সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের অপ্রাতিষ্ঠানিক আমানতকারীদের জন্য টাকা উত্তোলনের সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে মেয়াদি আমানত থেকে শুধু আসল টাকা তুললে সেটিই সংশ্লিষ্ট আমানতকারীর পূর্ণ ও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি (ফুল অ্যান্ড ফাইনাল সেটলমেন্ট) হিসেবে গণ্য হবে।

এরপর ওই হিসাবের বিপরীতে আমানতকারী আর কোনো দাবি করতে পারবেন না।

রোববার (৩০ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংক রেজল্যুশন বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ‘ব্যাংক রেজল্যুশন স্কিম, ২০২৫ (৯ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত সংশোধিত)’-এর আওতায় জনস্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্দেশনাটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কোনো অপ্রাতিষ্ঠানিক আমানতকারী তাঁর চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাবের স্থিতি এবং মেয়াদি হিসাবের শুধু আসল অর্থ উত্তোলন করতে চাইলে হস্তান্তরগ্রহীতা ব্যাংক তা পরিশোধ করবে। এখানে মেয়াদি হিসাবের আসল অর্থ বলতে গ্রাহক নিজস্ব তহবিল থেকে হস্তান্তরকারী ব্যাংকে আমানত হিসেবে যে অর্থ জমা রেখেছেন, তা বোঝানো হয়েছে। এর সঙ্গে কোনো মুনাফা অন্তর্ভুক্ত হবে না।

তবে আসল টাকা উত্তোলনের এ সুবিধা গ্রহণ করলেই সংশ্লিষ্ট আমানতকারীর সঙ্গে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণ ও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।

পরবর্তী সময়ে ওই হিসাবের বিপরীতে কোনো অতিরিক্ত দাবি গ্রহণযোগ্য হবে না।

এ ছাড়া আমানতকারীর কোনো দায় থাকলে তা তাঁর আমানত থেকে সমন্বয় করে নেওয়া হবে। অর্থাৎ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনের আওতায় আসা হন্তান্তরকারী ব্যাংকগুলোর যেকোনোটিতে আমানতকারীর দায় থাকলে, টাকা পরিশোধের আগে সেই দায়ের মোট পরিমাণ আমানত থেকে নেট অফ করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।