গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে খুলনা বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার বিকেলে খুলনা মহানগরী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে নগরীর সোনালী ব্যাংক চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও মহানগর সভাপতি রাকিব হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় পাঠাগার সম্পাদক আরাফাত হোসেন মিলন, মহানগরীর সাবেক সভাপতি ও মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক কেন্দ্রীয় তথ্য সম্পাদক ও মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আজিজুল ইসলাম ফারাজী, সাবেক কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক ও দৌলতপুর থানা আমীর মুশাররফ আনসারী, সাবেক মহানগর সভাপতি ও সোনাডাঙা থানা সেক্রেটারি জাহিদুর রহমান নাঈম। মহানগর ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দপ্তর সম্পাদক আহমেদ সালেহীন, বায়তুলমাল সম্পাদক কামরুল হাসান, প্রচার ও এইচআরডি সম্পাদক এস এম বেলাল হোসেন, সাহিত্য সম্পাদক আব্দুর রশিদ, প্রকাশনা ও মিডিয়া সম্পাদক ফারহান তূর্য, প্ল্যানিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক ইমরানুল হক, পাবলিক রিলেশন ও ক্রীড়া সম্পাদক সেলিম হোসেন, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক গোলাম মুয়িজ্জু, তথ্যপ্রযুক্তি ও গবেষণা সম্পাদক জে আই সাবিত, স্কুল ও বিতর্ক সম্পাদক আদনান মল্লিক যুবরাজ, মাদরাসা ও তথ্য সম্পাদক হাফেজ নাঈম হোসাইন, গবেষণা সম্পাদক হামজা, পরিবেশ ও ফাউণ্ডেশন সম্পাদক সুলাইমান আবিদ, কলেজ ও ছাত্র অধিকার সম্পাদক হযরত আলী, পাঠাগার ও সমাজসেবা সম্পাদক হাবিবুল্লাহ রাজু প্রমুখ। পরে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি ডাকবাংলো, পিকচার প্যালেস মোড় হয়ে হাদিস পার্কে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় তাদের হাতে ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চাই’, ‘গণভোট মানতে হবে’Ñএমন নানা দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। নেতাকর্মীরা গণভোটের পক্ষে ও সরকারের অবস্থানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, গণভোটের রায় মেনে না নেওয়ার অর্থ হচ্ছে ফ্যাসিজম প্রতিষ্ঠা করা। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জাতিকে গণভোটে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে এখন জনরায় মেনে নিচ্ছে না। কীভাবে জনরায় বাস্তবায়ন করা লাগে জনগণ সেটি ভালো করেই জানে। সোজা পথে না আসলে জনগণ দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।”

বক্তারা আরো বলেন, ভোট কারচুপি ও ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা এই জনবিচ্ছিন্ন সরকার গণভোট ও জুলাই সনদ অস্বীকার করার দুঃসাহস দেখিয়েছে। জনরায়ের বিরুদ্ধে সরকারের এই অপচেষ্টা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মতো জনগণ রুখে দেবে। আজ সংবিধানের দোহাই দিয়ে জনগণের আকাক্সক্ষার জুলাই সনদকে অস্বীকার করা হচ্ছে। আমরা স্পষ্ট জানিয়ে দিতে চাই, সংবিধানে ৫ আগস্টের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিলো না, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কাঠামো ছিলো না, ২০২৬ এর জাতীয় নির্বাচনও ছিলো না। এমনকি সংবিধানে বিএনপির সরকার গঠন করার কথাও উল্লেখ ছিলো না। আজ সংবিধানের দোহাই দিয়ে জুলাই সনদ অস্বীকার করার পায়তারা করে বিএনপি সরকার জনগণের শত্রু বলে নিজেদেরকে উপস্থাপন করেছে।