বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন গাজীপুর মহানগরের উদ্যোগে গতকাল শনিবার তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসায় এক ঈদ পুর্ণমিলী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাআশিফ গাজীপুর মহানগর সভাপতি অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন মোল্লার সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের জেনারেল সেক্রেটারি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সিনেট সদস্য অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করীম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করীম বলেন, ঈদুল ফিতরের লম্বা ছুটি কাটিয়ে আবার আমরা একত্রিত হতে পেরেছি সে জন্য আল্লাহ তায়ালার শুকরিয়া আদায় করছি। আলহামদুলিল্লাহ! নির্বাচন, রমযান ও ঈদের কারণে আমাদের ফেডারেশনের কাজের গতি কিছুটা কমে গিয়েছিলো। তাই এখন নতুন উদ্যোমে ফেডারেশনের কাজকে বেগবান করার জন্য আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। এদেশে ইসলামী শিক্ষা প্রণয়নের জন্যে আমাদের প্রত্যেকেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি-দাওয়া আদায়ে সাবাইকে সোচ্চার হতে হবে। তাই প্রয়োজন হলো শিক্ষকদের ঐক্যবদ্ধ করা, ঐক্যবদ্ধ হওয়া। এজন্য সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের মাঝে বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের কাজকে ছড়িয়ে দিতে হবে।
তিনি বলেন, প্রায় ২ হাজার শহীদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে থাকা বর্তমান সরকার জুলাই সনদ নিয়ে টালবাহানা শুরু করেছে। ৭০% মানুষের মতামতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গণভোট, জুলাই সনদসহ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিলের ষড়যন্ত্র করছে। জ্বালানী তেলের সংকট, গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ না করে গণভোট আর জুলাই সনদ নিয়ে সরকার টালবাহানা করছে। জুলাই সনদ কোনো ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত বিষয় নয়, এটি জাতির স্বার্থের সঙ্গে জড়িত। জুলাই সনদকে অবজ্ঞা করে সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে দেশে রাজনৈতিক সংকট তৈরি করছে।
তিনি আরো বলেন, গণভোট ও জুলাই সমদকে বাতিল করার কোনো সুযোগ নেই। এ বিষয় নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করছেন তাদেরকে বলবো অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুন। অবিলম্বে জনগণের অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করুন। নতুবা দেশের ছাত্র-জনতা আবারো রাজপথে নেমে আসতে বাধ্য হবে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি