বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরীতে অনৈতিকভাবে ক্ষমতা ধরে আছেন অনির্বাচিত মেয়র। ৪১ টি ওয়ার্ডে কোন নির্বাচিত কাউন্সিলর নেই, সংরক্ষিত আসনের ১৪ টিতে কোন মহিলা কাউন্সিলর নেই। এভাবে নাগরিক সেবায় তীব্র অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। জন্মনিবন্ধন, মৃত্যু সনদ, নাগরিকত্ব সনদ, ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও মশক নিধনের মতো জরুরি সেবাগুলো মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুরা চরম হুমকির মুখে পড়েছে। ওয়ার্ড পর্যায়ে নির্বাচিত কাউন্সিলর থাকলে নগরবাসীর দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেয়া সাবলীল হতো।
গত শনিবার রাত ৭ টায় চট্টগ্রাম মহানগরীর জামায়াতের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দায়িত্বশীল বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় বন্ধ থাকায় স্থানীয় সমস্যা যেমন-ভাঙ্গা রাস্তা, পানির সমস্যা ইত্যাদির দ্রুত সমাধান মিলছে না। অনির্বাচিত মেয়র অনেক দপ্তরের দায়িত্বে থাকায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের জন্য নগরবাসীকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সাধারণ নাগরিকরা তাদের সমস্যার কথা জানানোর কার্যকর কোনো পথ পাচ্ছেন না। জনদুর্ভোগ কমাতে দ্রুত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন দিয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির হাতে দায়িত্ব হস্তান্তর করার কোন বিকল্প নেই।
উক্ত বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরী সেক্রেটারি মুহাম্মদ নুরুল আমিন, মহানগরীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার ও ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সিদ্দিকুর রহমান, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য আবু হেনা মোস্তফা কামাল, হামেদ হাসান ইলাহী, আমির হোছাইন, প্রফেসর মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, অধ্যাপক মুহাম্মদ নুর, সদরঘাট থানা আমীর এম এ গফুর প্রমুখ।
এতে কোতোয়ালি থানা ও সদরঘাট থানা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ এবং ১১টি ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ উপস্থিতি ছিলেন।