ফেডারেশনের সভাপতি আতিকুর রহমান, সম্পাদক লস্কর তসলিম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, শ্রমিকের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো বিপ্লব সফল হয় না। পৃথিবী ও ইসলামের ইতিহাসে শ্রমিকরা সকল আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। তিনি বলেন, মক্কার জীবনে শ্রমিকরাই রাসুল (সা.) এর দক্ষিণ হস্ত ছিল। মহান মুক্তিযুদ্ধ ও নব্বইয়ের গণ অভ্যুত্থানেও শ্রমিকরা একই ভূমিকা পালন করেছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাবেক এমপি আ ন ম শামসুল ইসলাম এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান।

জুলাই বিপ্লবে আত্মত্যাগকারী শহীদের ৬২ ভাগ শ্রমিক বলে মন্তব্য করেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলেন নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ২৪ এর বিপ্লবে এদেশ থেকে ফ্যাসিজমের বিনাশ ঘটেছে। এই বিপ্লবে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে শ্রমিকরা। শ্রমিকের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো বিপ্লব সফল হয় না।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এদেশের শ্রমিকদের চাওয়া পাওয়া খুব মামুলী। কিন্তু এদেশের কোনো সরকার আজ পর্যন্ত শ্রমিকদের ন্যূনতম এই দাবিটুকু পূরণ করেনি। মূলত রাষ্ট্র ক্ষমতায় যারা যায় তারা তো সোনার চামুচ নিয়ে জন্ম গ্রহণ করে। ফলে তারা শ্রমিকদের দুঃখ কষ্ট অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়। তিনি বলেন, বামপন্থীরা শ্রেণি সংগ্রাম দমনের নামে মালিক ও উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে শ্রমিকদের উত্তেজিত করার চেষ্টা করেছে। আমি তাদেরকে কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই মালিক যদি না থাকে তাহলে শ্রমিকরা কাজ করবে কোথায় ? শ্রমিকদের কর্মসংস্থান কোথায় হবে ? তারা মালিক-শ্রমিকের মাঝে বিভেদের দেয়াল তুলতে চাইলেও আমরা মালিক-শ্রমিকের মাঝে ভাইয়ের সম্পর্ক তৈরি করতে চাই। ইসলাম বলে, শ্রমিক-মালিক পরস্পর সম্মান ও ভালোবাসা প্রদর্শন করবে। একে অপরের শত্রু হবে না। শ্রমিক বাঁচলে মালিক বাঁচবে। শিল্পও বাঁচবে।

তিনি সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, শ্রমিকের সকল দায়িত্ব মালিকের ঘাড়ে চাপিয়ে দায়িত্ব শেষ করা যাবে না। মালিক ইনসাফ অনুযায়ী শ্রমিকের দায়িত্ব গ্রহণ করবে। অবশিষ্ট দায়িত্ব রাষ্ট্রকে গ্রহণ করতে হবে। তিনি সরকারের কাছে শ্রমঘন এলাকায় বিশেষায়িত হাসপাতাল এবং শ্রমিকদের সন্তানদের শিক্ষিত ও সুনাগরিক হিসাবে গড়ে তোলার জন্য উদ্যোগ নিতে জোর দাবি জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি বলেন, শ্রমিকদের সকল সমস্যা আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠন ছাড়া শ্রমিক আন্দোলন কার্যকর হয় না বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, যত পেশা তত ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বাংলাদেশের ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের আজকের দিনটি ঐতিহাসিক স্মৃতি হিসাবে ইতিহাসের পাতায় লিপিবদ্ধ থাকবে। ষাটের দশক থেকে এদেশে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন থামিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, একদল শ্রমিক নেতা শ্রমিক সংগঠন ও ট্রেড ইউনিয়নকে ক্ষমতায় যাওয়ার সিড়ি হিসাবে বারংবার ব্যবহার করেছে। ফলে শ্রমিকদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন,বর্তমান সরকারকে অচিরেই ওয়াদা ভঙ্গের পরিণতি ভোগ করতে হবে। মানুষের অধিকার আদায়ের অনেক অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি থাকলেও সেই ওয়াদা তারা ভঙ্গ করেছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে, তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয় নাই। বর্তমান সরকারকেও মনে রাখতে হবে, ছাত্র-শ্রমিক-জনতাকে ওয়াদা দিয়ে, তাদের রক্তের ওপর দিয়ে যে সরকার গঠিত হয়েছে, এই ওয়াদা ভঙ্গের পরিণতি তাদের অচিরেই ভোগ করতে হবে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা বর্তমান সরকারকে সম্পূর্ণভাবে সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত ছিলাম। আন্তর্জাতিকভাবে যুদ্ধ পরিস্থিতি চলছে, বর্তমানে জাতীয় ঐক্য অতি জরুরি ছিল, কিন্তু সেই জাতীয় ঐক্য, সেই জাতীয় সমঝোতা ভঙ্গ করেছে বর্তমান সরকার। বিএনপি ক্ষমতার স্বাদ পেয়ে জনগণের কথা ভুলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি বলেন, নতুন যে সরকার গঠিত হয়েছে, তারা শ্রমিকদের রক্তের ওপর ক্ষমতায় বসেছে। কিন্তু এক মাসের মাথায় তারা নতুন বাংলাদেশের সঙ্গে বেইমানি করেছে। গণভোটের গণরায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে। এই সরকার গণবিরোধী সরকার। ক্ষমতার স্বাদ পেয়ে বিএনপি জনগণের রক্তের কথা ভুলে গেছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, এ দেশের জাতীয় ইতিহাসে আমরা বারবার দেখেছি, শ্রমিকেরা রক্ত দিয়েছে, জীবন দিয়েছে। ১৯৪৭-এর আজাদির লড়াই থেকে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং এদেশে যত গণ-অভ্যুত্থান হয়েছে, এমনকি চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের অধিকাংশই শ্রমজীবী মানুষ। শ্রমজীবী মানুষের রক্তের ওপর দিয়ে ক্ষমতায় আসা বিএনপি এক মাসের মাথায় জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ঐক্যবদ্ধ হোন। আপনাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিতে হবে। নতুন বাংলাদেশের পথে গণঅভ্যুত্থানের বাংলাদেশকে, জুলাইয়ের বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা এক নতুন জাতীয় ঐক্যে আবির্ভূত হয়েছি, যেখানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশের শ্রমিকদের প্রতি আমাদের যে ওয়াদা ছিলÑএকটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ আমরা গড়বো; রাজনীতি-অর্থনীতি-সমাজ সব জায়গায় ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করব; নতুন বন্দোবস্তের শ্রমিকের হিস্যা নিশ্চিত করব; সেই লড়াইয়ে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, জাতীয় নাগরিক পার্টি ও জাতীয় শ্রমিক শক্তি সেই ঐক্যের পথে আছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, শুধু জাতীয় সংসদ নয়, আমাদেরকে এবার রাজপথের প্রস্তুতি নিতে হবে। রাজপথের প্রস্তুতির মাধ্যমে, গণআন্দোলনের প্রস্তুতির মাধ্যমেই আমরা বর্তমান সরকারকে বাধ্য করব জুলাই সনদ, গণভোটসহ শ্রমিকের অধিকারে প্রতিটি দাবি যাতে নিশ্চিত হয়।

রাজপথে নামার প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, শুধু জাতীয় সংসদ নয়, আমাদের এবার রাজপথের প্রস্তুতি নিতে হবে। রাজপথের প্রস্তুতির মাধ্যমে, গণ-আন্দোলনের প্রস্তুতির মাধ্যমেই আমরা বর্তমান সরকারকে বাধ্য করব জুলাই সনদ, গণভোটসহ শ্রমিকের অধিকারে প্রতিটি দাবি যাতে নিশ্চিত হয়।

সম্মেলনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার মাওলানা আব্দুল হালিম আগামী তিন বছরের জন্য ৭৫ সদস্যের প্যানেল প্রস্তাব করলে ডেলিগেটরা কণ্ঠভোটে তা অনুমোদন করেন। এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন যথাক্রমে বিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান ও সহ-সভাপতি লস্কর মো : তসলিম।

সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তরের আমীর সেলিম উদ্দিন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপা সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, পাবনা-১ আসনের এমপি ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, শেরপুর-১ আসনের এমপি রাশেদুল ইসলাম, ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি অধ্যাপক হারুনুর রশিদ খান, শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রধান ও বিলস্ এর নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমদ, শ্রমিক নেতা এ.এ. এম ফয়েজ হোসেন, বাবুল আখতার, প্রভাষক আব্দুল করিমসহ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

এছাড়াও সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও শ্রমিক সংগঠনের জাতীয় নেতৃবৃন্দ।

একইদিনে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে। বাংলাদেশের কৃষিতে বিশ্ব জ্বালানি সংকটের প্রভাব: উত্তরণের উপায় শীর্ষক এক সেমিনারের আয়োজন করে এগ্রিকালচারিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ। সেখানে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তেল আছে শুধু সংসদে। সংসদে সরকারি দলের মন্ত্রী-সংসদ সদস্যদের কথা শুনলে মনে হয় দেশ তেলের ওপর ভাসছে। একইসাথে ফ্যাসিজম আর গায়ের জোরের পথে হাঁটা হয়, তবে আমরা আল্লাহর দেওয়া শক্তি দিয়ে সে পথে বাধা হয়ে দাঁড়াব ইনশাআল্লাহ।

জামায়াতে ইসলামীর আমীর বলেন, সংসদে যখন মন্ত্রীরা, সরকারি দলের সদস্যরা কথা বলেন, তখন মনে হয় দেশ তেলের ওপর ভাসছে। অথচ সাধারণ মানুষ মাইলের পর মাইল লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাচ্ছে না। সংসদে সব আশা বিফলে না গেলেও ভালো কিছু মেলেনি এমন মন্তব্য করে শফিকুর রহমান বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র হওয়া উচিত জনগণের স্বার্থে আইন প্রণয়ন করা। কিন্তু শুক্রবারের ইভেন্টগুলো দেখলে বোঝা যায় বাস্তবতা ভিন্ন।

তিনি বলেন, আমি সংসদে দাঁড়িয়েও বলেছিলাম, আমরা নবীন সদস্য হলেও রাজনীতির সুস্থ চর্চা করতে চাই। জনগণের ট্যাক্সের প্রতিটি পয়সার হিসাব আমাদের দিতে হবে। আমি বলব না, যে সব আশা বিফলে যাচ্ছে, তবে এখন পর্যন্ত সংসদ থেকে জাতির জন্য খুব ভালো কিছু ডেলিভারি দেওয়া সম্ভব হয়নি। দেশের সামগ্রিক ব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে জামায়াত আমীর বলেন, বর্তমানে গোটা সমাজ চলছে গোঁজামিল আর টপ-ড্রেসিংয়ের মাধ্যমে। ব্যাংকিং খাত থেকে শুরু করে সব জায়গায় শুধু হিসাব মেলানোর চেষ্টা চলছে, যেখানে ক্যাশ নেই কিন্তু খাতায় লাভ দেখানো হচ্ছে। এই ‘গোঁজামিল’ দিয়ে দেশ চলতে পারে না। আমাদের উচিত মেরিটোক্রেটিক (মেধাভিত্তিক) সোসাইটি গড়ে তোলা, পলিটোক্রেটিক (রাজনীতিভিত্তিক) নয়।

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন জামায়াত আমীর। তিনি বলেন, শুনলাম এখানেও নাকি বিসিবির মতো ‘ক্যু’ ঘটানোর চেষ্টা হচ্ছে। কৃষিবিদদের মতো মেধাবী মানুষদের সংগঠনে কেন জোর করে নেতৃত্ব দখলের রাজনীতি থাকবে ? উপযুক্ত লোককে উপযুক্ত জায়গায় বসানোই সরকারের সার্থকতা। এখানে দল, ধর্ম বা লিঙ্গ দেখার সুযোগ নেই। এই ব্যাড কালচারের কবর রচনা করতে হবে। কৃষির বিপর্যয় মানেই দেশের বিপর্যয় এমন মন্তব্য করে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, কৃষি বাঁচলে, দেশ বাঁচবে। এটি আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। কৃষির বিপর্যয় ঘটলে গোটা জাতির বিপর্যয় ঘটবে। কোনো বিদেশী ঋণ বা সহায়তা জাতিকে সোজা হয়ে দাঁড় করাতে পারবে না যদি আমাদের কৃষি ধ্বংস হয়ে যায়। অথচ জ্বালানি সংকটের কারণে কৃষকরা সেচ দিতে পারছেন না, যা খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাফার স্টক তৈরির জন্য সরকারকে পরামর্শ দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, সরকারকে ডিমান্ড ম্যানেজমেন্টে স্বচ্ছ হতে হবে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কমপক্ষে ৬০ থেকে ৯০ দিনের বাফার স্টক (মজুত) গড়ে তুলতে হবে। এছাড়া সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে সোলার এনার্জি বা অল্টারনেট জেনারেশনের দিকে নজর দিতে হবে।

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি একই সিন্ডিকেট, ফ্যাসিজম আর গায়ের জোরের পথে হাঁটা হয়, তবে আমরা আল্লাহর দেওয়া শক্তি দিয়ে সে পথে বাধা হয়ে দাঁড়াব ইনশাআল্লাহ। এগ্রিকালচারিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশের সভাপতি প্রফেসর এটিএম মাহবুব ই ইলাহীর সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। প্রবন্ধে জানানো হয়, দেশের মোট জ্বালানির ১৮ শতাংশ কৃষি খাতে ব্যবহৃত হয় এবং বর্তমান সংকটে বোরো চাষে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে।