বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচএম হামিদুর রহমান আযাদ দলের এক সম্মেলনে বলেন, সংসদে মৌলিক সংস্কার সম্পর্কিত অধ্যাদেশসমূহ বাতিল করা হয়েছে, যেগুলো পাস করা হয়েছে তা মৌলিক সংস্কার নয়। সরকারের কাছে আমার প্রশ্ন গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ ল্যাপস আবার কি আপনারা আয়না ঘর তৈরী ও গুমের মতো ঘটনা ঘটিয়ে বিরোধী দলকে দমন করতে চান? তিনি বলেন, বর্তমান সরকার প্রধান নির্বাচনের আগে তাদের দলীয় প্রতীকের পক্ষে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি হ্যাঁ ভোটের পক্ষেও সমর্থন চেয়েছিলেন, তবে কেন একই তফসিলের দুটি ভোটে অংশ নিয়ে একটির শপথ পড়লেন আর হ্যা ভোটের রায়কে ছুড়ে ফেললেন।

গতকাল শুক্রবার দুপুরে ফরিদপুর শহরতলীর মুসলিম মিশন মিলনায়তনে ফরিদপুর অঞ্চলের উপজেলা ও পৌরসভা দায়িত্বশীয় সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন,আপনারা দেশের প্রায় ৭০ ভাগ মানুষের রায়কে এভাবে ছুড়ে ফেলতে পারেন না। আপনাদের মনে রাখতে হবে দেশটা কোন দল বা গোষ্ঠির নয়, এটি সবার বাংলাদেশ। অধিকাংশ জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে অবস্হান এ দেশের মানুষ তাদের ক্ষমা করবে না।

ডাকসুর নেতাদের উপর হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মানুষের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা হল থানা, আর ছাত্র নেতারা থানায় গিয়ে হামলার শিকার হন। তাদের অপরাধ কি ছিল।

জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আরো বলেন, সরকারকে বলব আপনার দলের মাস্তানদের নিয়ন্ত্রণ করুন, নয়তো জনগণ তাদের প্রতিহত করবে, তখন কিন্তু রেহাই পাবেন না।

তিনি বিএনপির উদ্দেশ্যে বলেন, শিবিরকে রগ কাটার অপবাদ দেয়া হয়, কিন্তু আমরা চট্টগ্রামে কি দেখলাম, আমার ভাইয়ের পায়ের রগ কেটেছে কারা ।

তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন প্রয়োজন হলে আবারো জুলাইয়ের মত আন্দোলন হবে, এখনো সময় আছে জনগণের ভাষা বোঝার চেষ্টা করুন।

তিনি নিজ দলের নেতাকর্মীদের আগামীতে আন্দোলনের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও ফরিদপুর জেলার আমীর মাওলানা মুহাম্মদ বদরুদ্দীন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য শামসুল ইসলাম আল বরাটি, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য প্রফেসর আবদুত তাওয়াব, ইমতিয়াজউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।