরুতে বাজার ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও শেষ পর্যন্ত এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ০.৬ শতাংশ কমে যায়। একইভাবে ডাও জোনস ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ সূচক ২৯৩ পয়েন্ট বা ০.৬ শতাংশ কমে লেনদেন শেষ করে, যদিও একসময় এটি প্রায় ৪০০ পয়েন্ট পর্যন্ত বেড়েছিল। এছাড়া প্রযুক্তিনির্ভর নাসডাক কম্পোজিট সূচকও ০.৬ শতাংশ কমেছে।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক তেলের বাজারেও অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম দিনের শুরুতে ৯৫ ডলারের নিচে থাকলেও পরে তা বেড়ে প্রায় ১০০ ডলারে পৌঁছেছে। শেষ পর্যন্ত প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুডের দাম দাঁড়ায় ৯৮ দশমিক ৪৮ ডলার, যা আগের দিনের তুলনায় ৩ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।
যদিও যুদ্ধ শুরুর সময় ওয়াল স্ট্রিটে যে বড় ধরনের ওঠানামা দেখা গিয়েছিল, এবার তার তুলনায় পরিবর্তন কিছুটা কম ছিল। তারপরও বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও অনিশ্চয়তা কাটেনি, আর সেটিই বাজার ও তেলের দামে প্রভাব ফেলছে।
সূত্র: এপি