অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জ¦ালানি সংকট নিরসনের দাবি আদায়ের দাবিতে লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর ও সদর উপজেলাসহ ১১ দলীয় ঐক্যের আয়োজনে।
গতকাল রোববার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা পার্কে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার আমীর আবু জার গিফারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর দক্ষিনের আমীর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ নুরুল ইসলাম বুলবুল।
নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, জাতীয় সংসদের এমপি নির্বাচন করেছেন। পাশাপাশি গণভোটের পক্ষে হ্যাঁ ভোট দিয়ে সংবিধানের রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কারের জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই অন্তর্বর্তীকালিন সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশন প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিলেন এবং আমাদের শপথ গ্রহণের জন্য ২টি চিঠি দিয়েছিলেন। একটা হচ্ছে জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ, আরেকটি হচ্ছে সংবিধান সংস্কার পরিষদের যার পক্ষে এদেশের ৭০ ভাগ মানুষ হ্যাঁ ভোট দিয়ে মতামত দিয়েছেন। আমরা শপথ গ্রহণ করেছিলাম। কিন্তু প্রথম দিন থেকেই বিএনপি ১৮ কোটি মানুষের সাথে প্রতারণা শুরু করেছে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করে সংবিধান সংস্কারের মাধ্যমে দেশ পরিচালনা করতে হবে। তিনি আরও বলেন, একই সঙ্গে চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। দাবি না মানলে আবারো বাংলাদেশের মানুষ রাজপথে নেমে আরেকটি জুলাই অভ্যুত্থান ঘটাবে। জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবু বকরের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র অধ্যক্ষ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাবেক এমপি অধ্যাপক মোহাঃ লতিফুর রহমান, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোঃ মোখলেসুর রহমান, পৌর আমীর হাফেজ গোলাম রাব্বানী সদর উপজেলার আমীর হাফেজ আব্দুল আলীম, পৌর আমীর হাফেজ গোলাম রাব্বানী, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর শাখার সভাপতি ইউসুফ আল গালিব প্রমুখ। বক্তারা বলেন, জনগণের ভোট ও মতামতের প্রতি সম্মান প্রদর্শনই গণতন্ত্রের মূলভিত্তি। গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান এবং জ্বালানি সংকট।